Tuesday, July 2, 2013

তবু সে যে কবার কথা, আপন বেগে আপনি মরি৪ - অন্যান্যদের প্রভাব - Those Influenced Us

অস্বস্তির আর একটি কাঁটা যে পশ্চিমি প্রযুক্তির আদ্যশ্রাদ্ধ করেছি এই বইএর প্রায় প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায়, সেই প্রযুক্তি ধরেই কিন্তু এই বইএর তথ্য সংগ্রহের নানান স্তর তৈরি হয়েছে বইটি রচনার প্রাক্কালে মূলতঃ আমরা গুগলএর বই সংক্রান্ত খোঁজ যন্ত্র এবং বই সংক্রান্ত অন্তর্জালের আশ্রয় গ্রহণ করে ছিলাম গুগল কর্তৃপক্ষ ভারত ও ভারত সম্বন্ধীয় বহু প্রাচীন বইএর, সমীক্ষার, পত্রিকার ডিজিট্যাল সংস্করণ প্রকাশ করেছেন তার অধিকাংশই এই বইতে ব্যবহার করা গিয়েছে এর প্রায় সবই ইংরেজি ভাষার বাঙলা প্রবন্ধ অথবা বই সেখানে একটিও পাইনি এ কথাও জানিয়ে রাখা যাক  এইসব ইংরেজি বইএর অধিকাংশই যে সব ভারতীয় গ্রন্থাগারে রয়েছে, সেই সব গ্রন্থাগারের এইসব বই পাওয়া কঠিন, আর বিদেশি গ্রন্থাগারে যাওয়ারতো প্রশ্নই ওঠে না ইন্টারনেটে প্রতিচ্ছবি দেখে বুঝেছি, বইগুলির বাস্তবিক অবস্থা বেশ খারাপ গুগলের বই সংক্রান্ত ওয়েবসাইটটি আমাদের সেই ইংরেজি বই ভরাল ভাঁড়ারের নাগাল পেতে সাহায্য করেছে সে ঋণের দায় তারস্বরে স্বীকার না করলে আমরা নিজেরাই নিজেদেরই কৃতঘ্ন বলব গুগল ঘেঁটে আমরা বিভিন্ন ধরণের বইএর, তথ্যের হদিশ পেয়েছি, যা সচরাচর চেনা গ্রন্থাগারে খুঁজে পাওয়া সম্ভব ছিল না কেননা আমরা পেশাদার ঐতিহাসিক নই যে বই খোঁজায় পূর্বপ্রদর্শিত পথ থাকবে বাংলা বই পেয়েছি বাংলা লাইব্রেরিগুলোর একটি সাইটে। সেটিও গুগল খোঁজ থেকে পাওয়া। যেমন বহু পুরনো ইংরেজি, সংস্কৃত বই পেয়েছি ভারতের ডিজিটাল লাইব্রারি এবং প্রত্নতত্ব বিভাগের লাইব্রারির সাইটে। গুগল খোঁজ যন্ত্রে আরও একটি লাভ হয়েছে - একটি বই খুঁজতে সহর্ষে অন্য একটি বই আবিষ্কার করেছি, একটি বিষয় আবিষ্কার করতে অন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা আমাদের ভাবনাতেও ছিল না হঠাতই আবিষ্কার করেছি- যা এই বই রচনায় নানান পারস্পরিক তথ্যসন্ধান আহরণে অসম্ভবরূপে সাহায্য করেছে এর জন্য যে সব বই প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তার থেকে যে সব নানান ভাবনার বই ভারতের ইংরেজ আমল বুঝতে সাহায্য করেছে, তা পেয়েছি গুগলএর সাহায্যেই কপিরাইটের জন্য বহু বইএর পুরোটা পড়তে পারি নি, কিন্তু নানান লেখার সূত্র পেয়েছি এই দায় স্বীকার করা প্রয়োজন ছিল যে সব ওয়েবসাইট আমাদের বিভিন্ন ভাবনা বুঝতে সাহায্য করেছে, বইএর মধ্যেই তার ঋণ স্বীকার করেছি প্রাথমিকভাবে গুগল থেকেই ভারতীয় প্রযুক্তি সম্বন্ধে অতিরিক্ত নানান তথ্য জানতে পারি, নানান আন্দোলন সম্বন্ধে জেনেছি ভারতের নানান ব্যবসায়িক ছাপাই পত্রিকা এই সব সংবাদ প্রকাশ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে তাই ইন্টারনেটই সম্বল সবথেকে কথা ধরমপালজী সম্বন্ধে প্রথম জানি এই ইন্টানেট থেকে পরে কলকাতারই বিনীতা মানসান্তার বইএর দোকান আর্থ কেয়ার বুকস থেকে তাঁর রচনাবলী সংগ্রহ করি
Post a Comment