Saturday, May 21, 2016

দ্য মুঘল এডমিনিস্ট্রেশন - যদুনাথ সরকার

তৃতীয় অধ্যায়
অর্থ ও ঘরগেরস্তি(হাউসহোল্ড) দপ্তর৩
আ। যে সব ব্যয়ে সিয়াহা নয়, দেওয়ানের দপ্তরে আওয়ারিজা যেত
১। খানসামার দপ্তর – আবদার-খানসামা
২। আগ্রা দুর্গের আটবাহুবিশিষ্ট বুরুজের জিনিসপত্র
৩। আসবাবইমবলঘি(?)
৪। আজনা – বিভিন্ন ধরণের তৈজস
৫। কলসি ধারকের দপ্তর আফতাবাচি-খানা
৬। কারখানা(স্মিথি)
৭। চার ব্রাঞ্চের রান্নাঘর
৮। তথ্য – বস্তা-খানা
৯। পান দপ্তর – ক। পান খ। পানের সরঞ্জাম
১০। ভাণ্ডা-খানা – বড় মাটির কলসি দপ্তর
১১। তোপ-খানা – কামান দপ্তর নয় – সম্রাটের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীদের ব্যবহৃত বন্দুক দপ্তর
১২। বর্জ্য খানা(চৌদল খানা)
১৩। চিনা তৈজসের ভাণ্ডার
১৪। কড়ির ভাণ্ডার – খার-মুড়া
১৬। চামড়ার জিনিসের মালখানা
১৭। কসাইখানা
১৮। চরকি-খানা(বাজির মালখানা?)
১৯। সুগন্ধী খানা
২০। প্রাসাদ
২১। বলদের খাদ্য
২২। উটের(লেখা হয়েছে বাঘের) খাদ্য
২৩। মুক্তো ঝিনুক সংগ্রহের দপ্তর(খাতাম বন্দি খানা)
২৪। খাদ্য ঢাকা জালের দপ্তর
২৫। ব্যালেন্স রুম – ডান্ডি খানা
২৬। তামার তৈজসের ঘর
২৭। থালা(ট্রে) খানা
২৮। সোনার কাজ করার খানা
২৯। ঘোড়ার জিন খানা
৩০। গাড়ির লাগাম খানা
৩১। সুখ-শয্যা(সুখের বিছানা – আওরঙ্গজেব দাক্ষিণাত্যে যাওয়ার সময় এটি নিয়ে গিয়েছিলেন, রাজসভার সংবাদপত্রে পাওয়া যায়)
৩২। জাল বা ফাঁদ খানা – এর চারটি বিভাগ – ক। চিতাবাঘ ধরার জাল, খ। হাতি ধরার জাল, গ। হাভেলির জন্য জাল ঘ। বর্ষা বাড়ির(বারিষ-খানা) জন্য জাল।
৩৩। বাতি এবং মোমবাতি খানা
৩৪। শরবত খানা
৩৫। চন্দন-তৈজস খানা
৩৬। পিরিচ এবং থালা এরও চার ভাগ ক। সোনার তৈজস, খ। তামার তৈজস, গ। দামাস্কাস তৈজস ঘ। খিরকিরা কুই(?)
৩৭। পশুর জন্য খাদ্য
৩৮। বিভিন্ন ধরণের নিশান ও শস্ত্র দপ্তরের ভৃত্যরা ক। নিশান, খ। তরোয়াল, গ। ধজদণ্ড(মেসেস), ঘ। বর্ষা।
৩৯। গ্রন্থাগার
৪০। ঘড়ি খানা(ঘড়িয়ালি)
৪১। মশাল খানা
৪২। মাটির তৈজস
৪৩। ফল
৪৪। সদানন্দ বা গাঁজা বা অন্যান্য শুকনো বিশেষ মাদক
৪৫। চিত্রখানা
৪৬। রূপোর তৈজস
৪৭। শের বা শিকারের চিতাবাঘের জন্য খাদ্য
(চলবে)
Post a Comment