Showing posts with label বড় পুঁজির চরিত্র. Show all posts
Showing posts with label বড় পুঁজির চরিত্র. Show all posts

Monday, June 25, 2018

বড় পুঁজির চরিত্র

বড় পুঁজির সব কিছুই বিপুল বিশাল দেখনদারির চটকদারির হতে হয়। যে গুণমানের লোহা সারা বিশ্বের বিশ্বকর্মারা তার সমাজে কয়েকশ টাকা ব্যয় করে তুড়ি মেরে কয়েকঘন্টায় বানায়, যে মাথার আর চোখের শল্য চিকিৎসা পরম্পরার সমাজ সমাজেই বসে কয়েক মিনিটে করে দেয়, যে বসন্তের টিকা একদা বাংলার বৈদ্যরা অবহেলে দিত ৯৯% একিউরেসিতে, সে জ্ঞান দক্ষতাগুলোকে ধ্বংস করে তার থেকে খারাপ লোহা, তার থেকে খারাপ শল্য চিকিৎসা, টিকা বিপুল বিনিয়োগে তৈরি গবেষণাগারে গবেষনা করে, বিশাল বিশাল কারখানা বা হাসপাতাল বানিয়ে, পাবলিকের পকেট কেটে বড় পুঁজিকে বাজারে আনতে হয়, এবং চোখের পলক না ফেলে বলতে হয় উন্নততর প্রযুক্তির অবদান। এর আগে এগুলো নাকি ছিলই না।
এই সেদিন পর্যন্ত এলোপ্যাথিক ডাক্তারবাবুরা হাতে ওষুধের থলে হাতে বৈদ্যদের দেখানো হাজার হাজার বছরের পরম্পরা মেনে বাড়ি বাড়ি গিয়েই চিকিৎসা করতেন, হাতেগোণা কয়েকজন ছাড়া। এটাই ছিল আমাদের বিকেন্দ্রিভূত পরম্পরা। রোগ সারানোর জন্যে রোগীর পরিবেশ দ্যাখা জরুরি ছিল। আজ পুরো রোগী দ্যাখার কাঠামোটাই ডাক্তারবাবু কেন্দ্রিক হয়ে গ্যাছে। রোগীকে আজ ডাক্তারাবুর দপ্তরে যেতে হয় কুঁথিয়ে কুঁথিয়ে।
কয়েক দিন আগে Arjundeb Sensarma বেহালার এক ব্যক্তির জ্বরের পাঁচনের কথা বলছিলেন,, সেটা কিন্তু উতপাদক এবং গবেষক বাংলার গ্রামে গ্রামে ঘুরেই বিক্রি করেছেন এবং গুরুর নির্দেশ ছিল ওষুধের দাম তার উপাদানের খরচের থেকে বেশি নেওয়া যাবে না। তাতেও তিনি বিপুল লাভ এবং সম্পত্তি করেছিলেন।