Sunday, August 4, 2013

গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ২, Ruins of Gour2

গত দুশ বছরের যে পাঠ্য ব্যবস্থা বাঙলায় আমরা বিকশিত করেছি(বা বাধ্য হয়েছি), সেই ব্যবস্থা বলে আমরা জেনে গিয়েছি বাংলার সাধারণ পরিকাঠামোগুলো তৈরি করেছে ইংরেজরা, বিগত আড়াই শতক ধরে। এবং সেই ব্যবস্থা গড়তে বাংলার নানান গুণীদের অবদান আমরা চিরস্মরণীয় করে রাখি নবজাগরণের ইতিহাস পড়ে। 
এটি আসলে আংশিক সত্য। বাংলার আজকের নগণ্য সব জনপদের ইতিহাস অন্য কথা বলে। বিগত কয়েক সহস্র বছর ধরে তন্ত্র, নারীভিত্তিক সভ্যতা গড়ে তুলেছে বাংলা তথা পূর্বভারত। ভারতবর্ষের নানান এলাকার দর্শনের সঙ্গে সাযুজ্যে, সেই ভৌগোলিক এলাকা অতি প্রাচীন কাল থেকেই অতি সমৃদ্ধ এক বিকাশ পদ্ধতি গড়ে তুলেছিল। যে বিকাশের ধারনা আদতে বর্তমানের উন্নয়নের ধারনার বিপরীত। এই বিকাশ চাহিদাভিত্তিক উন্নয়নের ধারনার ঠিক বিপরীত। প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে, পরস্পরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলার রাস্তা তৈরি করা। সেই ক্রমে আমরা আজ গৌড়ের চিত্র আঁকব।

The British has developed our education system. The system tell us that before the British there was dark age. But if we travel the cities, towns and villages of Bengal, we may see the richness, tradition and the hidden wealth of the old days.
From time immemorial Bengal as well the eastern part of India along with other parts of BhartBarsha, developed a paradigm of development which is quite different from western notion of development. These geographical region tells us the story within. 


সুলতান হুসেইন শাহ্‌ সমাধির দরজা, জেমস মোফাত, ১৮০৮(Gate of Sultan Shah Hussein's tomb at Gour' James Moffat, 1808)


দাখিল গেটের দক্ষিণ দিক, ১৮৬০এর হেনরি র‍্যাভেনশর তোলা ছবি(Gaur. Dakhil Gate. South View; a photo by John Henry Ravenshaw, 1860's)

বড় সোনা মন্দির, ১৮২০(Golden Mosque [Bara Sona Masjid] 1820)

দাখিল দরজা, হেনরি গরডন ক্রেঈটন, ১৮১৭ (The Da'khil Gate; an aquatint by Henry Gordon Creighton, 1817)

ছোট সোনা মসজিদের ভেতরের অংসবিশেষ(Inside of the Chuta Suna [Chota Sona] Masjid, or small Golden Mosque)
Post a Comment