Monday, September 16, 2013

রস-রত্ন-সমুচ্চয় বা ত্রয়োদশ শতকে ভারতের প্রাচীন উচ্চমার্গের ধাতু প্রযুক্তির বর্ননা৭, Rasa-Ratna-Samuccaya and mineral processing state-of-the art in 13th century a.d. india7

ত্রয়োদশ শতের পরে ভারতে ধাতু প্রক্রিয়াকরণ
ররসএর পরে, অর্থাৎ ত্রয়োদশ সতের পরেও ইতিহাস বলে ব্রিটিশ এবং পশ্চিমের সাহায্য ছাড়াই ভারতের ধাতুবিদ্যা অনেকদূর এগিয়েছিল। রস-রত্ন-সমুচ্চয়(ররস) থেকেও ক্রমশ আরও উন্নত বিকাশের দিকে জাচ্ছিল ভারতের খনিজ বিদ্যা। কাগজ, আফিম এবং গানপাউডার ভারতে এল। শেষেরটি এল মুসলিম আগ্রাসনের হাত ধরে। বর্জ্য থেকে স্বর্ণ উদ্ধার, ব্যবহার্য দ্রব্যদিতে টিনের প্রলেপ লাগানো হল যার নাম কলাই করা, এনামেল এবং বিদারি ধাতু শিল্পের শুরু। পারদ(কুইকসিলভার) এবং ক্যালোমেল(পারদের ক্লোরাইড) ওষুধ হিসেবে গণ্য হল। যদিও রুদ্রাযামল এবং রসপ্রদীপে দাহজালা এবং সঙ্খ্য দ্রাবকরসের কথা আছে, তবুও এগুলি সালফিউরিক অ্যাসিড বা হাইড্রোক্লোরিক এসিড কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করছেন অরুনবাবু।
ইয়োরোপে কিমিয়া বিদ্যা প্রবেশ করল দ্বাদশ শতে। এবং এমনকি সপ্তদশ শতেও ইয়োরোপে বিতর্ক চলছে পুরনো ধরণের মৌল নিয়ে এবং লিবাভিয়াস লিখলেন আলকেমিয়া।  অর্থাৎ ভারত তখনও বিশ্ব ধাতুবিদ্যায় যোজন প্রমাণ এগিয়ে রয়েছে।
Post a Comment