Showing posts with label প্রযুক্তি পূর্বের. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি পূর্বের. Show all posts

Friday, May 25, 2018

দার্শনিকভাবে পূর্বের প্রযুক্তি বিষয়ে কয়েক স্তবকে আমাদের ভাবনা

প্রযুক্তি ভাবনা
মাননীয়রা যদি কেউ মনে করেন এই আলোচনায় আসবেন(না আসাই স্বাভাবিক) প্রাথমিকভাবে এই দার্শনিক বিষয়টা মাথায় রেখে আলোচনা করবেন।
উৎপাদনগতভাবে, দার্শনিকগতভাবে পশ্চিমি যুদ্ধবিদ্যা সংক্রান্ত বড় পুঁজির প্রযুক্তি(আদতে বিজ্ঞান নয়), আর পূর্বের চিন-ভারত-আরব-পারসিক জ্ঞানচর্চা। দুটো দু মেরুর।
গ্যালিলিও, লিওনার্দোদাভিঞ্চি সক্কলে ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী সামরিক প্রযুক্তি বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। লুঠেরা ঔপনিবেশিক প্রচারে আমরা এদের মাথায় তুলে রাখি। গ্যালিলিওকে নিয়ে ব্যাপক মধ্যবিত্ত আহ্লাদি করেছে - ঘোমটা পরে সাম্রাজ্যের স্বার্থে।
পাগান জ্ঞান ধ্বংস করে যে নবজাগরনীয় খুনি, মানুশজকে লোঠ, দাস বানানো পশ্চিমি শিল্প পুঁজির প্রযুক্তি মূলতঃ পেটেন্ট -মেধা সংরক্ষণ ভিত্তিক। এই প্রযুক্তি মানুষ খুন লুঠ আর সাম্রাজ্য স্থাপনের জন্য তৈরি হয়। এই প্রযুক্তিকে কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে কিছু মানুষ বিশ্ব সম্পদ লুঠের আর সাম্রাজ্য স্থাপনের জন্য। এই প্রযুক্তি বিকাশ করার জন্য বিপুল বিনিয়োগের গবেষণাগার লাগে, বিপুল ব্যবস্থা তৈরি করতে হয়। সাম্রাজ্যের কাজে মাথা মোড়ানো বৈজ্ঞানিক, বলা ভাল প্রযুক্তিবিদ প্রয়োজন হয়। লুঠেরা সাম্রাজ্য বা সাম্রাজ্যের স্তম্ভ কর্পোরেটদের বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। যন্ত্র কাজে লাগাতে প্রচুর অপচয়ী বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। প্রচুর উদ্বৃত্ত তৈরি হয়। বিক্রি করতে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়। সেই বিপুল উদ্বৃত্ত বিপুল বর্জ্য তৈরি করে। সেই বিপুল বর্জ্য, দূষণ, লোভ বিশ্বকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে নিয়ে যায়।
পূর্বের প্রযুক্তি সামাজিক, উতপাদক বা সমাজের নিয়ন্ত্রণে থাকে। স্থানীয় প্রয়োজনে বিকশিত হয়। কোন আন্তর্জাতিক মডেল নেই - বিপুল বৈচিত্র। প্রযুক্তির ব্যবহার সার্বজনীন - পুঁজি প্রয়োজন হয় না - হলেও নগণ্য। কারিগরেরাই প্রযুক্তির মালিক। এই প্রযুক্তি হাজারো বিতরক হাজারো উৎপাদক স্থানীয় কাঁচামাল আর জ্ঞান নির্ভর করে চাহিদামত পণ্য উতপাদন করে।
পূর্বের প্রযুক্তি প্রয়োগে বিশ্ব হাজার হাজার বছর বেঁচে এসেছে। আজ আড়াই শত বছরের শিল্পবিপ্লবীয় প্রযুক্তি বিশ্বকে ধ্বংস আর মানুষকে দাস বানিয়ে ফেলছে।
দুটিকে আলাদা আলাদা প্রেক্ষিতে দেখা দরকার।