Showing posts with label পশ্চিমি প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label পশ্চিমি প্রযুক্তি. Show all posts

Saturday, February 8, 2020

'প্রুফ' ছিল বন্দুকের গুণমান নির্ণয় করার পদ্ধতি

পশ্চিমি সমাজ বহুকাল এবং আজও সামরিক সমাজ। আজ যে প্রযুক্তির বড়াই পশ্চিম করে সে প্রযুক্তি মূলত বড় পুঁজি নির্ভর, সামরিক এবং নজদারির, অসামাজিক-ব্যক্তিনিয়ন্ত্রিত, কর্পোরেট লাভের উদ্দেশ্যে তৈরি।
সামগ্রিক ব্রিটিশ ঔপনিবেশভিত্তিক সামরিক-শিল্পায়ন প্রযুক্তি অন্যান্য অসামরিক শিল্পকে প্রভাবিত করেছিল। 'প্রুফ'(আজকের লব্জে বই টাইপ হয়ে যাওয়ার পর ভুল নির্ণয়) ছিল বন্দুক তৈরি হওয়ার পর সেটির গুণমান নিশ্চয় করার পদ্ধতি।
সেটাকে আত্মীকরণ করল আপাত-অসামরিক একটি শিল্প ছাপাখানা। আমরা আজকে যে 'প্রুফ' দেখি, তার কুড়টা যে নিহিত রয়েছে নিশ্চিতভাবে উপনিবেশ তৈরি করার শিল্পায়ন প্রক্রিয়ায়। উপনিবেশ আর জাতিরাষ্ট্র তৈরিতে এই সামরিক কেন্দ্রিভূত জ্ঞানচর্চা সাম্রাজ্য তৈরির কাজে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছে সেটা আমরা ভুলে যাই।
সূত্র - প্রিয়া সাটিয়া, এম্পায়ার অব গানস

Thursday, October 5, 2017

খুনি লুঠেরা পশ্চিমি প্রযুক্তি - মূলত লুঠ আর খুনের জন্য - সামরিক প্রয়োজনে বড় পুঁজির গর্ভগৃহ গবেষণাগারে তৈরি

আমরা কেন পশ্চিম প্রযুক্তিকে লুঠেরা বলছি সেটা সঙ্গের ছবিতে বোঝা যাচ্ছে না?
দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি হাঁড়ি, কড়া, হাতা, দৈনন্দিনের নানান ব্যবহারের জিনিসগুলি এতই সুচারুভাবে তৈরি যে হাজার হাজার বছর ধরে তার বিন্দুমাত্র পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় নি। সরস্বতী সভ্যতা থেকে ইলেক্ট্রনিক যুগ- তার প্রয়োজনীয়তা, গড়ন পাল্টায় না। কারণ সামাজিক প্রযুক্তি। সারাক্ষণ অভাব তৈরি তাকে বাঁচতে হয় না। অসীম লাভেরও তার প্রয়োজন নেই।
আজ যে সব তথাকথিত উচ্চমানের প্রযুক্তি আমাদের ভদ্রদের জীবনে জুড়ে রয়েছে, বিকাশ ঘটেছে বড়পুঁজির গবেষনার গর্ভগৃহে, সামরিক প্রয়োজনে। জনগণেশের করের টাকায় সামরিক অভিযান মিটলেই প্রযুক্তির দাম উঠে যায়।
কিন্তু তাতে তো বড় পুঁজির খাঁই মেটে না - সে ক্রমাগত লুঠ খুন করে সম্পদ বাড়িয়ে চলে। একে সে নাম দেয় সম্পদ তৈরি করা। এবারে সেটা সে তুলে দিল প্রযুক্তি সওদাগরেদের হাতে। তারা সেটিকে জনগণের হাতে দিয়ে নিংড়ে নিংড়ে পয়সা উসুল করে। লাভের একাংশ গিয়ে হয় ৬% ভদ্রের ক্ষুদ্রতম অংশের। আর সব ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মত লাফিয়ে চলে।
এই যে ফুটবল খেলার জন্য সল্টলেকে বস্তি, হকার উচ্ছেদ হল, এর জন্য দায়ি বড়পুঁজির লুঠেরা চরিত্র। বিপুল বড় ব্যবস্থা না করলে তার পুঁজি নিবেশিত হবে কোথায়? বিপুল বড় খেলার মাধ্যমেই সে তার প্রযুক্তির ঝলক দেখায় ভদ্রদের।
আর উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।
আমরা তাই ফিরে যেতে চাই ১৭৫৭র আগের ব্যবস্থায়।
(ছবিটা পেলাম চিন্তাবিদ-বন্ধু Sourav Royএর সৌজন্যে)