Lokfolk লোকফোক forum of folk লোক tribal আদিবাসী culture সংস্কৃতি of West Bengal পশ্চিমবঙ্গ, বাংলা. LOKFOLK is Bengal বাংলা India's ভারতের traditional পারম্পরিক knowledge system জ্ঞানভাণ্ডার, history ইতিহাস, Indigenous technology প্রযুক্তি. We have two mass bodies গনসংগঠন Bongiyo Paromporik Kaaru O ও Bastro Shilpi Sangho; Bongiyo Paromporik Aavikaar Shilpi Sangho. Journal পত্রিকা, PARAM, পরম. Picture - KaaliKaach কালিকাচ, Dinajpur দিনাজপুর, Madhumangal মধুমঙ্গল Malakar মালাকার
Friday, July 11, 2014
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ৬, Organizational Activity At Dinajpur and Malda6
আকুলবালা আর তাঁর জামাই মাধব আর তাঁদের দলের সঙ্গে কথা বলে সেদিন রাতে আমরা মধুদার বাড়ি পৌছালাম।
পরের দিন সকালে গেলাম মালদায়। ক্ষেত্রীয় গান্ধী আশ্রমের দোকানে। আরও অনেক সোসাইটির দোকান বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। এদের দুটো খোলা - একটা অতুল মার্কেটে অন্যটা বাজারের দোতলায় । এই মরা বাজারে দুটোই খুব খারাপ ব্যবসা করে না। ৩৫ লক্ষ আর ৫০ লক্ষ টাকার।
পরে গেলাম পলাশদার দোকানে। শুনলাম আহবান এই সম্পাদক এসেছেন। এক কম বয়সী সুন্দরী, হাওড়ার কোনও কালেজের অধ্যাপিকা, পরম ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেখছেন। অনেক কথা হল তাঁর সঙ্গে আর পলাশদার সঙ্গেও। আমরা জানালাম যে যদি মালদার প্রখ্যাতদের নিয়ে একটি মিলন মেলা করা যায় পুজোর পরে, তাহলে কেমন হয়। তিনি সাগ্রহে সমর্থন জানালেন। বললেন তাঁকে অনুষ্ঠানের সময় জানিয়ে দিলে তিনি পরিকল্পনা করে দেবেন।
পলাশদার মত এত ভাল বইএর দোকান আমি কোলকাতায় দেখিনি। তিনি বলছিলেন এই অপাঠ্য বই বিক্রি করে তো আর দোকান চলে না। দেখা যাক আমরা কিভাবে তাঁকে সমর্থন করতে পারি। তাঁর দোকান বাঁচিয়ে রাখা আমাদের সক্কলের কর্তব্য।
সেখান থেকে গেলাম সুজাপুর। আসলে যেটি কোতোয়ালি নামে পরিচিত। ডায়মন্ড সোসাইটির কেউ ছিলেন না সেই বর্ষণ মুখর দুপরে। তাঁদের সব রয়েছে। কিন্তু নেই কাজ। তাঁরা বাজার থেকে রেশমের কাপড় তুলে নিয়ে বিক্রি করেন।
গেলাম জালালপুরের ক্ষেত্রীয় গান্ধী আশ্রমে যারা মালদার আর রায়গঞ্জের মোত তিনটে দোকান সামলান।
বিপুল পরিকাঠামো। না দেখলে বিশ্বাস হয় না। তাঁদের সঙ্গেও কথা হল। তাঁরা জানালেন হস্ত শিল্প রাখতে তাঁদের কোনও অসুবিধে নেই। কিন্তু কেন্দ্রীয় আম,অলাদের সমর্থন ছাড়া এ কাজ করা যাবে না।
পরের দিন যাওয়ার কথা বহরমপুরের সমতিতে। জানাগেল তাঁরা কেউ থাকছেন না।
পরের দিন সোজা সকালে বেরিয়ে বাস ধরে রাতে পৌঁছলাম কলকাতা।
রাস্তায় ঠিক হল আমরা সাবান শ্যাম্পু বানাব।
মধুদা বললেন পয়সা জোগাড় হয়ে যাবে।
আমার আরও প্রস্তাব ছিল গ্রামের পরম্পরার স্বাস্থ্য কর্মীদের তৈরি ব্যাথার তেল বাজার করা।
কলকাতায় এসে আমরা জগুবাজারে বিপ্লব্দের সঙ্গে বৈঠক করলাম। ওরা সাবান আর শ্যাম্পু তৈরির পদ্ধতি বলবে।
কাল কথা হল সুদেবের সঙ্গে।
সে মোমবাতি করবে। আমরা সাবান। দুজনে মিলে তা খাদির দোকানে আর ওর চেনাশোনা বুটিকে বিক্রি করব।
আর একটা ওয়েব সাইট করব। ই কমার্স। একটি সংগঠন ২৫ হাজার টাকা বাজেত ডীয়েছে। ওরা ফোন করলে মিটিঙের সময় ঠিক হবে।
লেবেলসমূহ:
Dinajpur,
Malda,
Organizational Report At Dinajpur and Malda,
Report,
আকুলবালাদের দলে,
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ,
মালদা
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ৫, Organizational Activity At Dinajpur and Malda5
তো তার পরে গেলাম আকুলবালাদের সোসাইটিতে। তাঁরা কেন চালাতে পারছেন না তা নিয়ে আলোচনা কাটা ছেঁড়া হল। অরূপদা বললেন তাদের হিসেব নিকেশ সব ঠিক করে রাখতে। ঘর ঝেড়ে ঝুড়ে রাখতে। তাঁতগুলো ঠিক ঠাক করে রাখতে। মিনিটস গুলোও সাফসুতরো করে রাখতে। ওরা বললেন যে আর ধারে কাজ করবেন না। কেউ যদি তাদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে চান, পারেন। অদের ওখানে প্রচুর মুখোশ আর মাটির কাজ পড়ে আছে। সেগুলোও ঠিক ঠাক করে রাখতে বলা হল।
লেবেলসমূহ:
Dinajpur,
Malda,
Organizational Report At Dinajpur and Malda,
Report,
আকুলবালাদের দলে,
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ,
মালদা
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ৪, Organizational Activity At Dinajpur and Malda4
লেবেলসমূহ:
Dinajpur,
Malda,
দিনাজপুর,
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ,
মালদা,
শান্তিদির তৈরি বাঁশের থালা
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ৩, Organizational Activity At Dinajpur and Malda3
কুনোর থেকে গেলাম চান্দোল হাটের সুতলি তৈরির কারখানায়। মনে পড়ছিল, সেখানে বছর দেড়েক আগে আমরা বিপুল সফল মেলা করেছিলাম। তো আগের বারে যখন ক্ষিরোদাদির বাড়ি যাই তিনি মিঠুন নামে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ করিয়েছিলেন। সে তখন ফতেপুরে এক সুতলির কারখানা বসিয়েছে। এবারে শুনলাম সেটিকে সে চান্দোল হাটের কাছে নিয়ে গিয়েছে। গেলাম সেখানে। সুতলি খুব ভাল নয়। আর দেখলাম কলাগাছের সুতলি। খুব খারাপ নয়।
কারখানা, পাশে মিঠুনদের বাড়ি
ক্ষিরোদাদি তাঁর বর আর অরূপদা
ঐ। গাড়িতে পিছনের আসনে বসে বিশ্বেন্দু। শুধু তাঁর হাত।
মিঠুনদের সুতলি হাতে আরূপদা
কলাগাছের সুতলি পরীক্ষা করা হচ্ছে
শেষ ছবি
লেবেলসমূহ:
Dinajpur,
Malda,
Organizational Activity,
চান্দোলে সুতলি কারখানা,
দিনাজপুর,
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ,
মালদা
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ২, Organizational Activity At Dinajpur and Malda2
সে খান থেকে গেলাম কুনোরে। কুনোর হোল দিনাজপুরের মাটির গ্রাম। পালেরাও করেন সঙ্গে রাজবংশীরাও পোড়ামাটির কাজ করেন। সম্প্রতি ডেভেলাপমেন্ট কন্সালট্যান্ট কর্পোরেট সংগঠনের এনজিও সেখানে কাজ করে তাঁদের পম্পরার দফারফা করে দিয়েছে। করে খাচ্ছেন কয়েক জন। উঠলাম দুলাল রায়ের বাড়ি। দেখলাম তাঁরা আর পোড়াচ্ছেন না। মাটি শুকিয়ে রঙ করে দিচ্ছেন। দুলালের বাড়ি মিটং হল। ছিল তাঁর ছেলেও।
| মাটির কাজ না পুড়িয়ে তাতে রঙ করে দেওয়া |
| নানান জিনিসের সঙ্গে শুকোতে দেওয়া হয়েছে মাটির পরম্পরার কাজ |
| মেলানো মেশানো কাজ - কিছু নতুন কিছু পুরোন |
| দুলাল আর তাঁর পুত্র |
| আর সঙ্গে অরূপদা |
| ঐ দূরে দেখুন কম্পিউটার |
| কম্পিউটার কী দেখা যাচ্ছে? |
| আরো কাছে |
| অরূপদা সঙ্গে |
লেবেলসমূহ:
Dinajpur,
Malda,
Organizational Activity দিনাজপুর,
কুনোরে কম্পিউটার,
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ,
মালদা
দিনাজপুর মালদা ভ্রমণ১, Organizational Activity At Dinajpur and Malda1
দোসরায় পৌঁছলাম মধুদার বাড়ি। সেদিন সকালে এল শ্রীনাথ টুডু, তাঁর বাঁশের কাজ নিয়ে। কেননা এর আগে সিআইআইএর সঙ্গে যখন স্থায়ী প্রদর্শনী নিয়ে কথা হচ্ছিল, তখন একটি বাঁশের কৌটো দেখে সৌগত মুখোপাধ্যায়, সিআইআই পূর্বাঞ্চল প্রধান জানিয়েছিলেন তাঁরা এটি একটা করে তাঁদের কর্মীদের উপহার দিতে ইচ্ছুক। কিন্তু সেটি আর একটু বড় হতে হবে যাতে ৫০০ মিলি জলের বোতল ধরে। সেই কথা শ্রীনাথকে আগেই জানান আমাদের সম্পাদক। আমরা(আমি, বিশ্বেন্দু আর অরূপ রক্ষিত) মধুদার বাড়িতে শ্রীনাথ টুডুর সঙ্গে বৈঠক করি। সে জিনিসগুলো দেয়। আরো দুএকটা ছোট বৈঠক সেরে আমরা দুজন আর মধুদা গাড়ি করে বেরই প্রথমে রায়গঞ্জের উদ্দেশ্যে। সেখানে ক্ষেত্রীয় গান্ধী আশ্রমের দোকান দেখি। কথা হয় যে আমরা যদি বাঙলার শিল্প রাখার ব্যবস্থা করি তাহলে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। সেখানে এলেন নকশালবাড়ি থেকে কাঠ খোদাই শিল্পী আশু বাগচী। তাঁর কয়েকটি শিল্প দ্রব্যের ছবি তুললাম।
সেখান থেকে গেলাম হেমতাবাদ। সঙ্ঘের কর্মী অঞ্জলীর বাড়ি। তাঁরা পাটের থলে তৈরি করেন। ধুপও তৈরি করেন। নিচের দুটো ছবি তাঁদের বাড়ির।
| রায়গঞ্জের ক্ষেত্রীয় গান্ধী আশ্রমএর দোকানে আশুদা, মধুদা, অরূপদা |
| ক্ষেত্রীয় গান্ধী আশ্রমের ভাণ্ডার |
| হেমতাবাদের নৈঠক |
| ঐ |
Bangiya Paramparik are at CII1, সিআইআইতে বঙ্গীয় পারম্পরিক১
এই পোস্ট আর আগের পোস্টের একটি মুখবন্ধ লেখা প্রয়োজন।কলাবতী মুদ্রা, বঙ্গীয় পারম্পরিক কারু ও বস্ত্র শিল্পী সঙ্ঘ আর বঙ্গিয় পারম্পরিক অভিকর শিল্পী সঙ্ঘ সম্প্রতি একটি সামাজিক পরামর্শ দাতা সংগঠন কোশেন্ট পার্টনারএর সঙ্গে গাঁট ছড়া বেঁধেছে। এই জোটের নাম হয়েছে 'বঙ্গীয় পারম্পরিক'। কোশেন্ট যেহেতু বহুদিন ধরেই সিআইআইএর সঙ্গে কাজ করছে, সেহেতু সিআইআইএর স্কিল ইনিসিয়েটিভ অনুষ্ঠানে গামছার ফাইল দেওয়ার জন্য তাঁরা সঙ্ঘের বিশ্বেন্দুকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে কথা প্রসঙ্গে তাদের এই পূর্বাঞ্চলীয় দপ্তরে একটি স্থায়ী শিল্প কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব উঠলে তাঁদের প্রতিনিধি এক কথায় জানান এটি বাস্তবায়িত হতেই পারে। তো সেই স্থায়ী প্রদর্শনীতে কি কি থাকতে পারে তার একটি ঝাঁকি সেদিন নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সিআইআইএর পূর্বাঞ্চলীয় দপ্তরে। সেই স্থানিক প্রদর্শনী ঝাঁকি দেখাবার সময় অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন পূর্বাঞ্চলের নির্দেশক ড সৌগত মুখপাধ্যায়, ডেপুটি ডিরেক্টর, সামাজিক উদ্যোগ ডালিয়া দে, সঙ্ঘ সম্পাদক মধুমঙ্গল মালাকার, বিশ্বেন্দু নন্দ, কোশেন্টের বিপ্লব বসু এবং শুভব্রত দাশগুপ্ত প্রমুখ।
এই বৈঠকে ড মুখার্জী স্বতপ্রণোদিত হয়ে প্রস্তাব দেন, বাঙলার শিল্পীরা এবার থেকে বনিক সভার প্রতিটি অনুষ্ঠানে তাদের শিল্প প্রদর্শন করবে। তিনি মেদিনীপুরের গালার পুতুল দেখে জানান এই পুতুলের উন্নতিতে তাঁরা আগ্রহী।
| ড সৌগত মখার্জীকে প্রদর্শনীর সামগ্রী দেখাচ্ছেন সঙ্ঘের সম্পাদক মধুমঙ্গল মালাকার সঙ্গে বিপ্লব বসু আর শুভব্রত দাশগুপ্ত |
| ঐ, সঙ্গে ডালিয়া দে |
| ঐ |
| প্রদর্শন সামগ্রী প্রদর্শনী শেষে, গয়না দেখছেন সিআইআই কর্মীরা |
| ঐ |
লেবেলসমূহ:
Bangiya Paramparik,
CII,
বঙ্গীয় পারম্পরিক,
সিআইআই
Tuesday, July 8, 2014
tomas kochari remembered in kolkata
Subscribe to:
Posts (Atom)
