Wednesday, February 5, 2014

Genesis of Param2, পরমের গড়ে ওঠার ইতিহাস২

মোটামুটি পরিকল্পনা নানান কেন্দ্রিয় পরিকল্পনার মতই কলকাতা শহরে তৈরি হল।

কিন্তু সত্যিই তো আমরা কলাবতী মুদ্রা এবং বঙ্গীয় পারম্পরিক কারু ও বস্ত্র শিল্পী সঙ্ঘের পক্ষ থেকে যে পত্রিকার পরিকল্পনা করতে যাচ্ছি, সেটি কি বাংলার পরম্পরার শিল্পীরা নেবেন? কেননা এই কথাগুলো আমরা দু পক্ষকেই শোনাতে চেয়েছি, বেশি করে গ্রামের শিল্পীদের, যারা আমাদের সদস্য, তাদের।

এই পত্রিকার পরিকল্পনা করার পর ঠিক হল এটির সমস্ত দায়িত্ব নেবে সংগঠনের সদস্য বিশ্বেন্দু - লেখা জোগাড় থেকে পরিকল্পনা থেকে অর্থ জোগাড় থেকে পত্রিকা বাজারে ছাড়া সব দায়িত্ব তার। পত্রিকা প্রকাশের জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে নানান সাহায্য করা হবে।

বেশ কয়েকটি বৈঠক হল। নাম ঠিক হল। সক্কলে উৎসাহ দিলেন। প্রত্যেক জেলা কমিটি এই পত্রিকা নিয়ে তাদের পরিকল্পনা  প্রকাশ করলেন। বললেন তাদের এ বিষয়ে বিন্দু মাত্রর অভিজ্ঞটা নেই, কিন্তু তাদের যদি পথ দেখানো হয়, তাঁরা এই কাজের সঙ্গে জুড়ে থাকতে চাইবেন।

আমরা যারা প্রাথমিকভাবে পত্রিকার পরিকল্পনা করেছিলাম, উত্তরে বললাম, আদতে পত্রিকাটির স্বত্ত্ব কিন্তু তাদেরই। তাদের পক্ষ থেকে কয়েকজন মানুষ এটি চালানোর দায়িত্ব নিচ্ছে মাত্র। এর বেশি কিছু নয়। সব থেকে বড় কথা আমাদের দুটি সংগঠনই চাঁদা ভিত্তিক। ফলে প্রত্যেক মাসে লেখা বিষয়ে পারস্পরিক যোগাযোগ করা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। যেহেতু পত্রিকা প্রকাশনে নানান কিছু বিষয় কাটছাঁট করা হচ্ছে, সেহেতু প্রাথমিক অর্থ যোগাড় করা খুব একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে না। কাগজ, পত্রিকার সাজসজ্জা, কালি ইত্যাদির পরিকল্পনা খরচ কমাতে সাহায্য করবে, সেহেতু বিশ্বেন্দু নিজেই সংগঠনের ওপর চাপ না বাড়িয়ে এই মাসিক অর্থ যোগাড় করার দায়িত্ব নিচ্ছে।

এই ভাবনার উত্তর এল, সংগঠনের শিল্পীদের পক্ষ থেকে মধুমঙ্গল মালাকার এই দায়িত্ব নেবেন। তিনি নিয়মিত বিশ্বেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। পত্রিকা-শিল্পীদের সঙ্গে জুড়ে থাকা নানান বিষয় তিনি দায়িত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রয়োজনে তিনি কাউকে সঙ্গে রাখবেন।

আর অনেকেই বললেন বাৎসরিক গ্রাহক করার কথা। অনেক শিল্পীই এই পত্রিকার বাৎসরিক গ্রাহক হবেন। এবং পত্রিকার খরচ তুলতে অনেকেই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেবেন জানালেন। বললেন সংগঠনের সঙ্গে পত্রিকা চালানোও তাদের দায়। সে দায় তাঁরা কিছুটা নিজেদের কাঁধে তুলে নিতে চান।


Post a Comment