Tuesday, February 14, 2017

উপনিবেশ বিরোধী চর্চা২ - উনবিংশ এবং বিংশ শতে রাষ্ট্র এবং দেশজ চিকিৎসা ব্যবস্থা ১৮০০-১৯৪৭

পুনম বালা

ব্রিটিশ ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণায় অতীতের সম্পর্কটি কি ছিল, সে বিষয়ে আলো ফেলাটা খুব জরুরি। চট্টোপাধ্যায়ের সায়েন্স এন্ড সোসাইটি ইন এন্সিয়েন্ট ইন্ডিয়া২৪ বইটি এই আলোচনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। চিকিতসাবিদ্যা বিকাশের ইতিহাস আলোচনায় এটি আমাদের সামনে নতুন একটা দিগন্তের দ্বার উন্মোচন করে। তিনি অসাধারণ প্রজ্ঞায় বলছেন, অতীত সম্বন্ধে বিভিন্ন আলোচনায় আয়ুর্বেদের সঙ্গে ধর্ম এবং রাজনীতির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের যে মিথ তৈরি হয়েছে তা সচেতন নির্মান, তার সঙ্গে বাস্তবতার বিন্দুমাত্রও মিল নেই। তিনি বলছেন অতীতে চিকিৎসা শাস্ত্র বহু বাধার সম্মুখীন হয়েই এগিয়েছিল। বিভিন্ন পৌরাণিক এবং স্মৃতি শাস্ত্র সূত্রে দেখতে পাচ্ছি চিকিতসকদের নানান উদ্যম শাসকদের ধর্মীয় মতান্ধতায় বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর বাধা অতিক্রম করতে বৈজ্ঞানিকদের শাসকদের ইচ্ছেতেই আত্মসমর্পন করতে হচ্ছে। এই বিরোধ এড়াতে বৈজ্ঞানিকেরা চিকিৎসা শাস্ত্রে ধর্মীয় মোড়ক পরিয়ে দিলেন। এ বিষটয়ে আমরা চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য তুলে দিলাম, পুরোহিতদের প্রতি আত্মসমর্পনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন শাস্ত্রে(যেমন চরক সংহিতায়) আত্মা এবং তার মুক্তি নিয়ে একটি অধ্যায় আলোচিত হল।

ভারতীয় চিকিতসাবিদ্যা কোন স্থির-বদ্ধ নীতিসমূহের সংহিতা নয়, বরং শতাব্দের পর শতাব্দ ধরে বৈদেশিক অভিযান এবং আত্তীকরণের ফল। দ্বিতীয় অধ্যায়ে বিশদে এই অগ্রগতির খতিয়ান আমরা দেখতে চেষ্টা করব। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি এই তিনটি শর্তে আমরা দেখার চেষ্টা করব, ১) প্রাচীন এবং মধ্য যুগে কারা প্রখ্যাত চিকিতসক ছিলেন এবং এদের মধ্যে কারা শাসকীয় রাজদরবারে নেকনজর লাভ করেছেন? ২) কোন কোন প্রখ্যাত শাস্ত্র(টেক্সট) লেখা হয়েছিল, এবং সেগুলির মধ্যে কোন কোনটি শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিল এবং একই সঙ্গে বিরাগভাজন হয়েছিল ৩) রাষ্ট্র কি সে সময়ে চিকিৎসাশাস্ত্রীদের শাস্তিদান করেছিল? ব্রিটিশ শাসনের সময় পশ্চিমি ওষুধ ভারতে আসে। এই গবেষণার বাকি অংশটা প্রাচীন এবং মধ্য যুগের চিকিৎসা ব্যবস্থার আলোকে এবং প্রভাবে ব্রিটিশ প্রশাসকদের অনুসৃত নানান নীতি বিশ্লেষণ করা হবে।

তৃতীয় এবং চতুর্থ অধ্যায়ে দেশজ এবং বৈদেশিক চিকিৎসা শাস্ত্রের সম্পর্কটা বোঝার চেষ্টা করেছি। উপনিবেশের প্রথম দিকে ভারতে দেশজ ঔষধ ব্যবহার এবং দেশজ চিকিৎসাশাস্ত্রীদের প্রশিক্ষণ এবং ব্যবহারিক বিদ্যা প্রয়োগের উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল। রোগের নিদান এবং চিকিৎসায় উভয় ব্যবস্থাকেই সমান গুরুত্ব পায়।

দেশজ চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ে ঔপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গী উনিবংশ শতকের শেষের দিকে পাল্টাতে শুরু করল। আমি চতুর্থ অধ্যায়ে আলোচনা করেছি, এই সময়ে পশ্চিমি চিকিৎসাবিদ্যাকে পেশাদারিত্বের মোড়ক দেওয়ার চেষ্টা চললেও ভারতীয় চিকিৎসাশাস্ত্রের বহুত্ববাদের জন্য সেই উদ্যমটি অঙ্কুরেই ব্যর্থ হল। পঞ্চম অধ্যায়ে আমি বলার চেষ্টা করছি, ব্রিটেনে চিকিতসকেদের পেশাদারিত্ব সফল হয়েছিল গণস্বাস্থ্য উদ্যমের নীতির ব্যপকতায়। কিন্তু ভারতে সেই ধরণের উদ্যম এবং তার ফলজ সফলতা দেখা যায় নি।

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষনার আপ্রতুলতা, রোগ নির্ণয়ে নিদান বিদ্যার অভাবের জন্যই এই ব্যার্থতা ঘটেছিল। গণস্বাস্থ্য উদ্যমের অভাবই পশ্চিমি চিকিতসাবিদ্যা দেশিয় চিকিৎসাবিদ্যার সঙ্গে পেরে উঠল না, বরং পেশাদারিত্বের পূর্ণ বিকাশ ঘটল না।
এই গবেষনার শেষ পর্বে আমি দেখাতে চেষ্টা করেছি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষণায় যে পশ্চিমি চিকিৎসাবিদ্যার প্রসার ঘটল, তার ব্যপ্ত হলনা, বরং সেটি ভারতের মুষ্টিমেয় ধনী ভদ্রলোকেদের সমাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে গেল। পশ্চিমি চিকিতসায় চিকিতসিত হওয়ার সঙ্গে জুড়ে গেল ‘উচ্চ’ সামাজিকতার অবস্থান এবং ভদ্রলোকিয় সামাজিকস্তরের ধারনাটি। তবে জাতীয়তাবাদের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ইংরেজি শিক্ষিতরাই কিন্তু এই চিকিতসাব্যবস্থার পাশাপাশি দেশজ চিকিৎসাবিদ্যার প্রতি নমনীয় হলেন এবং তাকে কিছুটা হলেও গ্রহন করলেন। এই সময়ে দেশজ চিকিৎসাবিদ্যা ধর্মীয় আচার আচরণ থেকে বেরিয়ে গবেষণা আর পরীক্ষানিরীক্ষার দ্বার উন্মোচন করল।

আমার গবেষণায় পশ্চিমি চিকিৎসাবিদ্যা নামক যে শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেছি, তা আমি পশ্চিমের চিকিৎসাবিদ্যা, বিশেষ করে সে সময়ে ব্রিটেনে অনুসৃত চিকিৎসাবিদ্যা বোঝাতে চেয়েছি। চিকিৎসা ব্যবস্থা বলতে হেলথ কেয়ার ডেলিভারিকেও বুঝিয়েছি। স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠনের তত্ত্ব, শুধুই রোগভোগের অভাব নয়, শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিকভাবে ভাল থাকাই স্বাস্থ্য আপাতত সঠিক। তবু স্বাস্থ্যের সার্বজনিক সংজ্ঞা নির্ণয় করা খুব কঠিন। কেননা কোন একটি বিষয় কোন সমাজে হয়ত স্বাস্থ্যকর রূপে প্রতিভাত হয়, আবার কোন সমাজে সেইটাই চরম অস্বাস্থ্যকর রূপে নিন্দিত হয়ে থাকে। আমরা অনেকটা উইলসনের অনুগামী, আইডিয়া অব হেলথ আস ফাংশনাল কম্পিটেন্স ইন এনেক্টিং রোলস। অসুস্থতা বিষয়ে পার্সনস বলছেন, স্টেট অব ডিস্টারবেন্স ইন দ্য ‘নর্মাল’ ফাংসানিং অব টোটাল হিউম্যান ইন্ডিভিজুয়াল, ইনক্লুডিং বোথ দ্য স্টেট অব দ্য অর্গানিজম এজ আ বায়োলজিক্যাল সিস্টেম এন্ড অব হিজ পারসোনাল এন্ড সোসাল এডজাস্টমেন্টস। ফলে এটি কিছুটা শারীরিকভাবে এবং কিছুটা সামাজিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে২৮।

ডুন২৯ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে স্থানীয়, আঞ্চলিক এবং বহুজাতিকতায় বিভক্ত করেছেন। স্থানীয় এবং আঞ্চলিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দেশজ এবং পারম্পরিক চিকিতসাব্যবস্থার সমাহার এবং তার একটি আন্তসাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটও রয়েছে বটে, তবে সে অন্য সংস্কৃতি থেকে দেওয়ানেওয়ায় বাধা দান করে না। স্থানীয় চিকিৎসাব্যবস্থা, লৌকিক ঔষুধের সঙ্গে দাই, হাড়জোড়া চিকিতসক, বিভিন্ন ধরণের অতীন্দ্রিয় চিকিৎসক, এবং অন্যান্য লৌকিক স্বাস্থ্য বিধায়ক জুড়ে থাকেন। লৌকিক চিকিৎসাবিদ্যায় রসতত্ত্বের নির্ভরতা, মহাজাগতিক ভাবনাচিন্তা এবং ঐন্দ্রজালিকতা প্রয়োগ হয়ে থাকে৩০। আয়ুর্বেদ এবং য়ুনানির(এমন কি চৈনিকও) হল আঞ্চলিক চিকিতসাবিদ্যার উদাহরণ। লেসলি৩১ একে ধ্রুপদী এবং পেশাদারিত্বের ভাগে ভাগ করেছেন। আয়ুর্বেদে চরক সুশ্রুত সংহিতা এবং আরবি য়ুনানিকে ধ্রুপদী অভিহিত করেছেন। পেশাদারি আয়ুর্বেদ আর য়ুনানি চিকিৎসাক হিসেবে তিনি তাদের বলেছেন, যারা অতীতের চিকিতসাবিদ্যাকে আধুনিকযুগের পশ্চিমি চিকিৎসাবিদ্যার সঙ্গে মিলিয়ে মিশিয়ে ঐতিহ্যে এবং সংগঠনে পরিবর্তন আনেন। আর কসমোপলিটন চিকিৎসাবিদ্যা হল একান্তই পশ্চিমি চিকিৎসাবিদ্যা। এই তিন প্রকারের চিকিৎসা ব্যবস্থার পার্থক্য তত্ত্বে বা বাস্তবে থাকলেও তিনিটি বিদ্যাতেই একটা জিনিস বিজ্ঞানের আওতার বাইরে সেটি হল রোগীর সঙ্গে চিকিতসকের আলাপচারিতা। এই গবেষণায় আমি আয়ুর্বেদ আর য়ুনানিকে আঞ্চলিক চিকিৎসাবিদ্যা হিসেবে গণ্য করেছি যা পশ্চিমি চিকিৎসাবিদ্যার মত নিজেকে পেশাদারিত্বের দিকে নিয়ে যেতে চায়, কিন্তু বাস্তবে সংঘ তৈরি করা তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না।


এই গবেষণার যৌক্তিকতা
চিকিৎসাবিদ্যার ইতিহাস গবেষণায় আমরা বিশেষ বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা বিকাশে কি ধরণের প্রভাব পড়েছিল সে বিষয়ে নজর টানতে পারি। এটি আমাদের কোনও ব্যবস্থার জোর বা অদক্ষতার দিকে আঙুল তুলতে, এবং কিভাবে একটি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা যায় সে দিকে আমাদের চোখ ফেরাতে সাহায্য করে। দেশিয় চিকিৎসাবিদ্যার ইতিহাস আলোচনায় আমরা বিজ্ঞানভিত্তিক এবং জাদু এবং ধর্মীয় প্রথাভিত্তিক চিকিৎসার মধ্যে পার্থক্য টানতে পারি। যদি আমরা ভারতীয় চিকিৎসাবিদ্যাকে বাস্তবমুখী তত্ত্বভিত্তিক এবং গবেষণামূলক নিরীক্ষণ রূপে নির্ধারণ করতে পারি তাহলে সেটিকে কিন্তু বিজ্ঞান রূপে পরিগণিত করা যায়৩২। কিন্তু বিজ্ঞান আর্থে যদি সঠিক মাপন এবং প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতির ব্যবহার হয়, তাহলে এটি অতটা বিজ্ঞানরূপে পরিগণিত হবে না হয়ত। ব্রিটিশ শাসিত ভারতে পশ্চিমি চিকিতসাবিদ্যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর মোটামুটি বলা যায়, দেশিয় চিকিৎসাবিদ্যায় প্রাযুক্তিক বিকাশ প্রায় ঘটেইনি, যদিও পশ্চিমে উদ্ভাবন এবং আবিষ্কারগুলি চিকিৎসা ব্যবস্থায় বাস্তবে প্রযুক্ত এবং আত্তীকৃত হয়েছিল একমাত্র তার কর্মক্ষমতার পরিচয়টের পরেই। সিগরিস্টের দাবি চিকিৎসাবিদ্যার ইতিহাস কিন্তু চিকিৎসা এবং ইতিহাস এই দুই শাস্ত্রের যৌথ সম্মেলন, সেই কাজে ইতিহাসের দায় হল অনুক্রমিক চিকিৎসা সংঘ এবং চিকিতসন বিষয়ে আলোচনা এবং চিকিৎসার কাজ হল, অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রায়োগিক তাত্ত্বিক, ধারণা, ভাবনার এবং গবেষণালব্ধ তথ্যের বিবর্তনের পটভূমিকা রচনা৩৩।

মার্টন বিজ্ঞানকে সামাজিক সঙ্গঠনরূপে দাবি করেছেন যার চরিত্র মূল্যবোধ(ইথস) এবং কার্যকর বিশ্লেষণ (ফাংশানাল এনালাইসিস)ভিত্তিক। বিজ্ঞানের মূল্যবোধ হল বহু জটিল নৈতিক এবং প্রথার সমাহার, যা একজন বৈজ্ঞানিক মানুষকে বেঁধে রাখে৩৪। বিজ্ঞানের এই বিশ্লেষনী মতবাদটির মাধ্যমে মার্টন, বৃহত্তর সমাজে আলো ফেলতে যথেষ্ট সাহায্য করেছেন। অন্যদিকে বার্নেস বড়শিল্পনির্ভর সমাজে বিজ্ঞানের বিবর্তন বিষয়ে যা বলেছেন, সেটি যথেষ্ট প্রনিধানযোগ্য, দ্য প্রভিশন অব ফুললি ডিফারেন্সিয়েটেড সায়েন্টিফিক রোলস এজ কেরিয়ার্স, এন্ড প্রোলঙ্গড ফুল টাইম ট্রেনিং অন দেম, দেয়ার আইসোলেশনস এন্ড কন্সেন্ট্রেশন ইন্টু ল্যাবরেটরিজ, এন্ড দেয়ার ফরমাল ডিভিশন ইন্টু ডিসিপ্লিনস এন্ড স্পেশালিটিজ, ওয়্যার অল নাইন্টিন্থ-সেঞ্চুরি ইনোভেশনস, হুচ রিফ্লেক্টেড দ্য জেনারেল ট্রেন্ডস টুওয়ার্ডস প্রফেশনালাইজেশন এন্ড স্পেশালাইজেশনস, ক্যারেক্টারিস্টিক অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল সোসাইটি এজ আ হোল৩৫।

পশ্চিমে চিকিৎসাবিদ্যার বিকাশ আসলে বানেসের ধারনার বিজ্ঞানের সঙ্গে মিলে যায়।

চিকিৎসাবিদ্যা অন্যান্য শাস্ত্রের মত, সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে, গবেষণালব্ধ আবিষ্কার এবং নতুন গবেষণার পদ্ধতি আত্তীকৃত করেছে। এটা ঠিক যে খ্রীপূ ষষ্ঠ শতক পর্যন্ত ভারতীয় চিকিৎসাবিদ্যা ধর্মীয়তার আঙ্গিকেই আবদ্ধ ছিল এবং অসুখ ও তার নিদানকে অতিন্দ্রীয়র হাতে সঁপে দিয়েছিল। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে আমরা বিজ্ঞান এবং ধর্মের মধ্যে লক্ষ্মণরেখা টানতে পারি। ধর্মীয় চিকিতসার সঙ্গে জড়িত প্রথাগুলি অনেক বেশি জাগতিক এবং গবেষণামূলক উৎস নির্দেশ করে। তাই চিকিৎসাবিদ্যাকে বলা হল আয়ুর্বেদ, যা লিপিবদ্ধ হওয়ার অনেক আগে থেকেই বর্তমান ছিল। য়লি ভারতীয় চিকিৎসাবিদ্যার প্রাচীনত্ব সম্পর্কে বলছেন, এটি ভারতীয় বিজ্ঞানগুলির মধ্যে প্রাচীনতম এবং প্রমান করে দেওয়া যায় এই বিজ্ঞানেই প্রথম ভারতীয়রা বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছিল৩৬।

(চলবে)
 
(চলবে)

No comments: