Monday, December 26, 2016

বাংলা যখন বিশ্ব সেরা৩৭ - লাইফ অব মীর জুমলা, জেনারেল অব আওরঙ্গজেব

জগদীশ নারায়ণ সরকার

দ্বিতীয় পর্ব
১। মুঘল সাম্রাজ্যে মীর জুমলার জায়গির হল কর্ণাটক
কুতুব শাহীর বিরুদ্ধে মীর জুমলার বিদ্রোহ শেষ হয়েছে, মুঘল বাহিনী হায়দ্রাবাদে ঢোকা বন্ধ রয়েছে, কুতুব শাহ আর মুঘলদের মধ্যে একটা সমঝোতা হয়ে গিয়েছে, কিন্তু যে অঞ্চলের জন্য এই সব বিবাদ-ঝগড়া, কর্ণাটকের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে সেই মূল বিষয়টার কোন সমাধান তখনও হয় নি। সুলতান স্বাভাবিকভাবেই এই সম্পদশালী এলাকাটি নিজের তাঁবেতে রাখতে চাইলেন, কেননা তাঁর কর্মচারী তাঁরই সম্পদে এই এলাকাটি দখলে নিয়েছিল। আগেই আমরা দেখেছি, আওরঙ্গজেবের চোখ কিন্তু কর্ণাটকের ওপরেই নিবদ্ধ ছিল। ১৬৫৬র মার্চে তিনি উজির সাদুল্লা খানকে বলেন, ‘কর্ণাটকের বিষয়ে বলি, মীর জুমলার গোমস্তাদের অধীনে, সেখানে বেশ কিছু হিরের খনি রয়েছে, আর রয়েছে সমুদ্র বন্দরও; এখন সেটি সাম্রাজ্যের সম্পত্তি, সময় এলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ গোলকুণ্ডা থেকে রামগির(পাইনগঙ্গা আর গোদাবরীর মধ্যেকার স্থান – আজকের মানেকদুর্গ আর চিন্নর) দখল করে তেলেঙ্গানাকে উত্তর কর্ণাটকের শাসনে নিয়ে এসেছিলেন আওরঙ্গজেব। এবারে এক দিক থেকে অন্য দিকে যেতে আর গোলকুণ্ডার মধ্যে দিয়ে তাকে যেতে হল না – সরাসরি সেনাবাহিনী নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হল। সুলতানকে কর্ণাটক দখলে রাখার সমস্ত রকম পরিকল্পনায় জল ঢালছিলেন তিনি।

মীর জুমলা দিল্লি পৌঁছবার আগেই কুতুব শাহ কর্ণাটক দখলে রাখার চেষ্টার খামতি দেন নি। তিনি কর্ণাটক এবং পৈতৃক রামগীর দুর্গ দখলে রাখতে চেয়ে শাহজাহানকে আবেদন করেন। তাঁর ধারণা ছিল এই প্রস্তাবে আওরঙ্গজেব তাঁকে সায় দেবেন, এমন কি তিনি জাহানারাকে দিয়ে এই প্রস্তাব সম্রাটকে দেওয়ানোর ব্যবস্থাও করেছিলেন। আওরঙ্গজেব সুলতানকে অপেক্ষা করতে বললেন, কেননা ঠিক হয়েছে মুয়াজ্জম খানের পদে যোগ না দেওয়া পর্যন্ত এই বিষয়টি নিয়ে কোন আলোচনাই হবে না। আওরঙ্গজেবের প্রস্তাবে কান না দিয়ে কুতুব শাহের দিল্লির দূত মুল্লা আব্বাস সামাদ, দারার মাধ্যমে সম্রাটকে আবেদন জানান এবং দারা সম্রাটের হৃদয় জয় করতে সমর্থ হলেন। মোটামুটি ঠিক হল পুরোনো রাজ্যের অধিকারের সঙ্গে কর্ণাটকেরও অধিকার থাকবে সুলতানের। সুলতান তাঁকে বা তাঁর উকিলকে এড়িয়ে সরাসরি সম্রাটের কাছে দরবারে চরম প্রকূপিত হয়ে আওরঙ্গজেব সুলতানকে উদ্ধত বললেন এবং জানালেন এটা ঠিক হয়েছিল মীর জুমলা দিল্লি না পৌছলে এটির সমাধান সম্ভব নয়।

মীর জুমলাও সুলতানকে তাঁর গ্রাস কেড়ে নিতে দেবেন না ঠিক করলেন। আওরঙ্গজেব সুলতানের বিরুদ্ধে সম্রাটের কাছে যে আবেদন করবেন ঠিক করেছেন, পরিকল্পনা করলেন সেটি মীর জুমলাকে দিয়েই করাবেন। চিঠির পর চিঠি দিয়ে আওরঙ্গজেব মীর জুমলাকে নির্দেশ দিচ্ছেন কিভাবে বাবা বাছা করে সম্রাটকে নিজের মতে নিয়ে আসতে পারেন। দিল্লিতে পৌছনোর সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আওরঙ্গজেব নির্দেশ দিলেন যে তিনি যেন সম্রাটের থেকে অবিলম্বে কর্ণাটকের দখলের ফরমান নিয়ে নেন, এবং দারা-মুখী সুলতানের রাজসভার রাজনীতি পরাস্ত করেন। হায়দ্রাবাদ অভিযানের আওরঙ্গজেব সম্রাটকে কর্ণাটকের মত এলাকা কেন দখলে রাখতে হবে সেইটি বুঝিয়েছিলেন। সেটা তাঁকে প্রভাবিত করে নি। কিন্তু এবারে উদয় হয়েছেন মীর জুমলা। আওরঙ্গজেবের সূত্রে জানা যাচ্ছে, মীর জুমলা নিজের বাচনভঙ্গীতে, উপহারে সম্রাটকে কিছুটা হলেও বশ করে ফেললেন। মীর জুমলার হাতে কর্ণাটকের মণিমাণিক্য দেখে লোভাতুর হয়ে সম্রাট সুলতানকে কর্ণাটক দেওয়ার মানসিকতা বদলে ফেললেন, ঠিক হল এটি মীর জুমলাই দখলে রাখবেন(জুলাই, ১৬৫৬) সম্রাটের কাছ থেকে সরাসরি নিয়ে, সাত বছর রাজস্বহীনভাবে তাঁর ব্যক্তিগত জায়গিররূপে। ততদিনে কুতুব শাহের আবেদন নাকচ হয়ে গিয়েছে যদিও তিনি কর্ণাটকের বদলে বছরে ১৫ লক্ষ টাকা পেশকাশ দিতে চেয়েছিলেন। এখন আওরঙ্গজেব, সুলতানের কর্ণাটক দখলের কাতর আবেদন সম্রাটের কাছে পৌঁছতে আস্বীকার করলেন, ব্যঙ্গভরে বললেন দরকার হলে সরাসরি পাঠান। কুতুব শাহ কি করে কর্ণাটকের দখল হারালেন এবং সেটি কি করে মীর জুমলার হাতে, সেটি বিশদে বর্ণনা করে আওরঙ্গজেব আকাশ থেকে পড়া সুলতানকে লিখলেন, ‘হায়দ্রাবাদে সুলতানের সেনা প্রবেশের সময় আমি তোমায় বলেছিলাম, তোমার যে কোন চাহিদা পূরণে সম্রাটকে খুশি করতে তুমি তোমার পছন্দের যত মহামূল্যবান রত্ন রয়েছে সে সব তাঁকে দাও। কিন্তু তুমি আমার কথা শোনো নি। অন্যদিকে মীর জুমলা সম্রাটকে তাঁর পছন্দের হিরে, জহরত এবং মহামূল্যবান গয়না আর অন্যান্য মূল্যবান জিনিস উপহার দিয়ে তাঁর কাজ করিয়ে নিল... আমি তোমায় সব বলেছিলাম। আমার পরামর্শ মত চললে অবস্থা এরকম সঙ্গীন হত না। যারা কথা না শুনে কাজ করে, তাদের কোন কিছু বলাই অপরাধ।’ মীর জুমলা নিজের বাহুবলে যেটি দখল করেছিলেন, সেটি এবারে মুঘল সম্রাট আইন সিদ্ধ করেদিলেন।

২। দাক্ষিণাত্যের ক্ষমতাবানেদের প্রতিক্রিয়া
কর্ণাটক থেকে মীর জুমলার প্রস্থান এবং সেনার পরিমান কমানোয় চরম ঈর্ষায় ভোগা সারা দাক্ষিণাত্যের ক্ষমতাবানদের মধ্যে নতুন করে এই এলাকাটি দখলের চক্রান্ত পেকে উঠতে বসল। যতদূর সম্ভব যৌথভাবে দুই সম্রাট তাদের সেনাবাহিনীকে এই কাজে শনৈঃ শনৈঃ এগিয়ে দিতে থাকেন। আবদুল জব্বার খানের নেতৃত্বে কুতুব শাহ একটি বাহিনী উত্তর কর্ণাটকের অভিযানে পাঠিয়েছিলেন যাতে তিনি তাঁর পুরোনো এলাকা দখলে আনতে পারেন, আদিল শাহ জিঞ্জির কেল্লাদারকে উত্তেজিত করলেন ১৬৫৬র জুনের মধ্যেই মীর জুমলার দখলে থাকা কর্ণাটকের দক্ষিণতম এলাকাটি দখল করতে। চন্দ্রগিরির রাজা তাঁর হারানো জমি উদ্ধারে সৈন্যসাজ করতে শুরু করলেন। যারা মীর জুমলার কাছে নানাভাবে পরাজিত হয়েছিল, স্বার্থবদ্ধ ঈর্ষায় জর্জরিত হয়ে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিলেন।

সব থেকে উদ্যমী হয়ে উঠলেন কুতুব শাহ। বুঝলেন, আলোচনা আর কূটনীতির দিন শেষ, এবার সময় হয়েছে মাঠে নেমে লড়াই করার তাঁর সঙ্গে তো কূটনীতির জাল তো রইলই। দারার প্ররোচনায়, কুতুব শাহ আওরঙ্গজেবের একের পর এক হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে কর্ণাটক আর কাম্বামের দিকে লোভাতুর দৃষ্টি দিলেন, মনে মনে ইচ্ছে বাধা আর ধোঁকা দিয়ে তাঁর উদ্দেশ্য সাধন। সীমান্ত থেকে তাঁর সেনাবাহিনী না সরিয়ে তিনি সেনাপতি আব্দুল জাব্বারকে নির্দেশ দিলেন মীর জুমলার তৈরি করা ডাকচৌকিগুলোতে বাধা দিতে এবং তাঁর ব্যবসায়িক দালালদের সঙ্গে ঝগড়া বাধানোর, যাতে কর্ণাটকের আভ্যন্তরীণ প্রশাসনে গোলযোগ তৈরি হয়। কর্ণাটকে সাম্রাজ্যের আধিকারিক পৌঁছনোর আগেই কুতুব শাহ বেশ কিছু মহালে রাজস্ব তোলার কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন।

কুতুব শাহের এই সব ছোটখাট গণ্ডগোলের থেকে আরও বড় সমস্যা দাঁড়াচ্ছিল পুলিকট। স্যান থোম, আর পুনামাল্লির হিন্দু নায়েক, জমিদার, ভিজাদারদের, বা রয়ালের অধীনে থাকা কর্ণাটকে সিপাহীরা যারা যারা মুসলমান শাসনে ছিল, তাদের মাথা খাওয়ার উদ্যম। গাণ্ডিকোটার কিলাদার হাজি সুলেইমান লিখছেন, তারা সক্কলে বিদ্রোহের ঝাণ্ডা হাতে তুলে নিল, রাস্তা বন্ধ করে দিল এবং হরকরাদের কাজ না করতে হুঁশিয়ারি দিল। এবং শ্রীরঙ্গ যে উচ্চমানের রাষ্ট্র পরিচালনা করে এসেছেন ১৬৫৬ পর্যন্ত, তাঁর উদ্যমে হারানো জমি এবং সম্মান উদ্ধারের চেষ্টা দেখা গেল এই সময়ে। একে শুধু স্থানীয় সামন্তদের হুজ্জুতি-হ্যাঙ্গাম বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। যদিও মীর জুমলা তাঁর শাসন ক্ষমতার প্রমান দিয়ে তার জয় করা অঞ্চলে প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নিয়ে এসেছিলেন, কিন্তু তিনি স্থানীয় হিন্দু রাজা, জমিদার সামন্তদের স্বাধীনতার ইচ্ছের মাথা একেবারে মুড়িয়ে দিতে পারেন নি বরং তাদের মন্দির ধ্বংস করে মূর্তি দখল নিয়ে মন্দির আর ব্যক্তিগত মানুষের জমানো সোনাদানা দখল করে তাদের বিশ্বাসে ঘা দিয়েছেন। যদিও কর্ণাটক কাজে দাক্ষিণাত্যের দুই সুলতান একটা দায় নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন, কিন্তু বড় ভূমিকা পালন করেছেন শ্রীরঙ্গ রয়াল নিজে এবং জমিদারেরা। আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে, সুলতানী সেনা বাহিনীর উপস্থিতি তাদের এই বিদ্রোহের পরিবেশ তৈরিতে সাহায্য করেছে। আওরঙ্গজেব, শাহকে হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখলেন, ‘তোমার আধিকারিকদের দিয়ে(যাদের নাম এই চিঠির সঙ্গে জুড়ে দিলাম) দেশের জমিদারদের হায়দ্রাবাদে ডাকিয়ে এনে উত্তেজিত করিয়ে তুমি এই অঞ্চলে অব্যবস্থার বীজ বপন করেছ...তুমি ভাগ্যহীন রয়ালের বিশ্বাসও অর্জন করেছ এবং তাঁর হাজিবের সঙ্গে একজন আধিকারিক পাঠিয়েছ, এবং কয়েকটি মহালের(তাঁর বিশদ বিরবরণ দেওয়া হল) খানেদের গোমস্তাদের থেকে অধিকার কেড়ে নিয়েছ। একটি সুশাসিত দেশকে তুমি টালমাটাল করে দিয়েছ।’ চেম্বার্স ন্যারেটিভএ এই মন্তব্যটি পাওয়া যাচ্ছে, ‘গোলকুণ্ডার রাজা কর্ণাটককে রয়ালের হাতে তুলে দিলেন।’

শুরুর দিকে হিন্দুরা সহজেই সাফল্য লাভ করে। রয়াল তিরুপতি দখল করলেন, কাঞ্জিভরম, চিংলেপুট এবং পুলিকট দখল করার পরিকল্পনা করলেন। ১৬৫৬র অক্টোবরে মাদ্রাজের আশেপাশের পুনামাল্লির প্রাসাদ ছাড়া, শ্রীরঙ্গর শ্বশুর ভেঙ্গম রাজার সহায়তায় বহ এলাকা দখল করে নিলেন, এবং ভেঙ্গম রাজা পেড্ডাপোলিয়াম দখল করলেন। মীর সঈদ আলি, মীর জুমলার পুনামাল্লির সুবাদার, পুলিকটে পালিয়ে গেলেন, সেখানেই মীর জুমলার প্রায় সমস্ত সম্পদ রাখা ছিল। এটা নবাবের সেনাবাহিনীকে উত্তেজিত করল। তাল্লিয়ারদের একসঙ্গে করে ভেঙ্গম রাজা পুলিকটের দিকে অভিযান করলেন এবং শ্রীরঙ্গর সেনাপতি কোনারি চেট্টিকে নির্দেশ দিলেন পুনামাল্লি ঘিরে থাকা এলাকার মানুষদের জমায়েত করে গোটা দেশতা দখল করতে। কোনারি, নবাবের স্যান থোম, মায়লাপুর এবং পুনামাল্লির সুবাদার, বালা রাউকে গ্রেফতার করলেন স্যান থোমের কাছে তাল্লিয়ারদের বিশ্বাসঘাতকতায়। তারা মীর জুমলার ২০টি এবং ১৬টি অন্যান্য মুসলমান ব্যবসায়ীর হাতি, দখল করে মাদ্রাজে নিয়ে এল।

এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নবাবের সেনাপতি টুপাকি কৃষ্ণাপ্পা নায়েক, লিঙ্গম নায়েকের নেতৃত্বে ঘোড়সওয়ার আর পদাতিক বাহিনী পাঠিয়ে কোনারি চেট্টিকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিল। পুনামাল্লির পথে কোনারির সঙ্গে দু দিনে কয়েকবার ছোটখাট লড়াই হল। হিন্দুরা পুনামাল্লি প্রাসাদ দখল না করার কারণ হল কোনারি সেটি দখল করার কাজে অসম্ভব দেরি করে যা বিশ্বাসঘাতকতাও বলা যায় এবং সে মীর জুমলার সেনাকেও দেরি করে আক্রমণ করে, সেই সুযোগে তাদের বিপক্ষ একজোট হয়ে তাদের হারিয়ে দেয়। তাঁর সপক্ষে বলা যায় মুসলমানেদের বিরুদ্ধে হারার পরে পুলিকট ঘিরে বসে থাকা ভেঙ্গম রাজা তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধে কিন্তু তারা লিঙ্গম নায়েককে হারাতে পারে নি। রয়ালের হিন্দু সেনাপতিরা মাদ্রাজের কাছে পেড্ডানাকিপেট্টায় সেনা সহ পালিয়ে গিয়ে সেখানের আশ্রয় চায় কিন্তু মুসলমান বাহিনী তাদের কচুকাটা করে।

বিজাপুরের সহায়তায় কুতুব শাহ মীর জুমলার বাহিনীর ওপর বড় হামলার পরিকল্পনা করে। আওরঙ্গজেব তাঁর বিরুদ্ধে আবারও হুশিয়ারি দিয়ে লেখেন, ‘তুমি বীজাপুরের ধ্বংস চাইছ। কর্ণাটক দখলের হুজুগ তোমার মাথা থেকে এখনও যায় নি। তুমি পাগলের মত কাজ করছ। যখন গোলকুণ্ডা রাজ্য দুদিকে শক্তিশালী সেনাবাহিনী দিয়ে ঘেরা, তুমি তখন তোমার শয়তানি পরিকল্পনা হাসিল করতে কর্ণাটক দখল করতে বাহিনী পাঠাচ্ছ। এর আগে তুমি জমিদারদের খেপিয়ে তুলে গোলযোগ তৈরি করেছ, কখনো তুমি ডাকচৌকিগুলোতে হামলা করেছ। এধরণের কাজ কোর না। বিজাপুরকে বিপথগামী কোর না। দূরদৃষ্টি বজায় রাখ, মনের আয়নায় ঘিরে থাকা কুজ্ঝ্বটিকা সরিয়ে অনেক কিছু দেখতে পারে...’।
(চলবে)
Post a Comment