Wednesday, October 2, 2013

মন্টোগোমারি মার্টিনের লেখায় শোলার উল্লেখ

হিস্ট্রি, অ্যান্টিক্স টপোগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্স অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া, মন্টোগোমারি মার্টিন, পৃ ৮১২

শোলা গাছ খুব ব্যবহার করে বাংলার জেলেরা। তারা শোলার শুকনো কান্ড দিয়ে মাছ ধরার জালকে ভাসিয়ে রাখে। এছাড়াও বাংলার প্রচুর মানুষ শোলা দিয়ে ফুলও বানান। শোলা দিয়ে নানান ধরণের সুন্দর চিনা ফুল তৈরি হয়। শোলার ফুলের পাঁপড়ি, বাস্তবের ফুলের থেকেও মনমুগ্ধকর। এগুলি ইয়োরোপের শিল্পিদের শেখার প্রয়োজন। সেখানে এর বড় বাজার তৈরি হতে পারে। আমরা এগুলোর কয়েকটি ফুল নিয়ে ইয়োরোপে পাঠাতে পারি যাতে শিল্পীরা সেই ফুলগুলো পরখ করতে পারে।

শোলা গাছ সাধারনতঃ পুকুর আর জোলা জমিতে জন্মায়। মূল কাণ্ডটি জলের তলায় থাকে। তিন চার ফুট পর্যন্ত হতে পারে। আর বেড়ে তিন থেকে চার ইঞ্চি হয়। এর কাণ্ডটি কিছুটা দানাদার, ধপধপে সাদা, অতীব হালকা, এবং ছোট ছোট করে কেটে শোকানো হলে উজ্জ্বল সাদা রঙের হয়। নানান ধরণের কাজ করার জন্য, অক্টোবর, নভেম্বর মাসের দিকে গাছটিকে মাঝা মাঝি চিরে, টুকরো টুকরো করে শুকোতে দেওয়া হয়। এই গাছগুলি শুকিয়েগেলে জাল ভাসানর জন্য বা শিল্প কর্ম করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Post a Comment