Showing posts with label অলকা চট্টোপাধ্যায়. Show all posts
Showing posts with label অলকা চট্টোপাধ্যায়. Show all posts

Monday, March 25, 2019

বখতিয়ার, নালন্দা ধ্বংস আর ছদ্ম-ইসলামবিদ্বেষ

এর আগে বিশদে বখতিয়ারের হাতে নালন্দা ধ্বংস হওয়ায় কেন সে নতুন করে উঠে দাঁড়াল না, সেটা নিয়ে লিখে জামাতি আখ্যা জুটেছিল। তবুও বলব যারা মনে করেন বখতিয়ার খলজি নালন্দার মৃত্যুর জন্যে দায়ি, তারা হয় নবজাগরিত মুক্তবাজার অনুগামী বাম-মধ্য রাজনৈতিক চেতনাধারী ইসলামবিদ্বেষী না হয় না জেনে সঙ্ঘি ইতিহাসের অনুগামী। 
এ বিষয়ে ঘোরতর বাম দেবী-অলকা চট্টোর ৮৪ সিদ্ধ বিষয়ক বই দেখুন কেন কৌবর্ত যুদ্ধ উত্তর সময়ে নালন্দা বিশাল আকার ধারণ করে এলিটিস্ট হয়ে ওঠে এবং সিদ্ধরা কেন বৌদ্ধ নয়। নালন্দা ইত্যাদি শিক্ষা কেন্দ্র এলিটিস্ট ছিল অন্তত একটা মানে, দরজাতেই এন্ট্রান্স পরীক্ষা নিত, ঠিক যেমন করে আজ নানান ধর্মের মিশন নামধারী শিক্ষা কেন্দ্র ভর্তি পরীক্ষা নেই।
বিশাল কলেবরের নালন্দা টেকেনা রাজ-শ্রেষ্ঠী সমর্থন ছাড়া, কিন্তু আজও বাংলার কেমন করে বৈষ্ণব পাট, আসামে বৈষ্ণব সত্র, মাজার ইত্যাদি জনগণের অর্থে শয়ে শয়ে বছর টিকে থাকে - এই তত্ত্ব না বুঝলে ইসলামবিদ্বেষীভাবেই একমাত্র ধ্বংসকারী বখতিয়ারকে দায়ি করতে হয়।
তুর্কিদের আক্রমন সাম্রাজ্যবাদী ছিল এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই - কিন্তু এটা এই লেখার মুল আলোচ্য নয়।
---
১/
সোজা কথা সোজাভাবে বলা দরকার। এতদিন বৌদ্ধপন্থ নিয়ে প্রচুর রোমান্টিসিজম হয়েছে পশ্চিমিদের কল্যানে এবং স্থায়ী বঙ্গভাগের পর ভারতীয় শাসকদের অত্যাচারী চরিত্র ধুয়ে মুছে সাফ করতে - উচ্ছেদকারী নেহরুকে 'সাম্যবাদী' অশোক হিসেবে উপস্থিত করতে। এর পেছনে বামেদের একটা বড় অবদান ছিল।
বৌদ্ধপন্থ খুবই ভাল। কিন্তু মনে রাখা দরকার ব্যপকভাবে তারা ১৮০০-১৯০০ বছর ধরে রাজ/শ্রেষ্ঠী পোষিত।বৌদ্ধ রাজারা যখন সরে গেলেন, বৌদ্ধ শ্রেষ্ঠীরা যখন বলহীন, সে সময় বৌদ্ধপন্থ টিকে গ্যাল ঠিকই কিন্তু আগের ধমকচমকের অবস্থা আর থাকল না।
নালন্দা ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। বখতিয়ারের আগেও নালন্দার ওপর আক্রমন হয়েছে, সে উঠে দাঁড়িয়েছে কারণ বিপুল পরিমান সাহায্য আসত রাজাদের থেকে। কিন্তু ১২০০-১৩০০ র পরে যখন উপমহাদেশের গতিপথ পাল্টাতে লাগল তারপরে আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায় নি পূর্বের মহিমায়।
২/
তানসেন সেন জামাতি নন ওনার লেখায় তুর্কি আক্রমনে নালন্দা ধ্বংস হয়েছে এই আপ্তবাক্যটি বার বার এসেছে। তবুও তিনি চিনা তথ্য তুলে জানাচ্ছেন যে তুর্কি আক্রমনের পরেও নালন্দায় পাঠদান হয়েছে, মগধের শ্রেষ্ঠী এবং মুসলমান রাজত্বের বন্ধু রাজারা দানও করেছেন নালন্দায়।
কিন্তু এই প্রশ্নটার কেন কোন উত্তর নেই তানসেন সেন এবং আপনাদের কাছে, নালন্দা এর আগে বহুবার আক্রান্ত হয়ে বেঁচে উঠেছে। কিন্তু ১৩০০র পরে আর এদের বেঁচে ওঠার কোন নিদর্শন পাওয়া যাচ্ছে না কেন? উত্তর আসবে অপ্রতিরোধ্য তুর্কিদের জন্যে। তুর্কিরা যদি এতই শক্তিশালী হবে তাহলে সেনেদের রাজত্ব আরও প্রায় ১০০ বছর বাংলায় বেঁচে রইল কি করে?
আমার প্রামান্য হল বুদ্ধপন্থর সঙ্গে তান্ত্রিক বাংলার আম-জনগণের ধর্মাচরণের কোন সম্বন্ধ ছিল না, ঠিক যেমন একটা রাজ পোষিত ধর্মের অবস্থা হয় এরও একই অবস্থা হয়েছিল রাজারা এই ধর্ম ফান্ডিং বন্ধ করে দেওয়ার পরে ঠিক যেমন করে বৈষ্ণব পাট, আসামে বৈষ্ণব সত্র, মাজার ইত্যাদি জনগণের অর্থে শয়ে শয়ে বছর টিকে থাকে। যদি জনগনের সমর্থন থাকত তাহলে বিহারগুলি বেঁচে উঠত কোন না কোন ভাবেই। আদতে বিহারগুলি এত বড় ছিল তা চালানোর জন্যে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ জরুরি ছিল।
৩/
চিন-ভারত ঐতিহাইক যোগ বিষয়ে গবেষণা করা তানসেন সেন যদিও বুদ্ধিজম ডিপ্লোম্যাসি এন্ড ট্রেডএর ১০৭ পাতায় বলছেন ইসলামের আক্রমনে নালন্দা ধ্বংস হল। একটা স্তবক বাদ দিয়ে নিচে উল্লিখিত স্তবকে তিনিই বলছেন, তিব্বতি ধর্মাঙ্কুর ধর্মস্বামী (১১৮৪-১২৬৪), রাহুলশ্রীভদ্রের অধীনে নালন্দায় পড়াশোনা করছিলেন, ১২৩৫ সালে পূর্ব ভারতে বৌদ্ধ ধর্মের পতনম্নুখ অবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন। এতে প্রমান হয় নালন্দার পড়াশোনার ঐতিহ্য এক্কেবারে ধ্বংস হয় নি। চৌদ্দশতের একটি কোরিয় লেখতে পাচ্ছি দীনবতী বা ধ্যানভদ্রকে উল্লেখকরে বলছে ভিক্ষু শূন্যদিশ্যকে ১২৫৪ সালে মোঙ্গল রাজধানী বেইজিং যাবার জন্যে শিক্ষিত এবং তৈরি করা হচ্ছিল নালন্দায়। তানসেন আরও বলছেন, মগধের ধনবান শ্রেষ্ঠীদের এবং মুসলমান রাজার বন্ধু রাজা বুদ্ধসেনএর থেকেও আর্থিক সাহায্য পেত।
The teaching of Buddhist doctrines at Nalanda, in fact, lingered on even after the invasion of Islamic forces in the twelfth century. The Tibetan monk DharmaSvamin (Chag Chosrjedpal, 1194-1264) , for example, points out the declining state of the monastic institution in 1235. However, he was still able to spend several months studying Buddhist philosophy under the monk Rahulasribhadra at the Monastery. Moreover, according to a Korean inscription dedicated to the fourteenth-century Indian monk Tinabotuo (Dinavati; also known as Chanxian [Dhyanabhadra?] and Zhikong [Sunyadisya?] ), the Indian master was trained and ordained at Nalanda before he traveled to Beijing, the Mongol capital, in 1254. Nalanda seems to have continued to receive support in the thirteenth century from wealthy merchants and the Magadhan king Buddhasena, who had forged an alliance with the local Muslim rulers
---
বিদ্বেষ কত গভীরে গেলে এই সাধারণ বিষয়টুকু প্রমানের জন্যে জামাতি অভিযোগ শুনতে হয়।
Kamal Shah এই ছবিটা দিলেন। তাঁকে ধন্যবাদ।

Saturday, September 2, 2017

চুরাশি সিদ্ধর কাহিনী সরহ'র গান বা দোঁহা

রাহুল সংকৃত্যায়ন বলছেন সরহ মতাদর্শগতভাবে বিপ্লবী। তাঁর গানে সব রকম ধর্মবিশ্বাসের বিরুদ্ধে তীব্র শ্লেষই তার চরম প্রমান।

সরহর গান বা দোঁহা

হতভাগারা যোগীদের নিয়ে পরিহাস করে;
বলে ওরা বিষাক্ত সাপের মত,
দেখামাত্র ভয়ে পালাও।

ব্রাহ্মণেরা আসলে কিন্তু ভেড়ুয়া(অজ্ঞ, বোকা),
ওরা অর্থহীন চতুর্বেদ আওড়ায়।

মাটি, জল আর কুশ নিয়ে ওরা
বিড়বিড় করে মন্ত্র পড়ে।
ঘরে বসে হোম করার নামে
কাঠ পুড়িয়ে সেই ধোঁয়ায়
শুধু জ্বালা ধরায় নিজের চোখে।

রকমারি কাঠের ডাণদা ধরে
ওরা একদণ্ডী, ত্রিদণ্ডীর আজব বেশে
জ্ঞানীর ভাণ করে -
যেন তারা পরমহংস।
অথচ ধর্ম ও অধর্মের তফাত
কোনটাই তারা জানে না।
মিথ্যা কথা বলে শুধু
মানুষকে ঠকায়।

ঈশ্বরবাদী যারা তারা গায়ে ছাই মাখে,
মাথায় জতা বাঁধে, ঘরের কোণে বসে
প্রদীপ জ্বালায় আর
ঘণ্টা বাজায়।

জোড়াসনে বসে তারা চোখ বুঁজে
রণ্ডিমুণ্ডি আর রকমারি বেশের লোকেদের
ফুসফুস করে কানে মন্ত্র পড়ে।
গুরুদক্ষিণা -
এইভাবেই ঠকায় লোক।

ক্ষণপকদের(জৈন?) লম্বা লম্বা নখ
নোংরা শরীরে দুর্গন্ধ,
বিবিস্ত্র, আর চুলে জট,
ভাণ করে আত্মমুক্তির আর
লোক ঠকায় ভুল পথের নির্দেশ দিয়ে।

নগ্ন থাকলেই যদি মুক্তি পাওয়া যায়
তাহলে শেয়াল কুকুররাইবা
তা পাবে না কেন?
লোম উৎপাটনেই মোক্ষ হয়
তাহলে যুবতীর নগ্ন নিতম্বই বা
বাদ যাবে কেন?

পুচ্ছ ধারণ(জৈনদের চামর দোলানো) করল্রি যদি
মোক্ষ হয়
ময়ূর ও চামরী গাভীর বা
মুক্তি নয় কেন?

উচ্ছিষ্ট(দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেলে?)
যদি মুক্তি হয়
তাহলে মুক্তি পাবে না কেন
হাতি ঘোড়ারা?
সরহ বলে, ক্ষপণকদের মোক্ষ
আমার ধারণার আগম্যসত্যকে জনে না তারা
আর সেই অজ্ঞতাতেই
নিপীড়ন করে দেহকে।

স্থবিরের উপদেশে প্রবজ্যাগ্রহণকেই
সর্বোত্তম বলে প্রচার করে
শ্রমণ আর ভিক্ষুরা;
সূত্রপাঠ করে, এদের
কেউ কেউ বা সাস্ত্র বচনে
শুধু উত্যক্ত করে নিজের মন।

অন্যরা মহাযানের রথে দৌড়য়
আর বলে
তাদের শাস্ত্রই শ্রেষ্ঠ।
কেউ বা ধ্যান করে মণ্ডলচক্রের
চতুঃ-তত্ত্বের ব্যাখ্যা করে অন্যরা।

সূত্রঃ চুরাশি সিদ্ধর কাহিনী, অলকা চট্টোপাধ্যায়

চুরাশি সিদ্ধর কাহিনী - বাংলার নিজস্ব অবৌদ্ধ দার্শনিক - মাতৃতন্ত্রের জঠর

সিদ্ধদের অনেকের নাম বৃত্তি বা পেশাগত - তন্তিপা, চমরিপা, তেলিপা, কুমোরিপা, ধোবিপা, কংপারিপা(কাঁসারি), মেদিনীপা(চাষী) ইত্যাদি।
বা তাদের চরিত্র থেকেও তাদের নাম হয়েছে লুইপা(মাছের পোঁটা খেতে ভালবাসতেন, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বেনের মেয়ে উপন্যাসে রূপা বাগদীর গুরু), থকণপা(ঠক ছিলেন বা মিথ্যা বলতেন), শালিপা(নেকড়ের ডাকে ভয় পেতেন), অজোকো(অযোগ্য), নগুণি(যার কোন গুণ নেই), কুক্কুরীপা(কুকুর প্রেমী), দিঙ্কপা(ঢেঁকিতে ধান কুটতেন), দারিকপা(বেশ্যার দ্বাররক্ষক) ইত্যাদি। এগুলো ব্যক্তিগত নাম কি না জানা যায় না।
এরা কেউ রাজ অনুগৃহীত বৌদ্ধ পন্থে যান নি। আগে বলেছি নিজেরা পেশাজীবি ছিলেন। কেউই প্রবজ্যা নেন নি - গোরক্ষপা - রাখাল, তন্তিপা - তাঁতি, শবরিপা - ব্যাধ, মীনপা - জেলে, চমরিপা আর পনহপা - চামার, খড়াপা - চোর, নারোপা - শূঁড়ি, ছত্রপা - ভিক্ষুক, ভন্ধোপা - চিত্রকর, অচিন্ত্যপা - কাঠুরে, মেকোপা - মুদি, কোটলিপা বা কোদালিপা - কোদাল দিয়ে মাটি কোপানো, যোগিপা - চণ্ডাল, গোরুরপা - ব্যাধ বা পাখমারা, পচরিপা - পিঠে বিক্রেতা, কিন্তলিপা - দর্জি, সরহপা - শর তৈরি করেন।
অধিকাংশই শূদ্র। বিরূপাই সাঙ্ঘারামে থাকতেন। মদ্য, মাংস খাওয়ার অভিযোগে তাকে তাড়ানো হয়। দিংকপা ছিলেন ব্রাহ্মণ পুত্র - কিন্তু সিদ্ধ হতে গিয়ে তাঁকে মদ বিক্রি করতে হয়েছে, ধান কুটতে হয়েছে। ব্রাহ্মণত্বের অহঙ্কার চূর্ণ করার জন্য এই 'হীন' কাজ করা জরুরি। রাজা ইন্দ্রপাল সিদ্ধ হওয়ার জন্য বেশ্যার দাস হয়েছেন - তার পরে তার নাম হল দারিকপা - বা দারোয়ান।
সিদ্ধদের গুরু
এরা দীক্ষা নিয়েছেন ডাকিনী বা যোগীদের থেকে। ওড্ডিয়ান রাজা ইন্দ্রভূতি আর তার বোন লক্ষ্মীঙ্করা। আচার্য পদ্মসম্ভব ইন্দ্রভূতির পুত্র। তিব্বতরাজ ঠি-স্রোং-দে-চান(৭৫৫-৭৯৭খ্রি)এর নেমন্তন্নে শান্তরক্ষিত এবং কমলশীলের সময়ে পদ্মসম্ভব তিব্বতে যান, সঙ্গে পত্নী মন্দরবাও।
ইন্দ্রভূতি আর লক্ষ্মীঙ্করার গুরু ছিলেন কম্বলপা। সিদ্ধ অচিন্ত্যপার গুরুও ইনি। অচিন্ত্যপার তিন শিষ্য গোরক্ষপা, সমুদপা, চৌরঙ্গপা। কিন্তু এই কম্বলপাকে দীক্ষা দিয়েছিলেন কে? তিনি ডাকিনী - তাঁর নিজের মা - রাজরানী নামেই খ্যাত - কিন্তু সেটি তার আবরণ। প্রাসাদের বাইরে ডাকিনীচর্যাই ছিল সাধনা। পুত্রকে রাজকাজে বিমুখ করে নিয়ে যান সাধনার পথে।
তন্তিপা ও কাহ্নপার গুরু জলন্ধরিপা। তার দীক্ষাও ডাকিনীর কাছে। কুক্কুরীপা দীক্ষাও ডাকিনীর সঙ্গে। মণিভদ্রা ছিলেন কুক্কুরীপার শিষ্যা। দিংকপা ও দারিকপার গুরু লুইপা - তার দীক্ষাও ডাকিনীর কাছে। ভিক্ষপা, ধর্মপা কন্তলিপাএর শিক্ষা ডাকিনীর কাছে। চুরাশি জনের মধ্যে অন্তত কুড়ি জনের দীক্ষাদাত্রী ডাকিনী।
এই ডাকিনীদের দীক্ষা দেওয়ারে প্রধান শর্ত হল জাতপাতের ধারণা ভোলা, শ্মশানে-মশানে থাকা, ভাল মন্দ খাবারের অভ্যেস ছেড়ে পচা ও বাসি খাবার খাওয়া।
সিদ্ধাদের সময় পাল আমলে নালন্দা, ওদন্তপুরী, বিক্রমশীলা, সোমপুরী ইত্যাদি বিশাল বিশাল বৌদ্ধ ধর্ম কেন্দ্র ছিল। কিন্তু সেই সময়ে সিদ্ধরা শ্মশানে, শুঁড়ি খানায়, পথের ধারে বসে বা নিজেদের জীবিকার স্থানে বসে দর্শনচর্চা করতেন।
এরা বৌদ্ধ ছিলেন না কারণ বৌদ্ধ ধর্মে নারীর সমানাধিকার কখোনোই ছিল না। দীক্ষা দেওয়ার সময় ডাকিনীদের প্রথম কথা ছিল - যে কাজ করছ, তা ছেড়ো না, বরং আরও ভাল করে কর - তারি মধ্যে সত্যের সন্ধান কর।
সূত্রঃ চুরাশি সিদ্ধর কাহিনী, অলকা চট্টোপাধ্যায়