Friday, June 1, 2018

কম জানা শরীর মনের পক্ষে খুবই উপকারী। তাতে বড় পুঁজির তত্ত্বের অনুগামী হওয়া যায় কোন প্রশ্ন ছাড়াই।

প্রাচীন যুগে ভারতের প্রযুক্তি উন্নত ছিল তারপরে তা ধ্বংস হয়, এই ধারণা ঔপনিবেশিক ম্যাক্সমুলারীয় প্রাচ্যবাদীদের তৈরি। সাম্রজ্যবাদী বড় পুঁজির কেন্দ্রিভূত বেকনিয় বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির লুঠকর্মের খুদকুঁড়োর উদ্বৃত্তে বাঙালি ভদ্রবিত্তের দিনগুজরান এবং সামাজিক সম্মান লাভ। সে নবজাগরণীয় খোঁয়ারিতে বুঁদ থাকবে এতে আর বিষ্ময় কি।
কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং শ্রম প্রতিস্থাপনকারী এই প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে কয়েকজন পুঁজিপতি। লুঠ, খুন আর নিয়ন্ত্রণকেই অগ্রগতি বলা হচ্ছে। বলুন। ক্ষতি নেই। এই প্রযুক্তি বিশ্বকে ধ্বংসের মুখোমুখি এনে ফেলেছে। বিশ্বজুড়ে অনেকেই এখন শিল্পবিপ্লববের আগের প্রযুক্তিতে ফিরতে চাইছে। রাসায়নিক কৃষির মত প্রযুক্তি আজ ধিক্কৃত। বড় কারখানা বিপুল বর্জ্য আর দূষণ তৈরি করে। আজ ইওরোপে কারখানা খোলা সব থেকে কঠিন কাজ। যে ইওরোপ এই লুঠেরা প্রযুক্তি শুরু করেছিল তারাই এই প্রযুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে এগুলিকে এশিয়ায় আফ্রিকায় লাতিন আমেরিকায় ঠেলে দিতে চাইছে।
আমরা যারা কারিগরদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সামাজিক প্রযুক্তি সামাজিক সাম্য নিয়ে কথা বলি তারা এই ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদী প্রযুক্তিকে ঘেন্না করি। এটা কিছু মানুষের হাতে লুঠের অর্থ জোগাড়ের কাজ করে। আর দেশিয় প্রযুক্তি সমাজে যথাযম্ভব সাম্য আনে।
এই লুঠেরা সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রাম্য বাঙ্গালি, তাদের প্রযুক্তি, উতপাদন ব্যবস্থার কোন সম্পর্ক নেই। ইওরোপিয় লুঠ প্রযুক্তির খিদমত যদি বাঙ্গালিয়ানা হয় সে বাঙ্গালিয়ানাকে ধিক্কার।

No comments: