Showing posts with label WATAG. Show all posts
Showing posts with label WATAG. Show all posts

Tuesday, June 20, 2017

ওয়াটাগ সংবাদ - আষাঢ

উইভার্স আর্টিজান এন্ড ট্রাডিশনাল আর্টিস্টস গিল্ড ক্রমে ক্রমে পায়ে পায়ে হাঁটি হাঁটি করে এগোচ্ছে। এ বাংলার কথা বলতে পারি, বৈশ্য-শূদ্র-মুসলমান এবং অন্যান্য পরম্পরার সমাজের গ্রাম উদ্যমীদের কোন সঙ্গঠন নেই। উদ্যোগী হন প্রথমে কারিগর অর্থনীতির তাত্ত্বিক অধ্যাপক Dipankar দে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি দুই বাংলার কারিগরদের অস্তিত্ব হাজার হাজার বছর ধরে এক সুতোয় বাঁধা। বাঁচতে গেলে আমাদের এক পথ এক সাথ হতেই হবে। আহ্বান রইল।
কাতরী দেবশর্মা, মধুমঙ্গল মালাকার, হরিপদ বসাক, শীতল ফৌজদার, শাল্কু টুডু এবং জেলার আরও কারিগর এবং অধ্যাপক উদ্দীপন নাথের উদ্যোগে বহুবার আলোচনা করে তৈরি হয় একটি ব্যতিক্রমী সংঘ উইভার্স আর্টিজান এন্ড ট্রাডিশনাল আর্টিস্টস গিল্ড। এটির চরিত্র মূলত চেম্বার অব কমার্সধর্মী। আপাতত বাংলার কারিগরদের স্বার্থ রক্ষা ওয়াটাগের মূল কাজ - কারিগর অর্থনীতির অক্ষবিন্দু রক্ষা ওয়াটাগের চরমতম লক্ষ্য। এটি মধ্যবিত্তদের প্রেরিত স্বেচ্ছাসেবী সঙ্গঠন নয় - বরং এই সঙ্গঠনে ভদ্রলোকেরা সংখ্যা লঘিষ্ঠ - মাত্র ২০% সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
গত প্রায় দেড় বছরে ওয়াটাগ বেশ কিছু কাজ করেছে, তার একটা হল দিনাজপুরে এক দিনের একটা বিশাল গ্রাম-সংস্কৃতি মেলা। এছাড়াও আইএসাইএর ঘিলু ল্যাবের সহযোগিতায় একটা পরম বাংলা প্রাকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থার বিকাশে জ্ঞানচর্চা বিষয়েও কাজ করে চলেছে ওয়াটাগ নারায়ণ মাহাতর নেতৃত্বে।
আগামী দিনে আরও অনেক পথ যাওয়ার আছে। এত দিন ধরে দীপঙ্করদা তাড়া দিতে দিতে ওয়াটাগ সংবাদ প্রকাশ করতে পারলেন। এটা অনুবাদ করেছেন তনুশ্রী Tanushree Dutta। তনুশ্রী অসাধারণ গবেষণা করছেন বাংলার স্বদেশি যুগের ব্যবসা কতটা বাংলার পরম্পরার সঙ্গে যুক্ত ছিল তা খুঁজে বার করার।
আপনাদের সক্কলে এই আন্দোলনের অংশ। বাংলার অর্থনীতির শিরদাঁড়া বাংলার কারিগরেরা। আজও তারা কর্পোরেট অর্থনীতির বাইরে দাঁড়িয়ে তাদের নিজেদের পরম্পরা বজায় রেখে চলেছে। ভদ্রদের নিজেদের বাঁচার জন্য শেকড়ে থাকার জন্য বাংলার কারগর অর্থনীতর পাশে থাকা জরুরি।
ওয়াটাগ সংবাদ প্রতি বাংলা মাসের প্রথমে বেরোবে।
এই সংবাদটা বাংলায় লেখা
https://drive.google.com/…/0B3GDj-26hLYKV2ROUUpkbF82X1k/view
আর এটা ইংরেজিতে
https://drive.google.com/…/0B3GDj-26hLYKcFdaS0Z0bldJMHc/view

Wednesday, May 24, 2017

Let their be a formal schooling (board) and higher education system (university) dedicated to the knowledge creation and dissemination by the people hailing from "শূদ্র-বৈশ্য-মুসলমান ও অন্যান্য পরম্পরা".

উদ্দীপন নাথ, WATWeavers Artisans & Traditional Artists' Guild - WATAG, WATAGএর সম্মানিত অছি সদস্য - ভাবনা চিন্তায় অন্য মানুষদের থেকে আলাদা - WATAG Dipankarদার কাছে কৃতজ্ঞ যে তাঁর মত গুণী মানুষ এই মানুষদের সঙ্গঠনে জুড়েছেন।
উদ্দীপন একটি দারুণ প্রস্তাব দিয়েছেন - সেটি নিচে তুলে দেওয়া গেল।
এই শিক্ষা প্রস্তাবটির সঙ্গে জুড়ুক গ্রামীন পরম বাঙলা প্রাকৃত চিকিতসা ব্যবস্থা নিয়ে একটা শিক্ষাক্রম।
নতুন করে চিন্তা করা দরকার কিভাবে আমরা আমদের নিজেদের ব্যবস্থাগুলোকে দেখতে চাইছি।
মেকলে বা ট্রেভলিয়ন বা বিদ্যাসাগর দেশিয় শিক্ষা ব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন বলে কান্নাকাটির সময় গিয়েছে।
নতুন উদ্যমে জেগে উঠক নতুন জ্ঞানচর্চার পরিবেশ।
ধন্যবাদ উদ্দীপন। বুদ্ধিজ্ঞাপক প্রকাশনার জন্য।
what we need is a completely fresh approach to how we are educated. Let Macaulay remain where it has prospered, but let people from the "শূদ্র-বৈশ্য-মুসলমান ও অন্যান্য পরম্পরা" have a chance at reviving their way of education and training. Let their be a formal schooling (board) and higher education system (university) dedicated to the knowledge creation and dissemination by the people hailing from "শূদ্র-বৈশ্য-মুসলমান ও অন্যান্য পরম্পরা". Like we have a CBSE or ICSE, we could have a higher education board on 'Traditional and Indigenous Knowledge' systems - Board of Secondary & Higher Secondary Education on Traditional and Indigenous Knowledge. Let the State of the day recognize this board as a formal way of educating the South Asians. Let the State subsidize the education to be pursued in this system. Let people from the "শূদ্র-বৈশ্য-মুসলমান ও অন্যান্য পরম্পরা" not be forced to pursue education in only CBSE/ICSE/Traditional State Boards based on Macaulay. Let them proudly and formally pursue education in their chosen system - that could be either through a education board dedicated to 'Traditional and Indigenous Knowledge' systems or the usual CBSE/ICSE/Traditional State Boards. But at least let us give a fair chance to 'Traditional and Indigenous Knowledge' systems to thrive. We can't keep on crying over the spilt milk, nor can we expect the Brits and Macaulay to return and erase all the wrong doings. It's now up to us to ensure our people's survival. And our people's survival cannot be sustainable on borrowed European & western technologies. Its time to fall back on 'Traditional and Indigenous Knowledge' systems.

Tuesday, March 21, 2017

প্রাকৃত বাংলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা - বাংলার পরম্পরাগত চিকিৎসা ব্যবস্থা

সহায়তায় ইন্ডিয়ান স্ট্যাস্টিটিক্যাল ইনস্টিটিউটের ঘিলু ল্যাব
এটা আবার কি? আয়ুর্বেদ? নয় কেন? কেন প্রাকৃত বাংলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা?
সত্যি তো,আয়ুর্বেদ চিকিৎসা ব্যবস্থা ছেড়ে কেন গ্রাম্য প্রাকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে মাথা ঘামাল ওয়াটাগ, বঙ্গীয় পারম্পরিক কারু ও বস্ত্র শিল্পী সঙ্ঘ, কলাবতী মুদ্রা, কনকটি বোড়ো কৃষ্টি আফাত এবং আরও বেশ কিছু সংগঠন?
সঙ্গঠনগুলো থেকে তাত্ত্বিকভাবে আমরা মনে করি রোগ আঞ্চলিক - নির্ভর করে জীবনযাত্রা, দেহতন্ত্র, পরিবেশ, পেশা এবং ভূপ্রকৃতির ওপর। দূর দেশে কোন ওষুধ তৈরি হলে, সেটি যে বিশ্বজনীন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে এই তথ্য আমরা বড় পুঁজির সঙ্গবাদমাধ্যমের প্রচারে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছি। এলোপ্যাথির মতই আয়ুর্বেদ কেন্দ্রিয় শাস্ত্র নিদান নির্ভর। কিন্তু প্রাকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায়োগিকভাবে ভীষণভাবে আঞ্চলি জ্ঞান-প্রযুক্তি-সম্পদ-পরিবেশ নির্ভর, রোগী/অসুস্থতা কেন্দ্রিক এবং সংহত।
ঠিকই আয়ুর্বেদ নিয়ে কাজ করাটা খুব সোজা ছিল। তার একটা দেশজ-আন্তর্জাতিক ব্রান্ডিং আছে। বড় পুঁজির স্নেহধন্য। মানুষকে বোঝাতেই হত না কেন আয়ুর্বেদ? এবং আমাদের মত চাঁদা নির্ভর সংগঠনে এটা আশীর্বাদ হত, খাটনি কম হত, চরক শুশ্রুত বা বাঙালি ভগভট্টের সংস্কৃত নিদান তুলে দিলেই কেল্লা ফতে - দুবার প্রশ্ন করার সুযোগই থাকত না।
তাহলে? পরম্পরার প্রাকৃত চিকিৎসাটি বাংলার, ভীষণই রোগীকেন্দ্রিক। রোগ যদি আঞ্চলিক হয়, তা হলে সেই অঞ্চলেই তাঁর প্রতিষোধক প্রকৃতি দিয়ে রেখেছে। চিকিতসাকর্মীর দায় সেই অঞ্চলের নির্দিষ্ট ভেষজ, খণিজ বা প্রাণীজ উপাদানটি ব্যবহার করা। তাত্ত্বিকভাবে প্রাকৃত চিকিৎসা যদিও আয়ুর্বেদের ত্রিদোষ তত্ত্ব বা পঞ্চতত্ত্বের কাছাকাছি কিন্তু প্রায়োগিকভাবে অনেক স্বাধীনিতা পান প্রাকৃত চিকিৎসায়। চিকিৎসক/সেবকের দায় থাকে রোগীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দেওয়ার। আমরা জেনেছি, প্রাকৃত চিকিৎসক চেষ্টা করেন প্রাথমিকভাবে খাদ্য, তাঁর পরিবেশ/জীবনযাত্রা পরিবর্তন করে নিরাময়ের। সর্বশেষে ওষুধ প্রয়োগ। সব থেকে বড় জোরের যায়গা হল তাঁর জ্ঞানের বৈচিত্র্য - সমাজে সমাজে, সমাজের মধ্যে পরিবারে পরিবারে যা আদতে বড় পুঁজির আতঙ্ক - বেঁচে থাকাটাই হুমকির সম্মুখীন।
এই জ্ঞান আর প্রজ্ঞা সারা বাংলার বিভিন্ন সমাজে ছড়িয়ে রয়েছে। মেচ, রাভা, গারো, টোটো, রাজবংশী, সাঁওতাল, মুসলমান, কুর্মী সহ আরও বেশ কিছু সমাজের হাজার হাজার বছরের পরম্পরার প্রাকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে নথি করার কাজ করেছেন নারায়ণ মাহাত কয়েক বছর ধরে। পরম পত্রিকার গ্রাম্য চিকিৎসা ব্যবস্থা সংখ্যার আমন্ত্রিত সম্পাদক ছিলেন নারায়ণ। পারিবারিকভাবে এবং পেশাগতভাবে প্রাকৃতিক চিকিৎসা শিখেছেন তিনি। বহু প্রবন্ধ ছাড়াও তাঁর একটা বই দেশজ ভেষজতে তিনি গাছ-গাছড়া এবং রোগ-অসুখ নিয়ে বিশদে আলোচনা করেছেন তিনি।
এই বৈচিত্র্যময় জ্ঞানকে সঙ্গঠনগুলি এবারে তাদের বৈচিত্র্যকে সম্মান জানিয়ে প্রায়োগিকতার স্তরে নিয়ে যাচ্ছে। বলা দরকার এই জ্ঞান সমাজগুলিতে বহুকাল ধরে রয়েছে। শুধু শস্তা নয়, তাঁর এফিকেসির জোরে - যদি আপনারা গাঁইয়াদের অজ্ঞ, মুর্খ, অশিক্ষির না ভাবেন।
গত দুবছর ধরে, বাংলার পরম্পরার প্রাকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা নথি করণ করতে নারায়ণ মাহাতর নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন। সেই চেষ্টাটা রূপ পাচ্ছে আগামী ৮,৯,১০,১১ এই চারদিন কলকাতায় নারায়ণের নেতৃত্বে গ্রামীন স্বাস্থ্য বিধায়কদের(গ্রামীন পরম্পরার চিকিতসকেদের এই নাম দিয়েছেন তিনি) প্রথম বৈঠক। সামগ্রিকভাবে এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হবে সেই চারদিনের বৈঠকে। কথা হয়েছে ইন্ডিয়ান স্ট্যাস্টিটিক্যাল ইনস্টিটিউটের গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলা ঘিলু ল্যাব এই প্রক্রিয়ায় সামিল হবে।
ইতোমধ্যে শহরে এই চিকিতসাব্যবস্থা নারায়ণ আর বঙ্গীয় পারম্পরিকের সম্পাদক মধুমঙ্গল মালাকারের নেতৃত্বে পা রেখেছে - প্রাথমিকভাবে কয়েকজন বন্ধু আর তাদের বাড়িতে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে চিকিৎসার কাজ চলছে।
তো এর পরের কাজ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দেওয়া। শুধু ওষুধ দেওয়া নয়, যদি প্রত্যোজন হয় তা হলে খাদ্যাভ্যাস, জীবনধারণের প্রক্রিয়া বদলে দিয়েও রোগারোগ্য হতে পারে। আদতে শুধু রোগ নিরাময় নয় সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য ফেরানো প্রাথমিক কাজ - ঠিক যে জন্য গ্রাম বাংলা এলোপ্যাথি ছাড়াই বহাল তবিয়তে বেঁচে রয়েছে।
কলকাতায় এই চারদিনের শেষ দিন বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা আর কিছুটা চিকিৎসার পরামর্শ দান শুরু।
আরও অনেক কথা বলার রইল। আমরা কি করতে চলেছি, তাঁর বিশদ আগামী দিনে পরের কোন প্রকাশনায়।
সঙ্গের ছবিগুলি আজ, ৬ চৈত্র ১৪২৩ সালে দীপঙ্করদার বাড়িতে।
অরূপদা এই বিষয়টা নিয়ে ছবিও করছেন।

Friday, November 18, 2016

অর্থনৈতিক অবরোধের বিরুদ্ধে উইভার্স আর্টিজান এন্ড ট্রাডিসনাল আর্টিস্তস গিল্ডের বক্তব্য

দিল্লির উপনিবেশ বিরোধী চর্চা
জরুরি অবস্থা সমাগত
গোটা দেশটা অন্তত ৯০শতাংশ মানুষ নগদ টাকায় পণ্য সেবা বদল করেন। এই অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ঘুর পথে মানুষের বিরুদ্ধে অবরোধ রচনা করে টাকা ছাড়া বড় পুঁজির কিছু সওদাগরের হাতে তাকে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে। এই চক্রান্তে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শামিল।
গ্রাম বাংলায় এখন চলছে ধান কাটার পালা। প্রতেক দিন বাংলা জুড়ে প্রত্যেক সন্ধ্যায় কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতবদল হওয়ার কথা। অথচ মানুষের হাত ফাঁকা। কোন টাকা নেই মানুষের হাতে। অর্থনীতি রুদ্ধ।
শহরে তবু কিছু ভাগ্যবান এটিএমে গিয়ে টাকা তুলতে পারছেন। গ্রামে সেই সুযোগও নেই। ফলে গ্রামীন সম্পূর্ণ অর্থনীতি বসে গিয়েছে।
বঙ্গে এক দিন মাঠে ধান কাটার রোজ ৩৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা। হাতে সাধারণ মানুষের একটা দু্টো ৫০০ টাকা থাকেই। আজ সে নিঃস্ব। সব থেকে ক্ষতি হয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের। কারিগর এবং কৃষি অর্থনীতির বড় অংশিদার মহিলারা। তারা নিঃস্ব।
টাকা তোলা কোম্পানিগুলি গ্রাম থেকে কত তুলেছিল আমরা জানি। সেটা গোটা অর্থনীতির মাত্র একাংশ। গিল্ড থেকে দেখিয়েছি ৬০ লক্ষ পরম্পরার উদ্যমী বছরে অন্তত ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থনীতি চালায়, সেটা চাষ ছাড়া। ফলে চোখে দেখতে না পাওয়া এই বিশাল গ্রাম বাঙলার অর্থনীতি দাঁড়িয়ে পড়েছে।
গ্রামে একটা সুবিধে আছে নগদ অর্থনীতি ধারে চলে। হয়ত খাওয়ার অসুবিধে হবে না, কিন্তু অন্যান্য ব্যয় - হাসপাতাল, অসুখ, অন্য কেনাকাটা, মাইনে, ইত্যাদি কি করে হবে?
খুব খারাপ গ্রাম ভিত্তিক ছোট জেলা শহরগুলোয় যেখানে মানুষ বিনা পয়সায় কিছু পায় না অথচ বাঁচতে হয়। সেখানকার মানুষ কি করে জীবন ধারণ করবে।
কলকাতায় যদি অবস্থা সামাল দিতে/বুঝতে মুখ্যমন্ত্রীকে পথে নামতে হয়, তাহলে দূর গ্রামের অবস্থা কেমন তা আন্দাজ করার মত বীক্ষা আপনাদের রয়েছে।
১% মানুষের জন্য ৯৯% মানুষের বিরুদ্ধে যু্দ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রিয় সরকার।
সর্বশক্তি দিয়ে এর বিরুদ্ধাচরণ করতে হবে।
কেননা স্বয়ং প্রধান মন্ত্রী কর্পোরেটদের হয়ে নিজের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন।
জরুরি অবস্থা সমাগত।

Saturday, October 8, 2016

Silk Route 2.0 and the Traditional Artists Weavers and Artists of Asia

Next week Goa will host the BRICS nation meeting.
We, the members of Weavers, Artisan and Traditional Artists Guild(WATAG) watag.in/ need to put some thought into it.
From 2013 China has launched Silk Route 2.0 project to facilitate development of long term infrastructure in and around the world. Bengal, is one of the key corner stones of this massive development project. But it is very difficult to say the dwindling relation between China and India may harm the Bengal's cause.
It is an undeniable fact that traditional indigenous knowledge traditional skill based rural artists and artisans of Asia, India and Bengal, was the key movers of the erstwhile traditional north and south Silk Routes. Traders use to market rural products worldwide by it. Before the deindustrialization by the Europeans, Asia use to enjoy trade surplus because of this rural Sudra producers and Baishya Traders.
The humongous Trade surplus enjoyed by the PRC, help them to push the cause of infrastructure building aggressively in the form of Silk Route 2.0 worldwide so that they can counter the casino capitalism of the west effectively through the longterm investment and creating infrastructure.
WATAG feels this is one of the newer sweeter version of the worldwide single SEZ project as it relies on Big Capital investment and it usually inherits all the vices of the development paradigm of Big Capital - like forced eviction, land grabbing etc. and Silk Route 2.0 facing massive protest around the world as people saw the ugly faces of the Big Capital Intensive Type of Developmental Projects.
As far as the information shared in the public domain by the PRC and their PR firms, WATAG felt that in the Silk Route 2.0 project, the traditional skill knowledge wisdom based artists and artisans and weavers of the villages of Asia are not the part of this project.
As this Silk Route 2.0 project has a long teething period, it wouldbe wiser to include us the rural artisan throughout the world so that the Silk Route 2.0 project can marlet the produces of the biggest village hinterland without investing considerable capital. If the PRC make traditional artists and artisans of the world their friend in Silk Route 2.0 project, the feasibility of the project will be considerably high and the development of the world will see a new lease of life as the people to people communication, business and exchange of ideas will be much easier.
Philosophically it will be unwise to declude the traditional artists and artisan from Silk Route 2.0 project.
Hope the PRC and other agencies involved into this make a ear into this.

Saturday, October 1, 2016

গ্রামচর্চা - ওয়াটাগ নথি করণ উদ্যোগ

সমাজের সদস্যদের চোখে নিজেদের সমাজের নানান উদ্যম নথিকরণকর্ম
গ্রামজীবনকে ইওরোপিয় চশমায় এক তরফা দেখার ভদ্রলোকিয় দিন শেষ
ফিরে আসুক শিল্প বিপ্লব পূর্বসময়ের গ্রাম বাংলার সমাজ, উতপাদন ব্যবস্থা

.
.
.
.
রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়াটাগের সদস্য সংগঠন, কলাবতী মুদ্রার গ্রামচর্চা সম্মেলন শেষে, সভাপতি মধুমঙ্গল মালাকারের নেতৃত্বে ওয়াটাগের দপ্তর, দিনাজপুরের মুষ্কিপুরে ৯ আশ্বিন, ১৪২৩এর একটি বৈঠকে নথিকরণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেটি আমরা ওয়াটাগের সংঘের, কলাবতী মুদ্রার বন্ধুদের জন্য তুলে দিলাম। এই সিদ্ধান্ত সংস্কৃতকরণ, পরিমার্জন, পরিবর্ধনে তাঁদের সক্কলের মন্তব্য, পরিকল্পনা এবং সহায়তা এই নথির কাজটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

গ্রামের সংস্কৃতি উতপাদন ব্যবস্থা আচার-আচরণ ধর্ম মেলা উতসব গ্রামের ইতিহাস গল্প পারিবারিক ইতিহাস গ্রামের সম্পদ বৈচিত্র কৃষি জীবনযাত্রা ইত্যাদি হাজারো বিষয় নথিবদ্ধ করার কাজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াটাগের যুবা কিশোর সদস্য দল। কাজটা আপাতত শুরু হচ্ছে দিনাজপুর জেলায়। এই কাজটি বেশ কিছুদিন চলার পর তার ফলাফল দেখে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হবে অন্যান্য জেলায়; তবে আগামী তিন বছরের আগে নয়; শুধুই দিনাজপুরের নানান দিক নথিকরণের কাজ চলবে এই সময়ক্রমে।

ওয়াটাগের যুবা সদস্যরা, তাদের অঞ্চলে উপরের বিভিন্ন বিষয় নথি করবেন চলচ্চিত্র, ভাষ্য, লিখিত এবং স্থির ছবিতে। এত দিন শিক্ষিত মধ্যবিত্ত তাদের মত করে, তাদের ঔপনিবেশিক দৃষ্টিভঙ্গীতে গ্রাম সমাজ তাদের বিকাশ এবং জীবনযাত্রা বলার লেখার চেষ্টা করেছেন - যার ফলিত প্রকাশ ঘটেছে জাতিবাদী লোকসংস্কৃতি চর্চায়। এবারে গ্রাম সমাজের সদস্যরা নিজেরা নিজেদের সমাজের নানান দিক নিজেদের মত করে নথি করণ করবেন এবং বিশ্লেষণ করবেন - সমান্তরালভাবে ভদ্রলোকেরা করুণ তাদের মত করে - কিন্তু গ্রামজীবনকে ইওরোপিয় চশমায় এক তরফা দেখার দিন শেষ।

যে যুবা কিশোর সদস্যরা এই কাজে জুড়বেন, তাদের থাকছে একটি স্মার্ট ফোন। তাদের পথ দেখাবেন সঙ্ঘ আর ওয়াটাগের উপদেষ্টা পর্ষদের অরূপ শঙ্কর মৈত্র, দীপঙ্কর দে এবং বিশ্বেন্দু নন্দ এবং অন্যান্য মানুষেরা।

যুবা নথিকরণ দলের নেতৃত্ব দেবেন মালাকার সমাজের নবীন গৌরব, গৌরব মালাকার। তিনি নিজের যোগ্যতাতেই এই কাজ করে চলেছেন গত কয়েক মাস ধরে নিজের মত করে ওয়াটাগের পরিকল্পনায়।

এই নথিগুলি নিয়মিত প্রকাশ পাবে ইন্টারনেটে-কখোনো লিখিত, কখোনো শ্রাব্য কখোনো চলচ্চিত্র মাধ্যমে।

সঙ্ঘ, ওয়াটাগ এবং কলাবতী মুদ্রা বেসরকারি দাতা সংগঠন বা সরকারি দান নেয় না - চলে বন্ধুবান্ধবদের এবং সদস্যদের সাহায্যে।

এই কাজে প্রয়োজন দিনাজপুরের দপ্তরে একটা বড় হার্ডডিস্ক সহ কম্পিউটার, ১০টি ৩২ জিবি মেমরি চিপ।

শিল্প বিপ্লব পূর্বসময়ের বাংলার সমাজ, উতপাদন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে এই কাজে এগিয়ে আসুন ওয়াটাগের বন্ধুরা বুদ্ধি পরিশ্রম সম্পদ দিয়ে

জয় গুরু!
জয় বাংলা!
জয় বাঙলার গ্রাম সমাজ!
জয় বাঙলার শিল্পবিপ্লবপূর্ব নিজস্ব উতপাদন বিতরণ ব্যবস্থা!
জয় নতুন বাঙলার কাজের পরিবেশ!
জয় বাঙলার প্রযুক্তি!

Tuesday, June 28, 2016

দেশিয় সংগঠন চর্চা WATAGএর বন্ধুত্ব তত্ত্ব

WATAG(Weavers Artisan & Traditional Performing Artists Guild)-কে অপার বাঙালি ভালবাসায় ঘিরে থাকা বন্ধুরা, আপনাদের নেতৃত্বে চলা WATAG বিষয়ে আপনাদের সঙ্গে কিছু কথা ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছে হল। বড় লেখা হবে - ধৈর্য হলে দয়া করে পড়বেন, না হলে ছেড়ে চলে যাবেন, গ্রামীনেরা সর্বংসহা, খারাপ লাগে না -

দেশি বিদেশি কর্পোরেট বা দাতা সঙ্গঠনের দান অথবা সরকারি কোন প্রকল্প ছাড়াই একসময় বঙ্গীয় পারম্পরিক কারু ও বস্ত্র শিল্পী সঙ্ঘ চলছে, WATAGও সেই পথ বেয়েই নিজের কাজে এগিয়ে চলেছে।
আজও ভাল কাপড় তাঁতে সৃজন হয় - মিলে নয়, ভাল জং ছাড়া লোহার পণ্য বানাতে ডোকরা কামারেরা অপ্রতিদ্বন্দ্বী - লোহার কারখানায় হয় না, আজও ভাল মাটির কাজ হয় হাতে চালানো চাক আর কুমোরের হাতের জাদুতে, আজও বিষমুক্ত ফসল চাষ করেন চাষী - নিজের হাতে জন্মদেন কোটি কোটি প্রাণের, জীবনদায়ী ওষুধ আজও গাছগাছালি থেকেই গ্রামের পরম্পরার ভিষগেরা তৈরি করেন, ভাল বাঁশের কাজ হাতে হয়, পাটের কাজ তাঁতপোই তাঁতেতে হয় - পাট কলে নয় - বাংলায় রয়েছে প্রচুর শ্রমশক্তি, দক্ষতা, প্রচুর জ্ঞান আর তার নিজস্ব প্রযুক্তি যা দিয়ে বাংলার গ্রাম আজও নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, উতপাদক-বিতরকেদের নিয়ে - তাই গ্রামের অর্থনীতির জোরে ২০০৮ সালের বিধ্বংসী কাণ্ডের রেশ ভারতে পড়ে না - সেই বিষ-ঋণের, বড় পুঁজির মদতদার ব্যাঙ্কের দখলি অর্থনীতির জালে জড়িয়ে নেই গ্রাম ভারত - আর তার বিকেন্দ্রিত উতপাদন বিতরণ ব্যবস্থা যেন রক্তবীজের বংশধর, যারা নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে জানেন নিদারুণ রাষ্ট্রবিপ্লবেও, বিধ্বংসী শাসকের রুদ্রমূর্তির নিচেও

- একমাত্র দক্ষতা, ঐতিহ্য আর নিজস্ব প্রযুক্তি নির্ভর গ্রামীন উতপাদক, বিক্রেতা আর বিতরকেরা বড় পুঁজির ধ্বংসকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি

- বাংলার গ্রামের ছোট পারম্পরিক উতপাদকেরা দক্ষতা, জ্ঞান, ঐতিহ্য এবং নিজেদের প্রযুক্তিতে বলবান হয়ে বড় পুঁজির বিরুদ্ধে নিজেদের কৃতকর্মের স্বাক্ষর পেশ করেছেন কয়েক হাজার বছর ধরে - আজও

- এশিয়া, ইওরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকায় তার কয়েক হাজার বছর ধরে নিজেদের উতপাদিত দ্রব্য বিক্রি করেছে ব্রিটিশপূর্ব আমলে বিশিল্পায়ন না হওয়া পর্যন্ত

- ইওরোপকে সে সুতি ভাল রেশম কাপড় পরতে শিখিয়েছে, প্রাকৃতিক নীল রঙ উপহার দিয়েছে, জং ছাড়া লোহা দিয়েছে, প্রায় একচেটিয়া ব্যবসা করেছে ৭০টা শিল্প দ্রব্য আর ১০০টা কৃষি দ্রব্য

- গ্রামীনদের বহু কলা লুপ্ত করে দিয়েছে ক্ষমতাবানেরা, কিন্তু রয়েও গিয়েছে বহু জ্ঞান, দক্ষতা আর প্রযুক্তি - সেটাই বাংলার সম্পদ

- গত পাঁচ বছরে বাংলা নতুন পথ দেখিয়েছে, আগামী কয়েক দশক সে সেই পথের চলা আরো দৃঢ করবে,

- আজ বাংলার ছোট পরম্পরার উতপাদকেরা এক ছাতার তলায় আসতে প্রস্তুত, নিজেদের এবং আপামর গ্রামীনদের জীবন, জীবিকা, আর্থব্যবস্থা এবং উতপাদন-বিতরণএর পরিবেশ রক্ষায় তৎপর -

-সেই তৎপরতার একটা কাজ হয়েছে Weavers Artisan & Traditional Performing Artists Guild(WATAG) বাংলায় পঞ্জীকৃত হওয়ায়

- এর কাজ অনেকটা চেম্বার অব কমার্সদের মত - কিন্তু খোলা মেলা পুঁজির মত দখলদারির নয় - পেটেন্ট বা কপিরাইটে বিশ্বাস করে না বাংলার গ্রামীনদের মত এই সংগঠন, তাই নিজেদের উতপাদন-বিতরণ-দক্ষতা-প্রযুক্তির স্বার্থরক্ষ - তার জন্য নানান উদ্যম নেওয়া

- নতুন তৈরি হওয়া গিল্ড গ্রামীন-উতপাদক-বিক্রেতা-পরিবেশকদের সম্পূর্ণ স্বার্থরক্ষায় নানান পদক্ষেপের উদ্যোগ কিছু ফল ফলতে শুরু করেছে

- আপনাদের নিরন্তর শুভেচ্ছায় WATAG আজ মাত্র ফেব্রুয়ারিতে পঞ্জীকৃত হয়েই নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে শুধু নয়, সে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতেও পারছে। WATAG এমন একটি সঙ্গঠন, যেটি পঞ্জীকৃত হয়েছে দিনাজপুরের একটি গাঁয়ের ঠিকানায়

- বাংলা শুধু শহর-ভিত্তিক তাত্ত্বিক-ব্যবহারিক স্থল ছিল না তার ভিত্তি ছিল গ্রাম, সেটি এই পদক্ষেপে পরিষ্কার করে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে

- কলকাতা আর জেলা শহরের বাইরের তাকাতে হবে, যদি বাংলার গ্রামকে স্বনির্ভর করার স্বপ্ন দতে হয়, বাংলা-বাঙালিকে শহরের নির্ভরতরা ত্যাগ করাতে হয়

- WATAG এই মাত্র কয়েকমাসে আপনাদের তাত্ত্বিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতায় বেশ কয়েকটি কাজ করেছে-

ক) দক্ষিণ দিনাজপুরের যে গ্রামে সে পঞ্জীকৃত, সেই গ্রামে অন্তত ১০০০ শিল্পী এবং ৪০টা দল নিয়ে একদিনের একটি উত্তররঙ্গ ১৪২৩, দিনাজপুরের গ্রাম সংস্কৃতি উতসব আয়োজন করেছে - সেদিন তিন বেলা সেখানে খেয়েছে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ - এটা হয়েছে কোন বেসরকারি সংগঠন বা সরকারি সাহায্য ছাড়াই - শুধু মাত্র সদস্যদের চাঁদায় বিপুল এই কর্মযজ্ঞ চলেছে - এ কাজে সাঁওতাল সমাজের অংশগ্রহন ভোলার নয়

খ। সদ্য তৈরি হওয়া রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়য়ে একটি গ্রাম-প্রযুক্তি-সংস্কৃতি প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা পেশ করেছে, অবিলম্বে এই ডিপ্লোমা পড়াশোনার কাজটি চালু হতে চলেছে - WATAGও হয়ত বাংলা জোড়া এই ধরণের একটি গ্রামকেন্দ্রিক প্রায়োগিক কিন্তু তত্ত্ব নির্ভর শিক্ষা প্রকল্প রূপায়িত করতে যাচ্ছে -

গ। সোফি-সুজয়এর উদ্যমে শ্রাবন-ভাদ্রমাসে(আগস্ট) ১৫ দিনের একটি কর্মশালা আয়োজিত হতে চলেছে কলকাতায়, যেখানে বাংলা-ইওরোপের প্রযুক্তি এবং কারিগরিকলার যৌথ সঙ্গম হবে, এবং সেই উৎপাদনগুলি ইওরোপে বাজারজাত হবে তার নিজের জোরে। একটি বাংলা-জার্মানি যৌথ কর্মীদল গঠিত হবে, যারা নিয়মিত বাজার নিরীক্ষণ করে নতুন প্রযুক্তি-শিল্পকলা মিশ্রণে নব সৃষ্টির কাজ করবে

ঘ। WATAGএর সদস্যদের জমিতে দেশি প্রথায়(দয়া করে একে বিকল্প বলবেন না, এটাই আমাদের নিজস্ব পদ্ধতি, আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে এখন রাসায়নিক চাষ করি, সবাই একে জৈব বলেন আমরা বলি দেশি পদ্ধতি) ফসল উৎপাদনের কাজ শুরু গত বছর হয়েছে এবছর ব্যাপকভাবে হবে; হচ্ছে ১। ঢেঁকি ছাঁটা চাল, ২। আমাদের নিজস্ব কিছু সুগন্ধী চাল - পাওয়া যাচ্ছে তুলাইপাঞ্জী, ৩। ওষুধরূপে ব্যবহৃত কিছু চাল, যেমন কালোভাত - যা কর্কট রোগ প্রতরোধক ইত্যাদি

ঙ। মুর্শিদাবাদে তুলো থেকে চরকায় সুতো কেটে ফুলিয়ায় প্রাকৃতিক রঙে ছুপিয়ে ঠকঠকি তাঁতে নীলাম্বরী, পীতাম্বরী, রক্তাম্বরী এবং শ্বেতাম্বরী শাড়ি এবং কাপড় তৈরি - ব্যবসায়িকভাবে এটি আমাদের তাঁতিরা করতে পারছেন, এছাড়া সুতো চাষ করছি WATAG, বাঁকুড়ার ছাতনায়, বর্ধমানের আউসগ্রামে আর নদীয়ার চাতরায়

- চাষ হচ্ছে সাদার সঙ্গে দেশি রঙ্গীন তুলোও - আগ্রহ বিটিতুলোকে দেশ ছাড়া করা - এটা চাষ করে আমরাই পারি - সেই স্পর্ধা বাংলার চাষী, চরকা কাটনি রঞ্জক আর তাঁতিরা দেখাতে পেরেছেন নিজেদের মত করে বড় পুঁজির রাঙ্গানো চোখের সামনে দাঁড়িয়ে

চ। WATAGএর নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র গত এক বছর ধরে চালু রয়েছে হাওড়ার অবনী রিভার সাইড শপিং মলে, নাম 'পরম মাটি' - এখানে বাংলার নিজস্ব নানান গ্রামীন উতপাদন যাকে শহুরে শিক্ষিতরা লোকশিল্প বা হস্তশিল্প বলেন, আমরা বলি গ্রাম উতপাদন, বিক্রি হচ্ছে নিয়মিত

ছ। কিছু প্রকাশনা করা হচ্ছে সদস্য সংগঠন কলাবতী মুদ্রার তরফে - সেটা কত সরাসরি বাজারে আসে তার ব্যবস্থা করা - বই প্রকাশিত হয়েছে
* দীপঙ্কর দে'র এক নীলকণ্ঠ ভারতের ইতিবৃত্ত,
* সুনীল চন্দের দিনাজপুর কথার দ্বিতীয় মঞ্জুষ,
* সোমা মুখোপাধ্যায়ের সরযূবালার ভেষজ কথা এবং মণিমালা চিত্রকরের জীবনী(সম্পূর্ণ রঙ্গিন)।
- এছাড়াও আগে প্রকাশিত হয়েছে
* তাঁতি মনোহর বসাকের নীলাম্বরীর নকশা,
* বিশ্বেন্দু নন্দ ও পার্থ পঞ্চাধ্যায়ী সম্পাদিত হকার কথা,
* আর রয়েছে সঙ্গঠনের মুখপত্র মাসিক পরম - ২৩টি সংখ্যা। - মাঝে বন্ধ ছিল আশাকরা যায় আগামী আশ্বিনে নতুনভাবে ২৪ তম থেকে প্রকাশ পাবে - প্রথা অনুযায়ী আগামী এক বছরের বিশদ প্রচ্ছদ ভাবনা - ১। বস্ত্র বয়ন - দ্বিতীয় মঞ্জুষ, ২। বাংলার মুদ্রা ৩। জেলা পরিক্রমা দুই দিনাজপুর, ৪। ছোটলোক, ৫। বাংলায় ডাচেরা, ৬। বাংলার মাটির পুতুল, ৭। প্রাকৃতিক রঙ, ৮। জেলা পরিক্রমা কোচবিহার, ৯। বাংলার অঙ্ক, ১০। পঞ্জিকা, ১১। মোগল আমলে বাংলা, ১২। বাংলায় পর্তুগিজ।
* আরও একটা দ্বিভাষিক পত্রিকা 'গ্রাম শিল্প পরম্পরা' প্রকাশিত হবে একই সঙ্গে - তার ১২ সংখ্যার বিষয় ১। দশাবতার তাস, ২। বাংলার চিত্রকলা, ৩। শোলার কলকা, ৪। শাঁখ শিল্প, ৫। বিষ্ণুপুরের দুর্গা পট, ৬। দিনাজপুরের কাঠ ও কাগজের গমীরা মুখোশ, ৭। বানাম, ৮। আলপনা, ৯। দেওয়ালি পিতুল, ১০। পট ১১। পোড়ামাটির তুলসিমঞ্চ, ১২। বাঁশের বুনন, ১৩। পাথরের কাজ(মেদিনীপুর, শুশুনিয়া), ১৪। সাঁওতাল আর শবরদের ঘাসের কাজ, ১৫। তাজিয়া, ১৬। পুরুলিয়ার ছো মুখোশ, ১৭। বাজি, ১৮। বীজের গয়না, ১৯। পিতল-কাঁসা, ২০। রন্ধন শিল্প - প্রথম জেলা ?, ২১। নতুন গ্রামের কাঠের কাজ, ২২। বাংলার মেলা, ২৩। মোষের শিঙের কাজ, ২৪। বাংলার মাটির ঘোড়া।

জ। কাজ চলছে http://watag.in/ নামে একটা ছাতা ওয়েবসাইট তৈরি করা, যেখানে বাংলার গ্রাম উতকর্ষ বিক্রি হবে, জানাযাবে বাংলার পরম্পরা, গ্রামীন উদ্যম, তত্ত্ব, তার সদস্যদের নাম, কাজ জ্ঞান, প্রযুক্তি ইত্যাদি

http://watag.in/র কাজ চলছে। এর অধীনে তৈরি হচ্ছে http://lokfolk.in/ একটা ইকমার্স সাইট, হচ্ছে NILAMBARI.IN শাড়ি বিক্রির জন্য আর হচ্ছে বই পত্রিকা বিক্রির জন্য একটা সাইট

ঝ। WATAGএর বন্ধু তৈরি করার কাজ শুরু হয়েছে - Friends of WATAG. বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন গ্রাম উতপাদকেদের দিকে
\/ এখনও অনেক কিছু বেঁচে আছে বাংলার গ্রামে সেগুলি যেন 'লুপ্ত' বা 'লুপ্তপ্রায়' না হয়ে যায় তা আগ্রহসহকারে দেখা,
\/ নিজেদের উদ্যোগে যারা এই ধরণের কাজ করেন তাদের WATAGএর খবর দেওয়া এবং এক ছাতার তলায় আনা
\/ http://watag.in/এর খবর ছড়য়ে দিন, বাংলার গ্রাম পরম্পরার উদ্যম উঠে আসুক বিশ্বের দরবারে আড়াইশ বছর আগে যেমন ছিল

বন্ধুদের কাছে অনুরোধ
@ এই কাজে প্রবল সম্পদ প্রয়োজন - WATAGএর সদস্যরা মনে করে না সম্পদ মানে শুধুই অর্থ - অর্থ অবশই প্রয়োজনীয় কিন্তু একমাত্র নয়, সে বিশ্বাস র্থ ছাড়াও করে সম্পদ মানে জ্ঞান, যোগাযোগ, নেতৃত্ব আর সঠিক পথ চিন্তা
@ আপনারা অবশ্যই WATAGএর বন্ধু হোন
@ যারা বাংলার শহরের বাইরে থাকেন, বা গ্রামে পরম্পরার উদ্যমের সঙ্গে পরিচয় রয়েছে, তারা তাদের অঞ্চলের পরম্পরার উতপাদিত দ্রব্য(শিল্প চাষ আর সেবা) http://watag.in/এ দেওয়ার জন্য WATAGএর সঙ্গে যোগাযোগ করুণ
@ WATAG সাংগঠনিক এবং ব্যক্তি সদস্য করাবার উদ্যোগী হোন, প্রথম বছর ২০০ টাকা পরের বছর ১০০ টাকা - সাংগঠনিক সদস্য হতে গেলে ন্যুনতম ২০ জনকে নিয়ে সদস্য হতে হবে
@ জেলায় জেলায় সাঙ্গঠনিকভাবে বা ব্যক্তিগতভাবে পরম মাটির মত আপণ খুলতে উদ্যোগী হোন - WATAG আপনার পাশে দাঁড়াবে

---- আরো সব কিছু ভাবনা ভাবতে শেখান - আপনাদের সংগঠন হিসেবে WATAGএ আপনাদের নেতৃত্ব চাই।

Thursday, May 5, 2016

উত্তররঙ্গঃ দিনাজপুরঃ ১৪২৩ - বৈঠক

উইাভর্স, আর্টিজান অ্যান্ড ট্রাডিসনাল পার্ফর্মিং আর্টস্টস গিল্ড এর বৈঠক ছিল সংঠনের দপ্তর মুস্কিপুর, দিনাজপুরে। এই বৈঠকের মূল বিষয় ছিল আগামী ২৭ তারিখের গিল্ডের মুষ্কিপুরের উত্তররঙ্গঃ দিনাজপুরঃ ১৪২৩ অনুষ্ঠান সফল করা। এবং প্রাকৃতিক বিষমুক্ত চাষে অঙ্গীকার করা। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শাল্কু টুডু।
সেদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আদি লোক মঞ্চ, ঐকতান, জিয়ৌ বীরবাহা জদৌসি আখড়া, সরস্বতী খন নাট্য সংস্থা, দিনাজপুর নাট্য সমাজ, সমাজ সুসার লোকসংস্কৃতি নাট্যদল, কাতলামারী আদিবাসী নাট্যদল, শিবশক্তি আদিবাসী লোকনৃত্য সংস্থা, চৌদুয়ার মহিলা নাট্য দল, নয়াপাড়া জংজারিমোর্শিয়া, সাউড়িয়া ঘোড়া নৃত্য সংস্থা, পল্লিশ্রী মালটিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি, লোকচৈতন্য গীতিনাট্য সংস্থা, অমৃত বাঊল ও লোকগাণ প্রসার সমিতি, টাঙ্গন লোক মঞ্চ, কলাবতী মুদ্রা, বঙ্গীয় পারম্পরিক কারু ও বস্ত্র শিল্পী সংঘ, বঙ্গীয় পারম্পরিক অভিকর শিল্পী সংঘর সদস্যরা। এঁরা সক্কলে গিল্ডের সদস্য।
বৈঠকে সক্কলে এই অনুষ্ঠান সফল করতে উদ্যোগী হবেন জানান।
অনুষ্ঠান পরিকল্পনাঃ
১। সকাল ১০.০০ - গ্রাম প্রদক্ষিণ
২। ১১.০০ - অনুষ্ঠান উদ্বোধন, অধ্যাপক অনিল ভুইমালি এবং প্রবীণ শোলা শিল্পী সুনীল মালাকার, এছাড়া উপস্থিত থাকবেন সুখবিলাস বর্মা, অধ্যাপক আনন্দগোপাল ঘোষ, অধ্যাপক দীপঙ্কর দে, অধ্যাপক উদ্দীপন নাথ, সুনীল চন্দ এবং গিল্ডের সম্পাদক মধুমঙ্গল মালাকার এবং জেলার প্রবীণ শিল্পীরা
৩। অতিথি বরণ এবং সম্মাননা প্রদান
৪। আলোচনা সভা
৫। দুপুরের খাবার
৬। ২.০০ থেকে অনুঠান আরম্ভ শেষ রাত ৮.০০ - গিল্ডের প্রত্যেক সদস্য দল এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে
এই অনুষ্ঠান সফল করতে দুটি দল তৈরি হয়
সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্য তাদের মত জমির এক অংশ প্রাকৃতিকভাবে চাষ করার অঙ্গীকার করেন। সংগঠনের পক্ষে বলা হয় কেউ চাইলে তার উৎপাদন বাজারে বিক্রি ব্যবস্থা করা যাবে - অবশ্যই পরিবারের খাওয়ার পরে যা থাকবে। মোটামুটি বোঝা গেল কম করে ২০/৩০ বিঘা এ বছর চাষ করা যাবে।
জেলার দূরদুরান্ত থেকে আগত প্রতিনিধিরা বৈঠক শেষে দ্বিপ্রাহরিক আহার সেরে যান।
বিকেলে গিল্ডের একটি দল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক অনিল ভুইমালির সঙ্গে দেখা করতে যান। তিনি ২৭ তারিখের অনুষ্ঠানে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।