Showing posts with label উইলিয়াম ডালরিম্পল. Show all posts
Showing posts with label উইলিয়াম ডালরিম্পল. Show all posts

Monday, June 3, 2019

মসলিন পরিহিত হুঁকা হাতে ঢাকার নারী

১৭৮৯ সালে ফ্রান্সিসকো রেনাল্ডির আঁকা মসলিন পরিহিত হুঁকা হাতে ঢাকার নারী।
ছবিটিতে আন্দাজ করা হচ্ছে একজন বিবি বাড়ির একটি ছোট ঘরে দামি কালীনের ওপরে রাখা তাকিয়ার ওপর হেলান দিয়ে হাতে গড়গড়ার নল নিয়েছেন। তাঁর বাঁ হাতে দামি অলঙ্কার এবং গলায় হার। হুঁকো ছাড়াও আছে একটি পানদান, এবং অলঙ্কৃত জুতো।.
তিনি পরে আছেন সবুজ আর কমলা রঙের কাজের সোনার ব্রোকেডওয়ালা বুটিদার অসম্ভব দামি পেশোয়াজি কুর্তা। পেশোয়াজ দিয়ে মাথা ঢেকেছেন। তার দুপাট্টাটি দুপাশে পরা যায় এমন শাল বা স্কার্ফ আর পাড়টি সোনালি মসলিন জরির কাজ করা।প্রচুর গহনা পরে আছেন গলায় হার, হাতে চুড়ি, কানে বড় কানছাবি, বিশাল নাকছাবি, পায়ে নুপুর, পা আর হাতের প্রত্যেক আংগুলে দামি পাথর রত্নরাজির আংটি। যে আলো ঘরেতে পড়েছে, এটি বিশ্লেষণ করে বোঝা যাচ্ছে ছবিটি হয় জানুয়ারি মাসের বিকেল ৫.৪৫এ অথবা আগস্টের ৭টায় আঁকা হয়েছে। ছবিটি ১৭৮৯ সালের আগস্টে আঁকা হয়েছে।
আঁকিয়ে সম্বন্ধে কিছু কথা
ফ্রান্সিসকো রোনাল্ডির সম্বন্ধে খুব বেশি কিছু জানা যায় না। ১৭৭৬এ রয়্যাল একাডেমি স্কুল থেকে বেরিয়ে ওয়েলসের আঁকিয়ে টমাস জোনসের সঙ্গে ইতালি যান। ১৭৮৩তে লন্ডনে ফিরে এসে ২ পর্তুগাল স্ট্রিটে আঁকার কাজ করতে থাকেন কিন্তু খুব বেশি সুবিধে করতে পারেন না।
১৭৮৫তে তিনি ভারতে আসার জন্যে কোম্পানির কাছে অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি কলকাতা পৌঁছন ১৭৮৬র আগস্টে। দশ বছর তিনি কলকাতা, লখনৌএর আওধের নবাব উজির আসফুদৌলা এবং ঢাকায় কাটান। সে সময় ভারতে ছবি আঁকার কাজ করতে গেলেও সরকারের অনুমতি লাগত। তার সঙ্গে সে সময় ছিলেন উইলিয়াম হজেস, জন জোফানি, টিলি কেটল, ওজিস হাম্ফ্রে(আর কাজ ইয়েল এন্টার ফর ব্রিটিশ আর্টসে আছে)। তারা নবাব, ব্রিটিশ সেনানায়ক, পুরুষ অভিজাতর ছবি আঁকলেও মহিলাদের খুব বেশি ছবি আঁকা নেই। তিনি ১৭৯৬তে লন্ডনে ফিরে যান। ৯৭ সালের গ্রীষ্মে তিনি রয়্যাল একাডেমিতে একটি প্রদর্শনী করেন। তার পরে ইতিহাসে আর তাঁর কোনও খোঁজ মেলে নি।
-
২০১৪তে ছবিটি টুইটারে শেয়ার করেন উইলিয়াম ডালরিম্পল
বয়ানটা পেয়েছি http://angustrumble.blogspot.com/…/lab…/nabobs%20and%20bibis সূত্রে