Wednesday, August 8, 2018

পাট আর চা নিয়ে ভাবুক বাংলা সরকার

Prabir Biswasএর সঙ্গে একটি ক্ষুদ্র আলোচনার ভিত্তিতে এই লেখাটি তৈরি হল।
--
বিপুল সখ্যক বাঙালি পাট চাষ করেন, বিপুল সংখ্যক মহিলা-পুরুষ পাট প্রক্রিয়া করে্ন। দিনাজপুরের প্রায় ১ লক্ষ রাজবংশী মহিলা পাট দিয়ে ধোকড়া করেন যা শতরঞ্চি হিসেবে নিজের সমাজে অসম্ভব আদৃত আর গোটা পূর্ব-উত্তর ভারতে দরি হিসেবে ব্যবহৃত হতে যায়। দিনাজপুরের হাটগুলো থেকে প্রত্যেক হাটবারে প্রচুর ট্রাক বিহার ঝাড়খন্ড উত্তরপ্রদেশ যায়।
পাট মানে মিল নয়। সারা বিশ্ব এখন যখন প্লাস্টিকের উল্টোদিক ঝুঁকছে সেখানে বাংলার পাটের ব্যবহার কেন নতুন দিন দেখবে না?
পাট বিপুল সংখ্যায় উত্তরবঙ্গে তিস্তা অববাহিকা দিনাজপুর জলপাইগুড়ি কোচবিহা্রে হয়। ২৪ পরগণা এখন পাট চাষ কমতির দিকে। আর জৈব পাটের প্রচুর দাম। চাষীরা জৈব পাট চাষের দিকে ঝুঁকুক।
পাট প্রক্রিয়া করণে ফড়েদের হটাক সরকার।
বিশ্ববাংলায় আমাদের সদস্য নারায়ণ পৈতের পাট পাকানো থলে কি দামে বিক্রি হয় দেখ।
আর শস্তায় পাটের থলে বানানো যায় বাজার করার জন্যে। সরকার সেগুলো তৈরি আর ব্যবহার করতে সাধারণ মানুষকে উৎসাহ দিক। এখন রঙ্গিন পাট বোনা হচ্ছে।
সমস্যা হল এই ব্যবসায় বাঙালি নেই। গোটাটা উত্তরভারতীয়দের রমরমা। বিশ্বকাপে অলিম্পিকে সঙ্গঠনের পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া কয়েক কোটি থলে বাংলা থেকে পাঠিয়েছিল এক উত্তরভারতীয় ব্যবসায়ী।
--
চাও তাই। কিন্তু এটি চরিত্রে কর্পোরেট নব্য জমিদারি। চাবাগানের সঙ্গে এস্টেট শব্দটি জুড়ে থাকে। যারা চা বাগান নিয়ে ভাবেন, তাদের বাগানের মৌলিক চরিত্র বদল করার দিকে আন্দোলননের একটা দিক ঘোরাক। নইলে শ্রমিকদের এই সমস্যা থেকেই যাবে। বদলাবে না।
আরও সমস্যা হল এই দুটি ক্ষেত্রই মূলত উত্তরভারতীয় ব্যবসায়ী ফড়েদের হাতে চলে গ্যাছে। যাদের বাগান নিয়ে তার কাজ নিয়ে তার মানুষ নিয়ে বিন্দুমাত্র কোন সেন্টিমেন্ট নেই। এগুলোকে ব্যবহার করেভ তারা ব্যাঙ্কের টাকা লোটে।
--
এই দুটি ক্ষেত্রেই সরকারকে বিনিয়োগ করার দরকার নেই। সরকার শুধু স্থিতিশীলতা আনুক এই ক্ষেত্রে।
--
ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে ভাবার প্রচুর লোক আছে।
--
ফুল মাছ নিয়ে বাংলা সরকার ভেবেছে, করেছে।

No comments: