Friday, November 18, 2016

অর্থনৈতিক অবরোধের বিরুদ্ধে উইভার্স আর্টিজান এন্ড ট্রাডিসনাল আর্টিস্তস গিল্ডের বক্তব্য

দিল্লির উপনিবেশ বিরোধী চর্চা
জরুরি অবস্থা সমাগত
গোটা দেশটা অন্তত ৯০শতাংশ মানুষ নগদ টাকায় পণ্য সেবা বদল করেন। এই অর্থনীতিকে ধ্বংস করে ঘুর পথে মানুষের বিরুদ্ধে অবরোধ রচনা করে টাকা ছাড়া বড় পুঁজির কিছু সওদাগরের হাতে তাকে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে। এই চক্রান্তে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শামিল।
গ্রাম বাংলায় এখন চলছে ধান কাটার পালা। প্রতেক দিন বাংলা জুড়ে প্রত্যেক সন্ধ্যায় কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতবদল হওয়ার কথা। অথচ মানুষের হাত ফাঁকা। কোন টাকা নেই মানুষের হাতে। অর্থনীতি রুদ্ধ।
শহরে তবু কিছু ভাগ্যবান এটিএমে গিয়ে টাকা তুলতে পারছেন। গ্রামে সেই সুযোগও নেই। ফলে গ্রামীন সম্পূর্ণ অর্থনীতি বসে গিয়েছে।
বঙ্গে এক দিন মাঠে ধান কাটার রোজ ৩৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা। হাতে সাধারণ মানুষের একটা দু্টো ৫০০ টাকা থাকেই। আজ সে নিঃস্ব। সব থেকে ক্ষতি হয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের। কারিগর এবং কৃষি অর্থনীতির বড় অংশিদার মহিলারা। তারা নিঃস্ব।
টাকা তোলা কোম্পানিগুলি গ্রাম থেকে কত তুলেছিল আমরা জানি। সেটা গোটা অর্থনীতির মাত্র একাংশ। গিল্ড থেকে দেখিয়েছি ৬০ লক্ষ পরম্পরার উদ্যমী বছরে অন্তত ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থনীতি চালায়, সেটা চাষ ছাড়া। ফলে চোখে দেখতে না পাওয়া এই বিশাল গ্রাম বাঙলার অর্থনীতি দাঁড়িয়ে পড়েছে।
গ্রামে একটা সুবিধে আছে নগদ অর্থনীতি ধারে চলে। হয়ত খাওয়ার অসুবিধে হবে না, কিন্তু অন্যান্য ব্যয় - হাসপাতাল, অসুখ, অন্য কেনাকাটা, মাইনে, ইত্যাদি কি করে হবে?
খুব খারাপ গ্রাম ভিত্তিক ছোট জেলা শহরগুলোয় যেখানে মানুষ বিনা পয়সায় কিছু পায় না অথচ বাঁচতে হয়। সেখানকার মানুষ কি করে জীবন ধারণ করবে।
কলকাতায় যদি অবস্থা সামাল দিতে/বুঝতে মুখ্যমন্ত্রীকে পথে নামতে হয়, তাহলে দূর গ্রামের অবস্থা কেমন তা আন্দাজ করার মত বীক্ষা আপনাদের রয়েছে।
১% মানুষের জন্য ৯৯% মানুষের বিরুদ্ধে যু্দ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রিয় সরকার।
সর্বশক্তি দিয়ে এর বিরুদ্ধাচরণ করতে হবে।
কেননা স্বয়ং প্রধান মন্ত্রী কর্পোরেটদের হয়ে নিজের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন।
জরুরি অবস্থা সমাগত।
Post a Comment