Tuesday, June 21, 2016

দ্য মুঘল এডমিনিস্ট্রেশন - যদুনাথ সরকার

একাদশ অধ্যায়

(জে সরকারের মন্তব্য – ওপরের অংশগুলির সঠিকভাবে বোঝার জন্য আবু য়ুসুফের কিতাবউলখেরাজ আমাদের প্রাচীন খলিফাদের সময়ের নীতি আর আইন সম্বন্ধে পরিচিত করায়ঃ-

‘জায়গিরের কিতাই অনুসারে যেগুলি স্বাভাবিকভাবে সেচ সেবিত জমি তারা একের দশমাংশ রাজস্ব দেবে, যারা বালতি বা চামড়ার পাত্রে করে, বা কুঁয়ো থেকে জমিতে জল দেয়, তারা একের কুড়ি অংশের বেশি দেবে না কারণ তাদের সেচ দিতে খরচ হয়(এম ফ্যাগন্যানের ফরাসি অনুবাদ)’।

‘যে সব মুশরিক বা বহুত্ববাদী মানুষের সঙ্গে ইসলামের চুক্তি হয়েছে যে তারা ইসলামের কর্তৃত্ব মানবে, এবং ইসলামের তত্ত্ব অনুসারে জমিভাগ মেনে নেবে, এবং খেরাজ (রাজস্ব)দেবে...যে সব জমিতে বল প্রয়োগ করে ইমাম(=খালিফ) মালিক হয়েছে...সেগুলি মুসলমানেদের মধ্যে বেঁটে দেবে।, যারা এই জমিটা বিজয় করেছে, এই জমিগুলি তিথে(একদশমাংশ রাজস্ব) হিসেবে চিহ্নিত হবে’

‘বিজিত দেশি ঘোড়াহীন চাষহীন, জনশূন্য জমি যেগুলি কারের অধীনে নয়, যেগুলির নাম ‘মৃত জমি’...আবু হানিফা বলছেন, ‘যে এক জমিতে জীবনসঞ্চার করছে(=চাষ করছে), সেই মৃত জমির মালিক সে হবে, যদি ইমাম(=খালিফ) অনুমতি দেন...সে যদি ইমামের অনুমতি ছাড়া জমিটা চাষ করে, সে নিজের ইচ্ছে মত, এবং জমিটা বন্ধক এবং যামনে করে করতে পারে’

‘যে মৃত জমিকে পুনরুদ্ধার করে,...তার মালিক বনে যায়...সে অঞ্চল অনুযায়ী হয় তিথে বা খেরাজ রাজস্ব দেয়’

‘যেসব অরাবি বসবাসকারীদের জমি ইমাম দখল করে জয়ীদের হাতে ছেড়ে গিয়েছে, সেগুলি খেরাজ জমি; কিন্তু যদি সেগুলি মুসলমান বিজেতাদের হাতে ছেড়ে যায় সেগুলির রাজস্ব হবে তিথে জমির মত’)
(চলবে)
Post a Comment