Monday, February 25, 2013

মহেন্দ্র মেলা, Mahendra Mela

মহেন্দ্রর মেলা আমার বাঙলা আর গ্রামবাঙালীকে দেখার চোখ খুলে দিয়েছিল. 
আমরা যারা শহরে থাকি, বুকেরমধ্যে একটুকরো ইওরোপ, আমেরিকা পুষেরেখে ছোটবেলা থেকে ইংরেজি পদ্ধতিতে পড়াশোনা করার পর ভাবি, এ পোড়ার দেশে জন্মে পদাঘাতই শুধু পেলাম - বিলেত আমেরিকায় জন্মালে দেখিয়ে দিতাম - তারাই একমাত্র গুনীর কদর করে, অমর্ত্য সেন পালিয়ে বেঁচেছেন ইত্যাদি ইত্যাদি, পুরুষেরা ইংরেজ মতে জামাকাপড় পরে মেয়েদের ভারতীয়ত্ব বহন করতে বাধ্যকরি, প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে কথ্য ভাষায় প্রচুর ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে প্রত্যেক পলে ইওরোপ আমেরিকাকে স্মরণ করি, ইওরোপিয় উদ্ধৃতি পরম শ্রদ্ধাভারে বহন করি নিজেদের লেখাপত্রে,  ঘন্টায় ২০ বার স্যরি আর ১০০ বার শিট ছুঁড়ে ইওরোপিয় পদ্ধতিতে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বুদ্ধিজীবি হওয়ার ভান করি, ইওরোপিয় জ্যাঠামশাইদের নির্দেশিত যে কোনও কাজ পরম নিষ্ঠাভরে সম্পাদন করি, ইংরেজি বলা শহুরেরা নিজেদের প্রগতিশীল ভেবে গ্রামভারতীয়দের অজ্ঞ, নির্বোধ, সামন্ততন্ত্রে ডুবে থাকা, অশিক্ষিত, গাঁইয়া, পিছিয়ে পড়ার পিণ্ডি চটকানো ইওরোপিয় গুরুঠাকুরদের মতবাদ, বিনা প্রশ্নে কপচে ছাত্রছাত্রীদের গেলানোকে জীবনের পরম পাওয়া বলে মনে করি, তাদের কাছে মহেন্দ্রর মেলা পরম শিক্ষা.
আজ বাঙলা মানে উত্তরবঙ্গই. দক্ষিণবঙ্গ আদতে একটুকরো ইওরোপ, আমেরিকা হতে বড্ড ব্যস্ত. 

এই লেখাটি প্রাত্যহিক সংবাদে প্রকাশ পেয়েছিল. তাঁদের ধন্যবাদ. 



Post a Comment