Showing posts with label লোহা প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label লোহা প্রযুক্তি. Show all posts

Tuesday, November 27, 2018

উপনিবেশ বিরোধী চর্চা - রাষ্ট্রীয় উদ্যমে দেশিয় প্রযুক্তির অন্তর্জলী যাত্রা - পশ্চিমই প্রযুক্তির শেষ কথা এটা একমাত্র ভদ্রবিত্তরাই জানে

ঔপনিবেশিক নীতি অনুসরণ করে স্বাধীন উপমহাদেশের দেশগুলো তিলে তিলে এই প্রযুক্তিবিদদের ঘেটো বন্দী করে দিলাম - বাংলায় সরকারি উদ্যমে বর্ধমানে, বাঁকুড়ায়, পুরুলিয়ায় ইত্যাদি। একদা বাংলার বিশ্বজয়ী প্রযুক্তি স্রেফ নেই করে দিলাম ঘর সাজানোর পণ্য তৈরির গাজর দেখিয়ে - লোকউদ্যম বলে সরিয়ে রেখে দিলাম ভদ্রবিত্ত শিক্ষিত লোক সংস্কৃতিপিয়াসীদের খাদ্য করার জন্যে, শখ, পিএইচডি আর কেরিয়ার ভিত্তিক বিদেশ ভ্রমণ সম্পন্ন সম্পন্ন করার জন্যে।
কেননা লোহার, ডোকরা কামার, বিশ্বকর্মা ইত্যাদিরা বিপুলাকারে উৎপাদন করতে থাকলে কর্পোরেটদের ভয়ঙ্কর সমস্যা। জং পড়া ধাতু প্রযুক্তির বাজার পাওয়া মুশকিল হয়ে যাবে। 
এঁরা একসময় পরিযায়ী ছিলেন, গ্রামে গ্রামে গিয়ে গৃহস্থের কাজ করতেন - কমল মজুমদারের একটা ছোট্ট দেড় পাতার লেখা আছে পড়ে দেখতে পারেন। এরা যদি গৃহস্থের সেবাই দ্যায় পুরোনো ভাঙ্গা ব্যাঁকা ধাতুর তৈজস গলিয়ে তাহলে কর্পোরেট বিপুল বিশাল মিলের নিকৃষ্ট কিন্তু বিজ্ঞাপনীয়ভাবে উতকৃষ্টি পণ্য বিক্রি হবে কি করে?
ঠিক যেমন মিলে ভাল কাপড় না হলেও আজও মিল কোম্পানিরা সরকারের বিপুল ভর্তুকি পেয়ে থাকে - আর তাঁতিরা স্রেফ উপেক্ষা।





























Sunday, July 1, 2018

সামাজিক প্রযুক্তির পরিযায়িতা - গণপ্রযুক্তির আসল বিশ্বায়ন - উপমহাদেশের লোহা কারিগরেরা

দেখুন কিভাবে আফ্রিকায়, (এবং এশিয়ায় এই উপমহাদেশে আজও) বিশ্বের সেরা লোহা মাত্র কয়েকঘন্টার হাতে তৈরি চুল্লিতে তৈরি হয়। এই প্রযুক্তি বিশ্বের যে কোন প্রান্তে লোহা চুর থাকলেই চালানো যায়। তার জন্যে যায়গা দখল করতে হয় না, বিপুল বিনিয়োগ করতে হয় না, প্রকৃতি ধ্বংস করতে হয় না, মানুষ উচ্ছেদ করতে হয় না, মানুষের সম্পদ লোহাচুর রাষ্ট্রের সেনার মদতে দখল করতে হয় না।
উপমহাদেশে এই ছাগল চামড়ার হাপর হাতে নয় সাধারণত পায়ে চালানো হয়, ঢেকি পাড়ার মত করে। এই পদ্ধতিতে তৈরি হয় বিশ্বের সেরা লোহা। এলুইন থেকে ধরমপাল থেকে আইআইটি থেকে টাটা থেকে জাপানিরা কে না উপমহাদেশের ধাতুবিদ্যা কারিগরি নিয়ে প্রকাশিত-অপ্রকাশিত নথিকরণ করেন নি।
ধরমপাল বলছেন উপমহাদেশে ১৯১০-১৫ সাল পর্যন্ত এই রকম ১৫-২০ হাজার পরিযায়ী চুল্লি ছিল। বহু লোহাকম সম্প্রদায় পরিযায়ী ছিলেন। হীতেশ সান্ন্যাল বলছেন এক সময়ে বীরভূমের ডেউচ্যা এলাকায় লোহা গলিয়ে গ্রামের বাইরে কর্মকার রেখে তাদের দিয়ে তৈজস বানাতেন সাঁওতাল সমাজ।
কর্পোরেটরা ক্রুসিবল ইস্পাত বানানোর প্রযুক্তি চুরি করার চেষ্টা করেছিল। উতপাদনের প্রকৃতির কারনেই পারে নি। আগে উল্লিখিত ২০ হাজার চুল্লির ৩৬-৪৪ সপ্তা কার্যকর থাকত, এগুলোর প্রত্যেকটির বাতসরিক গড় উতপাদন ক্ষমতা ছিল ২০ টন। এই চুল্লি বর্ষার আগে ভেঙ্গে দেওয়া হত, আর আবার বর্ষার পরে আবার তৈরি করে নেওয়া যেত।
আজও কর্পোরেট এই গুণমানের জংবিহীন ইস্পাত তৈরি করতে পারে নি। এখনো পুরোনো পরিবারগুলির পুজোর ঘরের কয়েকশ বছরের পুরোনো নানান জিনিস, রাস্তায় খোলা আকাশের তলায় পড়ে থাকা কয়েকশ কামান, ইওরোপের জাদুঘরগুলিতে রাখা কিছু দামাস্কাস তরোয়াল, দক্ষিণী, মধ্যভারতীয়, পূর্বভারতীয় এবং উত্তরপূর্বের গারোপাহাড় অঞ্চলের লোহাকম কারিগরদের বিপুল দক্ষতার নিদর্শন পেশ করছে।
মুল পোস্টে Blunt Kommunity লিখেছিলেন
The making of an iron tool in West Africa, from building the kiln, smelting and forging the iron into tool to celebrating the successful project.
Soumen Nathদাদা সূত্রে ভিডিওটা জানা গেল  
https://www.facebook.com/biswendu.nanda/videos/10216319223244088/

Monday, June 25, 2018

সামাজিক প্রযুক্তির পরিযায়িতা - গণপ্রযুক্তির আসল বিশ্বায়ন

দেখুন কিভাবে আফ্রিকায়, (এবং এশিয়ায় এই উপমহাদেশে আজও) বিশ্বের সেরা লোহা মাত্র কয়েকঘন্টার হাতে তৈরি চুল্লিতে তৈরি হয়। এই প্রযুক্তি বিশ্বের যে কোন প্রান্তে লোহা চুর থাকলেই চালানো যায়। তার জন্যে যায়গা দখল করতে হয় না, বিপুল বিনিয়োগ করতে হয় না, প্রকৃতি ধ্বংস করতে হয় না, মানুষ উচ্ছেদ করতে হয় না, মানুষের সম্পদ লোহাচুর রাষ্ট্রের সেনার মদতে দখল করতে হয় না।
উপমহাদেশে এই ছাগল চামড়ার হাপর হাতে নয় সাধারণত পায়ে চালানো হয়, ঢেকি পাড়ার মত করে। এই পদ্ধতিতে তৈরি হয় বিশ্বের সেরা লোহা। এলুইন থেকে ধরমপাল থেকে আইআইটি থেকে টাটা থেকে জাপানিরা কে না উপমহাদেশের ধাতুবিদ্যা কারিগরি নিয়ে প্রকাশিত-অপ্রকাশিত নথিকরণ করেন নি।
ধরমপাল বলছেন উপমহাদেশে ১৯১০-১৫ সাল পর্যন্ত এই রকম ১৫-২০ হাজার পরিযায়ী চুল্লি ছিল। বহু লোহাকম সম্প্রদায় পরিযায়ী ছিলেন। হীতেশ সান্ন্যাল বলছেন এক সময়ে বীরভূমের ডেউচ্যা এলাকায় লোহা গলিয়ে গ্রামের বাইরে কর্মকার রেখে তাদের দিয়ে তৈজস বানাতেন সাঁওতাল সমাজ।
কর্পোরেটরা ক্রুসিবল ইস্পাত বানানোর প্রযুক্তি চুরি করার চেষ্টা করেছিল। উতপাদনের প্রকৃতির কারনেই পারে নি। আগে উল্লিখিত ২০ হাজার চুল্লির ৩৬-৪৪ সপ্তা কার্যকর থাকত, এগুলোর প্রত্যেকটির বাতসরিক গড় উতপাদন ক্ষমতা ছিল ২০ টন। এই চুল্লি বর্ষার আগে ভেঙ্গে দেওয়া হত, আর আবার বর্ষার পরে আবার তৈরি করে নেওয়া যেত।
আজও কর্পোরেট এই গুণমানের জংবিহীন ইস্পাত তৈরি করতে পারে নি। এখনো পুরোনো পরিবারগুলির পুজোর ঘরের কয়েকশ বছরের পুরোনো নানান জিনিস, রাস্তায় খোলা আকাশের তলায় পড়ে থাকা কয়েকশ কামান, ইওরোপের জাদুঘরগুলিতে রাখা কিছু দামাস্কাস তরোয়াল, দক্ষিণী, মধ্যভারতীয়, পূর্বভারতীয় এবং উত্তরপূর্বের গারোপাহাড় অঞ্চলের লোহাকম কারিগরদের বিপুল দক্ষতার নিদর্শন পেশ করছে।
মুল পোস্টে Blunt Kommunity লিখেছিলেন
The making of an iron tool in West Africa, from building the kiln, smelting and forging the iron into tool to celebrating the successful project.
Soumen Nathদাদা সূত্রে ভিডিওটা জানা গেল।
https://www.facebook.com/biswendu.nanda/videos/10216319223244088/