Saturday, June 11, 2016

পরিবর্তন এসেছে বাংলায়

যেই রেওয়াজটা আজ ভেঙে দিলেন অনিল ভুইমালি মহোদয় - ভারতের কোন বিশ্ববিদ্যালয়, সাধারণ একটি গাঁইয়া বেসরকারি সংগঠনের সঙ্গে(দাতা সংগঠন বাদ দিয়ে) কাজ করবে এটা ২০১১ সালে ভাবা যেত না, হয়ত রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে হয়ত ভাবা যায় না।
পরিবর্তন বললে কম বলা হবে - বলা দরকার বৌদ্ধিক বিপ্লব।
উইভার্স, আর্টিজান এন্ড ট্রাডিশনাল আর্টিস্টস গিল্ড রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রস্তাব দিয়েছিল গ্রাম-সংস্কৃতি বিষয়ে একটা শিক্ষা কেন্দ্র খুলতে। সেখানকার উপাচার্য অধ্যাপক অনিল ভুইমালি মহাশয়, এক কথায় রাজি হয়ে গেলেন। ভাবা যায় না - সত্যিই ভাবা যায় না - উপাচার্য পদটি ক্যাবিনেট মন্ত্রীর স্তরের পদ। যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সাধারণত মন্ত্রীদের মত সাধারণ মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন -
হয়ত অচলায়তনী শিক্ষিত সমাজের উন্মুক্তির কিছু ছোঁয়া লাগছে আমাদের শিক্ষাকেন্দ্রগুলোর অচলায়তনে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরে একটা বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম গ্রামীন প্রযুক্তি বিষয়ে এক বিভাগের - কিছু জানি না বলে মন্তব্য করা যাচ্ছে না। কিন্তু রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় যা করল তা অন্তত বাংলায় ব্যতিক্রমী।
কল্যানীতে ফোকলোর দপ্তর আছে - কিন্তু সেই পশ্চিমি ঐতিহ্য অনুসারী শিক্ষাদান প্রক্রিয়া, পঠন পাঠন প্রক্রিয়া - তার সঙ্গে বাংলার মাটির ঐতিহ্যের কোন টান নেই - লুপ্তপ্রায় 'লোকসংস্কৃতি' শিক্ষা দানের 'মহৎ' কর্ম চলে - যার কোন প্রায়োগিক ভূমিকা নেই এই বাংলার উদ্যমচর্চায় বা জ্ঞানচর্চায়।
রায়গঞ্জ চিনেছে নিজেদের মাটি, সে চিনেছে নিজের সংস্কৃতি
Post a Comment