Showing posts with label ভূমধ্যসাগর. Show all posts
Showing posts with label ভূমধ্যসাগর. Show all posts

Tuesday, January 9, 2018

আমার অলেখিকা মা

তাঁর লেখা সম্বন্ধে জয়াদিদির মূল্যায়ন-
এই মহিলার লেখা আমাকে এত মুগ্ধ, আপ্লুত করেছে যে সহজ ভাবে বলে ওঠা মুশকিল। আর সবকিছু বাদ দিয়ে এটুকু বলতে পারি- ভূমধ্যসাগরে একটা নতুন লিখনধারা তৈরি করে দিয়েছেন শ্রীমতী বিশ্বেশ্বরী পঞ্চাধ্যায়ী। তাঁর লেখা চলতে চলতে ছয় বছর পর একটি তরুণী সম্পাদককে বলে ,'জানেন, আমারও মনে পড়ে নিজের ছোটবেলার কথা। আমাদের ভারি সুন্দর গ্রাম ছিল। ইসকুল, রাস্তা, মহুয়া গাছের জঙ্গল পুকুর। সব ওই কোলিয়ারির খাদের মাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আমাদের সেই হাঁসডিহা গ্রামটা না পৃথিবীতে আর কোথাও নেই'। বিশ্বেশ্বরীর উত্তরকন্যা লিখলেন 'গ্রামের নাম হাঁসডিহা'।
আজ একবছর ধরে এই সামান্য পত্রিকার পাতায় যেন আত্মকথনের, স্মৃতিচারণের এক উৎসব চলেছে। কত ধরণের মানুষ কত রকমের স্মৃতি খুঁজে আনছেন। মেলে ধরছেন। আর তৈরি হয়ে উঠছে একটি অঞ্চলের সামাজিক ইতিহাসের এক অন্তরঙ্গ বুনন।
এই বুননের গোড়ার বাঁধন ধরে দিয়েছেন বিশ্বেশ্বরী তাঁর অকল্পনীয় লেখনী দিয়ে। আত্মকরুণার লেশ বর্জিত একটি কঠিন জীবন যে কী স্বচ্ছ সরল ভাষায় বিবৃত করা যায়, তাঁর ঘরের কথা তার একটা উদাহরন। আমার ধারণা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আত্মজিবনীগুলোর মধ্যে গণ্য হবার গুণ আছে এই লেখাটির মধ্যে।

ভূমধ্যসাগর সম্মান পেলেন বিশ্বেশ্বরী পঞ্চাধ্যায়ী

গত বছর আমার মা বিশ্বেশ্বরী পঞ্চাধ্যায়ীকে সম্বর্ধনা দিল জয়া মিত্র সম্পাদিত পত্রিকা ভূমধ্যসাগর। জয়াদি থাকেন আসানসোলে। তাই আমার ভূমধ্যসাগর আসানসোলেই।
সেই পত্রিকায় ২০০৮ সাল থেকে আমার মা লিখছেন আত্মজীবনী 'ঘরের কথা'। না আমার মা বিন্দুমাত্র বিখ্যাত মহিয়সী নারী নন। লেখক তো এক্কেবারেই নন। সারা জীবন ছাত্র-ছাত্রী ঠেঙিয়েছেন আর মেদিনীপুরের ঘাড়কেঁদোদের মত করে একবগগাভাবে সংসার সামলেছেন, রাজনীতি করেছেন, জেল খেটেছেন। কিন্তু তার ছোট্ট শরীর দিয়ে আগলে রেখেছেন আমাদের, আজও।
জয়াদির আগ্রহে শুরু করলেন তাঁর জীবন লেখা কিন্তু কিন্তু করে, কিন্তু ব্যতিক্রমীভাবে তাঁর মায়ের জীবন দিয়ে। দেখতে দেখতে প্রায় ১০ বছর ধরে ভূমধ্যসাগরে একটু একটু করে লিখে চলেছেন আমার অ-লেখিকা মা।
জয়াদির ভাষায় বিশ্বের আত্মজীবনী সাহিত্য যত লেখা হয়েছে, সেরাগুলির মধ্যে থাকবে এটি। হয়ত একজন সম্পাদকই একজন অলেখকের মনের মধ্যে থেকে টেনে বের করে আনতে পারেন তাঁর সাহিত্যিক সত্ত্বা।
জয়াদির প্রকাশনী লোকনদী থেকে এই বইটা প্রকাশ করার ঘোষণাও তিনি করে দিয়েছেন, তাঁর বিজ্ঞাপন আর সঙ্গে মায়ের লেখার পাতা আর ভূমধ্যসাগরের প্রথম পাতা।
এই ফেবু লেখায় সাধারণত ব্যক্তিগত কোন তথ্য দেওয়ার থেকে বিরত থাকি। ক্ষমা করবেন।

জয়াদিদির উত্তর
বিশ্বেন্দুর এই লেখাটার কাছে আমি কী যে কৃতজ্ঞ ! আমি নিজে নিজের পত্রিকার লেখা নিয়ে হয়ত এত গুছিয়ে লিখতে পারতাম না। তাছাড়া এই মহিলার লেখা আমাকে এত মুগ্ধ, আপ্লুত করেছে যে সহজ ভাবে বলে ওঠা মুশকিল। আর সবকিছু বাদ দিয়ে এটুকু বলতে পারি- ভূমধ্যসাগরে একটা নতুন লিখনধারা তৈরি করে দিয়েছেন শ্রীমতী বিশ্বেশ্বরী পঞ্চাধ্যায়ী। তাঁর লেখা চলতে চলতে ছয় বছর পর একটি তরুণী সম্পাদককে বলে ,'জানেন, আমারও মনে পড়ে নিজের ছোটবেলার কথা। আমাদের ভারি সুন্দর গ্রাম ছিল। ইসকুল, রাস্তা, মহুয়া গাছের জঙ্গল পুকুর। সব ওই কোলিয়ারির খাদের মাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে। আমাদের সেই হাঁসডিহা গ্রামটা না পৃথিবীতে আর কোথাও নেই'। বিশ্বেশ্বরীর উত্তরকন্যা লিখলেন 'গ্রামের নাম হাঁসডিহা'। আজ একবছর ধরে এই সামান্য পত্রিকার পাতায় যেন আত্মকথনের, স্মৃতিচারণের এক উৎসব চলেছে। কত ধরণের মানুষ কত রকমের স্মৃতি খুঁজে আনছেন। মেলে ধরছেন। আর তৈরি হয়ে উঠছে একটি অঞ্চলের সামাজিক ইতিহাসের এক অন্তরঙ্গ বুনন। এই বুননের গোড়ার বাঁধন ধরে দিয়েছেন বিশ্বেশ্বরী তাঁর অকল্পনীয় লেখনী দিয়ে। আত্মকরুণার লেশ বর্জিত একটি কঠিন জীবন যে কী স্বচ্ছ সরল ভাষায় বিবৃত করা যায়, তাঁর ঘরের কথা তার একটা উদাহরন। আমার ধারণা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আত্মজিবনীগুলোর মধ্যে গণ্য হবার গুণ আছে এই লেখাটির মধ্যে।











Saturday, September 28, 2013

ভূমধ্যসাগরের নতুন উদ্যম লোকনদী, A new initiative LOKNODI of Little Mag VUMODHYOSAGOR

জয়াদি, একটি প্রকাশনা সংস্থার পরিকল্পনা করছেন বেশ কয়েক মাস ধরে। 
কলাবতী মুদ্রার প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে নিজের নামে। আমরা বেশ কয়েকটি বইও প্রকাশ করেছি।
তো জয়াদি একটি লেখা পাঠিয়েছেন তাঁর বিশদ বিবরণ লিখে। 
সেটি পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া গেল।

কলাবতী মুদ্রার পক্ষে,
বিশ্বেন্দু




আজ থেকে আঠেরো বছর আগে ভূমধ্যসাগর নামে একটি ছোট পত্রিকা আত্মপ্রকাশ করেছিল। ‘যে সব লেখা অন্যদের পড়াতে ইচ্ছে করে’, সে রকম লেখা ছাপা হবে এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। বন্ধুদের ধরে থাকা হাতের আশ্রয়ে ভূমধ্যসাগার আজও চলছে। 

সাধ আরও একটু বেড়েছে। এবারে উদ্যোগ একটি ছোট প্রকাশনার। তাঁর নাম দেওয়া গেল লোকনদী। এরও জন্মভাবনায় আছে পছন্দ মত বই, সুন্দর করে সাজিয়ে প্রিয় পাঠকদের হাতে দেওয়ার আকাঙ্খা। এবারও বন্ধুদের বাড়িয়ে দেওয়া হাতই আমার ভরসা। বড় পুঁজির বড় বাজারের বাইরে, পারস্পরিক বিশ্বাস এর ভালবাসার ওপর বিশ্বাস রেখেই সৌন্দর্যে যাওয়া যায়, এই কথাটা আমরা আরেকবার তুলে ধরার চেষ্টা করি।

প্রথম প্রকাশিত হতে যাওয়া তিনটি বইএর জন্য ৩০০ টাকা দিয়ে অগ্রিম গ্রাহক হন। বন্ধুদের বলুন। বই বেরবার সঙ্গে সঙ্গে কৃতজ্ঞতাসহ খবর যাবে। অগ্রিম গ্রাহকেরা পাবেন লেখকদের স্বাক্ষর করা বই।

আসুন, আমরা এক নতুন পারস্পরিকতার সম্পর্ক শুরু করি।
জয়া মিত্র

প্রথম প্রকাশিত বই
প্রশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত প্রবন্ধ – চারপাশে ঘটতে থাকা টুকরো ঘটনাগুলির মধ্যকার সেই আন্তঃসম্পর্ক যা প্রায়ই আমাদের কাছে ধরা দেয় না।

কৃষি পরাশর ও অন্যান্য প্রবন্ধ – দ্বাদশ শতাব্দীতে রচিত পুর্ব-ভারতের অসামান্য কৃষি শাস্ত্র। মূল সংস্কৃত ও বাংলা অনুবাদসহ, বাংলার কৃষি ভাবনা সম্পর্কে প্রাচীন ও নবীন কিছু ভাবনা সম্পুট। সম্পাদনা জয়া মিত্র।

ভোঁ দিল ঐ জাহাজ ঘাটে – ছবিভরা ছড়া, শৈবাল দত্ত

আরও কিছু জানার থাকলে যোগাযোগ করুন -
জয়া মিত্র, ০৯৮৭৪৩৭৩৬৭৬, ০৯৪৭৫৭৩২০১৩, joyamitra@gmail.com

এই নামে ড্রাফ্‌ট পাঠান/মনি ট্রান্সফার করুন,
VUMODHYASAGAR

CANARA BANK
A/C - 0151101013365
IFSC - CNRB 0000151

Tuesday, July 2, 2013

তবু সে যে কবার কথা, আপন বেগে আপনি মরি৭ - অন্যান্যদের প্রভাব - Those Influenced

জয়াবন্দনার সঙ্গে যাঁদের কথা না বললে অমিত অপরাধ হবে, তাঁদের মধ্যে স্মরণ করি, প্রয়াত রঘুনাথ গোস্বামী মশাইকে যাঁর হাত ধরে আমরা পথচলা শুরু করেছিলাম। ১৯৯৪ থেকে রঘুনাথবাবুর সঙ্গে বাঙলার মুখোশের গবেষণা শুরু করতে না করতেই প্রয়াত হলেন। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ভবানীবৌদি, ভাগনে দিলীপদাও আমাদের অনেকদিন আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। রঘুনাথবাবুই পরিচয় করিয়েদিয়েছিলেন নীলাদ্রি চাকীর সঙ্গে। বিশ্বের নানান প্রান্তের, এমনকী এস্কিমোদেরও জীবন নিয়ে গড়িয়াহাটের বাড়িতে অনেক দূর আলেচনা চলেছিল নীলাদ্রিদার সঙ্গে। তাঁর বাড়িতে নানান দেশের নানান গ্রামীণ কারিগরীর দ্রব্য দেখেছিলাম। বিশ্বের নানান দেশের নানান তুচ্ছসম গ্রামীণ কারিগরীর সঙ্গে তার মাধ্যমেই আমাদের প্রথম আলাপ। একসঙ্গে অনেক কাজ করার কথা হয়েছিল। আমাদের অনেকের অনেক ধারণা বদলে তিনি আবার ফিরে গেলেন কানাডা।
ভারতের মহিলা লোকনাট্যের গবেষক, ধ্রুব দাসএর হাত ধরে দলবেঁধে প্রথম দেখেছিলাম রায়গঞ্জে লোকনাট্য উত্সব। ছিলেন শিশির মজুমদার মশাই যার জন্য আমরা নানান অচেনা অজানা বন্ধুরা এক হতে পেরেছিলাম। আজও বিধান বিশ্বাস সরকারি কর্মেও সময় বার করেন গ্রাম সমাজের কাজে। অঙ্গিরা গোস্বামী আজ বিদেশে, সেখানেও তিনি তাঁর পুরোনো কাজে ব্যাপ্ত। লেখকদের একজন বিশ্বেন্দু, বিধান আর আঙ্গিরা একসময় একমনা ছিলেন – অঙ্গিরার আজ বাঙালির প্রার্থিত দেশ আমেরিকায় বাস। ললিতা ঘোষ আমাদেরই দলের একজনের সহধর্মিনী। জেলেপাড়ায় কলিকাতা কৈবর্ত সমিতিতে সঙ্গ পেযেছি শংকর প্রসাদ দের। তিনি আজও আমাদের গর্ব। কৈবর্ত সমাজের ওপর একটি দিগদর্শণ বই লিখেছেন। সঙ্গ পেয়েছি কাঞ্চন মুখোপাধ্যায়ের। কৈবর্ত সমিতিতে আসতেন একঝাঁক শিক্ষক – জ্ঞাণেশ মুখোপাধ্যায়, পবিত্র সরকার, সুধীর কুমার করণ, সুখবিলাস বর্মা, মহুয়া মুখোপাধ্যায়, দেবযানী চালিহা, পশুপতিপ্রসাদ মাহাত, বটু পাল, খালেদ চৌধুরীসহ আরও অনেক জ্ঞানীগুনী। প্রায় দুতিন বছর সোমেন রায় আমাদের তাঁর ঝাড়গ্রাম বাড়িতে স্থান দিয়েছিলেন অসীম ঔদার্যে। তাঁর সঙ্গে ঘুরে শুধু জঙ্গলমহল নয়, চিনেছি বাঙলার নানান জনপদ, সম্পদ। তাঁরসঙ্গে মতের পার্থক্য ছিল, পথের পার্থক্য হয় নি। অকাতরে অর্থ ব্যয় করেছেন। তাঁর সঙ্গে মিলে তৈরি করেছিলাম ১২ খন্ডের ক্যাসেট ভালবাসার গান প্রতিবাদের গান। উলগুলানের শতবর্ষে। অসীম সাহায্য করেছিলেন তুষার তালুকদারমশাই, সাংবাদিক তাপস গঙ্গোপাধ্যায় মশাই। বন্ধু যতীন আর নারায়ণ মাহাতর বন্ধুত্বময়, তত্বময় আলেচনা আমাদের আজও সঙ্গী। ইন্দ্রজিত চৌধুরীর সঙ্গে বহু আলোচনা হয়েছে। তিনি আমাদের অনেক কিছু জানিয়েছেন। 
বাঙলার তথা ভারতের পথ ব্যবসায়ীদের সঙ্গ করেছি, তাঁদের প্রচলিত ব্যবসার জ্ঞাণের কথা অনেক অজানা কথা জানতে পেরেছি। তাঁদের আন্দোলনের সঙ্গী হয়েছি প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে। অনাদি সাহার অবদান ভোলা যাবে না। এই সমাজকে চেনার সুযোগ করে দিয়েছিলেন শক্তিমান ঘোষ। পারম্পরিক ব্যবসা সম্বন্ধে জানতে তিনি নিজে হাত বাড়িয়ে যে পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন, সে কথা আজও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণকরি। তাঁর হাত না ধরতে পারলে আমাদের পারম্পরিক পরিযায়ী ব্যবসায়ীদের সম্বন্ধে অনেক ভুলধারণা থেকে যেত। এ আন্দোলনে অনেক গুনী ব্যক্তির সাহচর্য পেয়েছি তার মধ্যে সত্যজিত দাশগুপ্ত অন্যতম। তাঁর সঙ্গে আলোচনা আজও হয়। একসময় সুনন্দন রায়চৌধুরী আর সুশান্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে নানান বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা আমাদের নতুন করে ভাবতে সাহায্য করেছে। ছান্দারের উত্পল চক্রবর্তী আর বাঁকুড়ার গৌতম দে ভাবিয়েছেন। আলোচনা করে উপকার পেয়েছি হৈমন্তী চট্টোপাধ্যায় অনুপ মতিলালের সঙ্গেও। এঁরা আমাদের কথা যথেষ্ট মন দিয়ে শুনেছেন, আমরা তাঁদের স্মরণ করছি। 

সবশেষে যাদের সঙ্গ না করলে এই বইটিই লেখা হত না, যাদের কাছে গিয়ে পুরোনো পড়া ভুলে নতুন সব কিছু শিখেছি, সেই গ্রামীণ শিল্পী, মানুষদের কথা যত বলি ততই যেন বেড়ে চলে। ফুলিয়ার হরিপদ বসাক আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন বয়নশিল্প নিয়ে আলোচনায়। তিনি না হলে এপার, ওপার বাঙলার বয়ন শিল্প আর শিল্পীদের হৃদয়নিংড়োনো ব্যথা হয়ত টেরটি পেতাম কিন্তু অন্তরের অন্তঃস্থলে পৌঁছতে পারতাম না। মধুমঙ্গল মালাকারের কথা যত বলাযায় ততকম। আমাদের কয়েকজনের শুধু ঠেকনা নিয়ে, নিজের উদ্যমেই দাঁড় করিয়েছেন বঙ্গীয় পারম্পরিক কারু ও বস্ত্র শিল্পী সংঘ আর বঙ্গীয় পারম্পরিক অভিকর শিল্পী সংঘ। আমরা শিখেছি হরকুমার গুপ্ত, কে কে হাজরা, নারায়ণ রায়, বাজার হেমব্রম, পোস্তবালা, বিমলাবালা, বিজয় মাহাত, বসন্ত মালাকার, ভবানী বিশ্বাস, নেপাল সূত্রধর ও তাঁর পুত্র-নাতিরা, সুবল দাস বৈরাগ্য, প্রয়াত বাউল সুবল দাস, অরুণ ভাস্কর, রবি বিশ্বাস, মণিমালা চিত্রকর, বৃন্দাবন চন্দ, চিত্ত রাণা, মাধাই মহান্ত, মানিক সূত্রধর, শীতল ফৌজদার, ভবানী বিশ্বাস, নারায়ণ পৈত আরও আরও অনেকের থেকে অনেক কিছু। এঁদের অনেককে নিয়ে ভূমধ্যসাগরএ বেশ কয়েকটি লেখা লিখেছি, কিন্তু আরও একটি পুরো বই তৈরি করার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও সুশান্ত মুখোপাধ্যায়, সুজিত নটি মুখেপাধ্যায়, মধুমিতা মুখোপাধ্যায়, সত্যজিত দাশগুপ্ত, বন্দনা মুখেপাধ্যায়, দীপঙ্কর মুখেপাধ্যায়, বিশ্বজিত মহাকুড়, গনেশ সেনগুপ্ত, অনিন্দ্য সরকার, কুণাল দেব, দেবল দেব, বাদল ঘোষ, করুণাপ্রসাদ দে, টুবলু বহ্নিশিখা সেন, অনুরাধা তলোয়ার, স্বপন গঙ্গোপাধ্যায়, মোহন বিশ্বাস, সুতনু ভট্টাচার্য, শুভ্রাংশু ভট্টাচার্য, প্রশান্ত চট্টোপাধ্যায়, শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, সৌম্য আচার্য, সৌমিত্র ভট্টাচার্য, শিবব্রত চট্টোপাধ্যায়, শংকর ঘোষ, সব্যসাচী চক্রবর্তী, প্রসেনজিত সিনহারাও নানান সময়ে নানানভাবে সমাজ বুঝতে সাহায্য করেছেন।