Showing posts with label আফ্রিকা. Show all posts
Showing posts with label আফ্রিকা. Show all posts

Friday, March 13, 2020

কোভিদ ১৯ - একটি প্রতিশোধের পালা

অতীতে যেমন বিভিন্ন উপমহাদেশে ইওরোপ উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে মহামারী ছড়িয়ে কোটি কোটী মানুষ মেরেছিল, আজ সেইভাবে কোভিদ ১৯ সারা ইওরপোপে ছড়িয়ে পড়ছে মহামারীরূপে। আফ্রিকায় তার কোনও প্রভাব নেই জলবায়ুর জন্যে।
ভীতসন্ত্রস্ত প্রাণভয়ে মরমর ইওরোপিয়রা হিস্টিরিয়াগ্রস্তভাবে উপদ্রুত এলাকা ছেড়ে আফ্রিকার দিকে পালাতে শুরু করছে। তারা মধ্যপ্রাচ্য পেরিয়ে ছোট ছোট নৌকো করে নিজেদের এঁটে নিয়ে গ্রিক আর তুর্কির উপকূলের দিকে প্রাণ হাতে করে নৌকো বাইবে নতুন মহামারি মুক্ত ভৌগোলিক এলাকা খুঁজে বেড়াতে।
তারা যখন আফ্রিকার উপকূলে এসে পৌঁছবে, একদা তারা ইমিগ্রেশন রোখার জন্যে যে ধরণের দেওয়াল তৈরি করেছিল, সেটি তাদের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে; সেই নীতি ব্যাকফায়ার করবেই করবে। উত্তর আফ্রিকার বাহিনী উপকূলে দাঁড়িয়ে তাদের দিকে গুলি ছুঁড়বে কোনও দয়ামায়া ছাড়া - তাদের স্মৃতিতে চারশো বছরের কলোনিতে থাকার ঘৃণা। গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে তারা বলতে থাকবে, তোরা কীটেরা ইওরোপে পালা, আমরা তোদের চাই না, তোদের গরীবি চাই না, তোদের রোগ চাই না, আমরা তোদের কীটের অধম মনে করি।
আর যদি চিত্রনাট্য লেখক সিনেমায় আরেট্টু মসালা গুঁজে দিতে চান, তাহলে কয়েকজন আফ্রিকিয় মাফিয়া চরিত্র তৈরি করবেন, যাদের কোটি কোটী ডলার/পাউন্ড দিয়ে হাতে গোণা ইওরোপিয় সমস্ত কিছু ভালবাসার জিনিস ত্যাগ করে আফ্রিকায় ঠাঁই নেবে অমানবিক একটা কোয়েরেন্টাইন আশ্রয়স্থলে।
কৃতজ্ঞতা অনির্বাণদা
মূল লেখা স্পেনিয় চলচ্চিত্রকার ডেভিড ত্রুয়েবার, প্রকাশিত হয়েছিল এল পাইস পত্রিকায়

Monday, June 25, 2018

উপনিবেশ বিরোধী চর্চা - শল্য চিকিৎসা এশিয় আর আফ্রিকিয় প্রথা - ইওরোপিয়রা চুরি করেছে

সকালটা সুমধুর করে দিলেন Sharifus Salekin Shahanদাদা। তিনি আফ্রিকার মাথায় শল্য চিকিৎসার চিকিৎসকের কৃতি তুলে ধরেছেন।
আমরা বলব উপমহাদেশের কৃতি। উপমহাদেশে শল্য চিকিৎসা চিকিতসকেদের কাছে দুধভাত খাওয়ার মত স্বাভাবিক ছিল। উপমহাদেশের ইওরোপিয়দের নথিকরণ থেকে অষ্টাদশ শতকের উপমহাদেশের নানান জ্ঞানচর্চার নথিকরণ করেছেন ধরমপাল। তার বক্তব্য আমি যদি আমার দেশের জ্ঞান নিজে নথিকরণ করি, তাহলে ওরা বলবে এটা তুমি সাজিয়েগুজিয়ে বলছ। তাই আমি তাদের কাজকেই তুলে ধরছি।
ধরমপালের প্রবন্ধ নির্ভর করে ডি পি আগরওয়ালের এবং কে নটরাজনের আরও একটা প্রবন্ধ তুলে দিলাম। বছর চারেক আগে এক লন্ডনের ইওরোপিয় ডাক্তার তুলে তুলেধরেছিলেন, কিভাবে প্লাস্টিক সার্জারি তারা উপমহাদেশের চিকিতসকেদের থেকে নকল করেছেন, সে ওয়েবসাইটটা হারিয়েছি।
কিন্তু যা আছে তা অতি গুরুত্বপূর্ণ।
সেই হারানো জ্ঞানের কাছে প্রণত হই।

এবারে Sharifus Salekin Shahanদাদার লেখাটি
আফ্রিকার এক ঝাড় ফুঁক কবিরাজের ( উইচ ডক্টর ) হাতে ব্রেন সার্জারি।
বর্তমানে আমেরিকা ইউরোপের সবচেয়ে জটিল ও খরুচে চিকিৎসা হল ব্রেন সার্জারি । অদুর ভবিষ্যতেও অবস্থা খুব একটা পাল্টাবে না।
অথচ দেখুন এক্কেবারে সাধারন যন্ত্রপাতি, কোন রকমের অপারেশন থিয়েটার নেই, অকিসজেন নেই এমন কি অজ্ঞান করার জন্য চেতনা নাশক নেই - আফ্রিকার প্রাচিন সেই বিদ্যা ইউরোপীয় আগ্রাসনের কবলে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
দীর্ঘ সময় ধরে সার্জারি চলছে তাই রোগিকে একটু বিশ্রাম দেয়া হল, সে কিছু খাওয়া দাওয়াও করল । সার্জনরাও খানিক বিশ্রাম নিয়ে খাওয়া দাওয়া সারলেন । তারপর আবার সার্জারি শুরু।
ওই গ্রাম্য কাবিরাজের হাতে ব্রেন সার্জারির সফলতার হার - মাত্র ৯৬ %।
https://www.facebook.com/299199820174323/videos/1031924580235173/?fref=mentions