Wednesday, December 21, 2016

বাংলা যখন বিশ্ব সেরা২৭ - লাইফ অব মীর জুমলা, জেনারেল অব আওরঙ্গজেব

জগদীশ নারায়ণ সরকার

১৬৫৩-৫৫ সালে সুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করার সময় তিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হন নি। বরং তাদের সঙ্গে ব্যবসা করে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাজাত সম্পদ বাড়ানোর কাজ করে গিয়েছেন। একই সঙ্গে জাতপাত নিয়ে কোম্পানির আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব তৈরি হল(এপ্রিল ১৬৫৫) সেখানে প্রথমে তিনি প্রবেশ করতে চাননি, এমন কি তারা তাঁর সাহায্য চাইলেও তিনি সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকার করেন; আবার মাদ্রাজ কাউন্সিলে কোম্পানির মধ্যে এই বিষয় নিয়ে মতদ্বৈধ তৈরি হলে, তাকে তিনি কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশেরা যাতে চন্দ্রাগিরির রাজাকে সাহায্য না করতে পারে, সে বিষয়ে তিনি উদ্যোগী হয়ে ওঠেন। আদতে তিনি নিজের এবং গোলকুণ্ডার সুলতানের অবস্থাকে আরও দৃঢ করতে চাইছিলেন। ব্রিটিশ আর মীর জুমলার মধ্যে এই যে ছোট ফাটল তৈরি হল তা আগামী দিনে চওড়া ফাটলের রূপ পরিগ্রহ করবে।

৭। পর্তুগিজদের সঙ্গে সম্পর্ক
কর্ণাটকে থাকাকালীন মীর জুমলার সঙ্গে গোয়ার পর্তুগিজ শাসক দোম ফিলিপি ম্যাস্কারহান্সের(১৬৪৫-৫১) সম্পর্ক ‘অসাধারণ বন্ধুত্বপূর্ণ’ ছিল। তাদের মধ্যে চিঠি চালাচালি এবং নিয়মিত উপহার আদান প্রদান হত। তাকে দেওয়া পর্তুগিজ হস্তাবরণ, বক্ষাবরণী বা শিরস্ত্রাণের উচ্ছসিত প্রশংসা করতেন মীর জুমলা এবং যুদ্ধে তিনি প্রায়শই সেগুলি ব্যবহারও করতেন। তাঁর বিনিময়ে তিনি কর্ণাটকের হিরের খনি থেকে তোলা ভাল হিরেগুলি পর্তুগিজ প্রশাসককে পাঠাতেন, এমন কি তিনি তাঁর কাছে তাঁর শ্রেষ্ঠ রত্নগুলির কিছু বিক্রিও করেছেন। তাঁর শাসন কালে মীর জুমলা পর্তুগিজদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চেয়েছেন, যাতে প্রয়োজনে ভবিষ্যতে তাদের শক্তি তিনি ব্যবহার করতে পারেন।

কিন্তু কর্ণাটক বিজয় যাত্রায় পর্তুগিজ উপনিবেশ স্যান থোমকে কিন্তু মীর জুমলা ছেড়ে কথা বলেন নি। তিনি সেই শহরটি অবরোধ করে রাখেন বহু দিন এবং তাঁর কর্মচারীরা শহরের বাইরের বহু বাগান এবং জমি দখল করে তাদের প্রভুকে না দেওয়া খাজনা উসুল করে নেয়। ১৬৫১ সালের জানুয়ারি মাসে ভেঙ্গে দেওয়া পর্তুগিজ চার্চ বানিয়ে দেন কিন্তু তাঁর রাজস্ব বছরে ২০০০ রিয়াল আদায়ের সিদ্ধান্ত বজায় রাখে। ব্রিটিশদের বিশ্বাস ছিল, বহুকাল ধরে চলা, চার্চের বাইরে হিন্দু কোন মূর্তির শোভাযাত্রা বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি এই জরিমানা করেন।


তৃতীয় অধ্যায়
মীর জুমলার বিদ্রোহ

১। মীর জুমলা এবং কুতুব শাহের মধ্যে বিরোধের কারণ
কর্ণাটক বিজয়ে মীর জুমলার চরিত্র বদল ঘটল। এর আগে তিনি ছিলেন এক ক্ষমতাহীন সুলতানের সভাসদ এবং কর্মচারী মাত্র – কিন্তু বিজয়ের পরে তাঁর প্রভুর থেকে যথেষ্ট দূরত্বে থেকে এই কর্মচারীই হয়ে উঠলেন স্বাধীন এবং ক্ষমতাবান শাসক। বার্নিয়ে সূত্র ধরে বলা যায় তাঁর কর্মচারীর প্রতি সুলতানের স্বাভাবিক ঈর্ষা বরাবরই জগ্রত ছিল। ইওরোপিয় ঐতিহাসিকদের বক্তব্য কুতুব শাহ ক্রমশঃ তাঁর উজিরের ক্ষমতা এবং অবস্থায় চিন্তিত হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু এটা বলা বোধহয় ঠিক হবে না যে সুলতান, কর্ণাটক জয়ের পর তাঁর উজিরের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রথমে নিজের ক্ষমতা হ্রাস বিষয়ে চিন্তিত এবং উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

আমরা আগেই দেখেছি, মীর জুমলার সাফল্যে উত্তেজিত হয়ে তাঁর প্রতি সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধে বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বহু পরের দিকে পারস্যের সুলতানকে লেখা এক চিঠিতে গোলকুণ্ডার সুলতান আক্ষেপ করে লিখছেন, তিনি যে চারাগাছটি, দুঃসাহসিক অভিযাত্রী মীর মহম্মদ সঈদ রূপে রোপণ করেছেন, সেটি এখন বিপুল বিশাল মহীরুহ হিসেবে গোলকুণ্ডার উজির মীর জুমলায় পরিণত হয়েছে – এবং তিনি অবাক হয়ে যাচ্ছেন যে তাঁর বিরুদ্ধে মীর জুমলা বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করছেন। উজিরের প্রতি সুলতানের যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, তা যে খুব স্বাভাবিক ছিল এবং মীর জুমলার উচ্চাকাংখাই যে তাকে এই ঈর্ষার দিকে ঠেলে দিয়েছিল তা বলা যাবে না। বরং মীর জুমলার অমেয় সম্পদ, ক্ষমতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে, তাঁর স্তরের সভাসদেদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারে ক্ষিপ্ত হয়ে দাক্ষিণাত্যের বেশ কিছু সভাসদ সুলতানের কান ভারি করতে থাকেন যে মীর জুমলা তাঁর ক্ষমতার প্রতিস্পর্ধী হয়ে উঠতে চাইছেন। যদিও মীর জুমলা স্বাভাবত দুর্বিনীত চরিত্রের মানুষ ছিলেন না, কিন্তু তাঁর ক্ষমতায় আরোহনের দরুণ তিনি কিছুটা নিজের খোলসে ঢুকে পড়তে থাকেন এবং তাঁর জন্য তাকে তাঁর স্তরের মানুষেরা মনে করতে থাকেন তিনি তাদের এড়িয়ে চলছেন।

মীর জুমলার ক্ষমতায় হিংসয় জ্বলেপুড়ে তাঁর বিরোধীরা, তাঁর অনুপস্থিতিতে সুলতানের কানে তাঁর উজিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের কল্পনামূলক কাহিনী রচনা করে তাঁর মন বিষিয়ে দিতে থাকেন। সেই সময়ে ভারত ভ্রমণে আসা কিছু ইওরোপিয় লেখক সূত্রে জানা যায় যে মীর জুমলা এবং সুলতানের মা হায়াত বক্সী বেগমের অস্বাভাবিক সম্পর্ক নৈকট্য সুলতান খুব স্বাভাবিকভাবে নেন নি, এবং একে তিনি তাঁর পরিবারের সম্মান হানিরূপে গণ্য করেছিলেন এবং এই জন্য ক্রমশঃ তিনি তাঁর উজিরের থেকে দূরে সরে গিয়ে থাকতে পারেন। হাদিকতউসসুলতানের লেখক নিজামুদ্দিন আহমদ সিরাজি লক্ষ্য করছেন যে সুলতানের মায়ের বেশ কিছু ব্যক্তিগত এবং প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সরইখাহিল সম্পাদন করে দেওয়ায় প্রায়ই তাঁকে তিনি বহুমূল্য উপহারে সজ্জিত করতেন এবং তাঁর উত্তরে তিনিও কিছু উপহার পাঠাতেন সুলতানের মায়ের উদ্দেশ্যে। এই উপহার দেওয়া নেওয়া গোপনে না হওয়ায় এই দেওয়া নেওয়ার ওপরে জনগণের দৃষ্টি নিবদ্ধ হতে থাকে এবং এই সম্পর্কটি যে খুব স্বাভাবিক নয় এমনভাবে দেখা হতে থাকে। দুজনেই তখন মধ্য বয়স পেরিয়ে গিয়েছেন। আর মীর জুমলা সভা থেকে দূরেই থাকতেন। এবং মীর জুমলার ব্যক্তিগত চরিত্র এই ঘটনার সঙ্গে খাপ খায় না। এবং এটির সপক্ষে কোন উপযুক্ত প্রমানও পাওয়া যায় নি, অতএব, একে আমরা কুৎসাকারীদের স্বকপোলকল্পিত গুজব রটনা হিসেবেই দেখতে পারি, এর বেশি কিছু নয়। বাস্তবে মীর জুমলা এবং সুলতানের দুজনের সম্পর্ক জড়িয়ে যে কুতসার বাতাবরণ গড়ে উঠেছিল, তা সে সময়কার ঈর্ষান্বিত সভাসদেদের উতসাহী রটনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাভার্নিয়ে সূত্রে জানছি, ঈর্ষান্বিত সভাসদের সুলতানকে বললেন, ‘মীর জুমলা যে ধরণের ক্ষমতা কেন্দ্রিভূত করছেন, তাতে যে কোন সময়ে তিনি সুলতানের সিংহাসন কেড়ে নিতে পারেন এবং গোলকুণ্ডা রাজত্বে সুলতানকে হঠিয়ে মীর জুমলা তাঁর পুত্রকে বসিয়ে দিতে চাইছেন, এবং তাই সুলতানের পক্ষে শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকা দুর্ভাগ্যকে সসম্মানে ডেকে আনার মত হবে এবং সেই দিনের দিকে তাকয়ে তিনি যেন অপেক্ষা করে বসে না থাকেন – কেননা সর্বোচ্চ ক্ষমতায় ওঠার সব থেকে ছোট্ট রাস্তা হল শুধু সুলতানকেই সরিয়ে দেওয়া।’

মুঘল সম্রাটের উজির পদে বৃত হওয়ার পর পাদশাহ শাহজাহান কুতুব শাহকে যে চিঠিটি লেখেন তাতে মীর জুমলার বিদ্রোহের কারণের সমস্ত ইঙ্গিত ধরা রয়েছে এবং এই চিঠিতে সম্রাট, এ ধরণের যোগ্য শাসককে দূরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য কুতুব শাহের মুর্খতা এবং তাঁর প্রজ্ঞাকে পরোক্ষাভাবে দোষী ঠাউরেছেন। সম্রাট লিখছেন, ‘আজকের দিনে অভিজ্ঞ এবং কর্মক্ষম কর্মচারী পাওয়া খুব কঠিন বিষয়, বিশেষ করে মুয়াজ্জম খাঁয়ের মত, যিনি যে কোন দক্ষতম উজিরের মত আমার সভা উজ্জ্বল করতে পারেন। তাঁর দক্ষতা স্বীকার করা এবং মেনে নেওয়া অতীব প্রয়োজন।’ শাহজাহান আরও লিখছেন, ‘স্বউদ্যমী মানুষের পক্ষে শত্রুদের পরামর্শে কান দেওয়া অনুচিত বলে আমি মনে করি, কেননা ভুল পরামর্শ দাতারা তার ফলে প্রভুর কোন উপকার করতে পারে না এবং তাকে ভালও রাখতে পারে না, শুধু তারা স্বস্বার্থ সম্পাদনে লেগে থেকে বন্ধুদের শত্রুতে পরিণত করে, ফলে (এই মানুষদের থেকে দূরে থেকে) নিজের জীবন, পরিবার, সমাজের সম্মান রক্ষা সক্কলের সামূহিক কর্তব্য।’

মীর জুমলার গাণ্ডিকোটা দখলের(১৬৫০) পরই প্রথম সুলতান এবং উজিরের মতপার্থক্য সর্বসমক্ষে চলে এল। কর্ণাটক দখল এবং ভাগ করা নিয়ে দুই সুলতানের মধ্যেকার যুদ্ধে(১৬৫১-৫২) মীর জুমলার হার এবং গাণ্ডিকোটার নিয়ন্ত্রণকে কুতুব শাহের হাতে না দিয়ে আদিল শাহের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্তেই গোলকুণ্ডার সুলতানের সঙ্গে তাঁর উজিরের প্রথম সম্পর্কের মধ্যে ফাটল হিসেবে ধরা যায়। স্যার যদুনাথ সঠিকভাবেই এই সূত্রটি সম্বন্ধে বলছেন, ‘উজিরের জয়ের ফসল তুলতে চেয়েছিলেন স্বাভাবিকভাবেই কুতুব শাহ। কর্ণাটক দখলে এই দুজন পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কাজ করেছেন। কিন্তু তারা জয়ের পরে লাভের অঙ্ক নিয়ে ঝগড়ায় জড়িয়ে পরলেন। কুতুব শাহ, মীর জুমলাকে সাধারণ কর্মচারীর মত বিচার করতে চাইলেন। এবং মীর জুমলার বিজয় করা অঞ্চলকে দখল করতে চাইছেন সুলতান এমন একটা ধারণা তৈরি হল। অন্য দিকে মীর জুমলা জানেন, যে সুলতানের অধীনে কাজ করছেন, তিনি কত দুর্বল এবং ক্ষমতাহীন, এবং যে যুদ্ধটি তিনি জিতেছেন সেটি সম্পূর্ণভাবে তাঁর নিজের কৃতিত্ব এবং সেই ফল তিনি নিজেই ভোগ করবেন। কর্ণাটকে প্রায় স্বাধীন জীবনযাপন করার পরে সুলতানের সভাসদ হিসেবে ফিরে যাওয়া খুব সম্মানের কাজ ছিল না।’ তাঁর কর্মের প্রতিফল হিসেবে যে পদ তাকে দেওয়া হল, তাতে তিনি মনঃক্ষুণ্ণ হলেন এবং জয় করা এলাকা ফিরিয়ে দিতে চাইলেন। ইংরেজ কুঠিয়াল লিখছেন, তিনি চাইলেই প্রকৃতপক্ষে মহান রাজা হতে পারতেন। ক্ষিপ্ত সুলতান মীর জুমলার পাঠানো জয়ের চিঠিকে তার উজিরেরই কৃতিত্ব বুঝে, তাঁর কর্ণাটকীয় স্বাধীনতার ভিত্তি কেড়ে নিতে উদ্যোগী হলেন। লিখিত সূত্রে পাওয়া যাচ্ছে, ১৬৫৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চিঠি চালাচালি সূত্রে কিন্তু সুলতান এবং মীর জুমলার মধ্যে কোন বিরোধের সূত্র পাওয়া যাচ্ছে না বরং মীর জুমলাকে বলা হচ্ছে সুলতানের কর্মচারী(এজেন্ট)। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই সেন্ট জর্জের কুঠিয়ালেদের লেখায় দেখা যাচ্ছে যে সুলতানের বিরুদ্ধে মীর জুমলা অস্ত্র তুলে নিয়েছেন।

তাঁর ক্ষমতার প্রতিস্পর্ধী হিসেবে মীর জুমলাকে চিহ্নিত করে কুতুব শাহ তাঁর উজিরকে তাঁর বিশ্বস্ত কর্মচারীরূপে নয়, তাঁর প্রতিস্পর্ধী রূপে চিহ্নিত করলেন এবং উন্মুখ হয়ে নিরবে তাকে ধ্বংস করার এবং তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার উদ্যোগ নিলেন। তাঁর সঙ্গে ঘৃতাহূতি পড়ল তাঁর সভাসদেদের বারে বারে তাঁর শয়তান প্রতিস্পর্ধীকে, দেরি না করে সমূলে ক্ষমতাচ্যুত করার উত্যক্ত মন্ত্রণা। তাঁর পাশে উজিরের শুভচিন্তকরা যেহেতু সর্বক্ষণ ঘিরে থাকে, তাই সুলতান মীর জুমলা বিরোধী মনোভাব লুকিয়ে চলতে লাগলেন, কিন্তু মাঝে মাঝে হঠাত হঠাত করে তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটত। কর্ণাটকে বসে থাকা মীর জুমলাকে স্বয়ং তাঁর নিজের এবং তাঁর স্ত্রীয়ের পরিবারের আত্মীয় এবং সভায় তাঁর শুভার্থীদের অবস্থা জানানো হল।

কুতুব শাহের কবল থেকে মীর জুমলার মুক্তির অবস্থার সঙ্গে তুলনা করা যায় শিবাজীর বিজাপুর উদ্ধারের ভাবনাকে। তবে এটা কতটা তুলনীয় তা বলা কঠিন। শিবাজীরকে চেষ্টা ছিল জাতীয় স্তরের স্বাধীনতা আনয়ন করা এবং ঐতিহাসিকতায় পরিপূর্ণ, উল্টো দিকে মীর জুমলার স্বাধীনতার উদ্যম কিন্তু নিজের, ব্যক্তিগত; এটা মন্তব্যই করা যায়।
(চলবে)

Post a Comment