Wednesday, April 20, 2016

প্রসঙ্গ সুপ্রীম কোর্টে সিঙ্গুর জমি অধিগ্রহণ মামলা

কৃতজ্ঞতাঃ আকাশ বোস
উল্লেখ্য, সিঙ্গুর নিয়ে মূলত দুটি মামলা সুপ্রিম কোর্টের বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। একটি, বাম আমলে সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করে জমি দিতে অনিচ্ছুকদের মামলা। অন্যটি, রাজ্যে ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ‘সিঙ্গুর ল্যান্ড রিহ্যাবিলেটশন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অ্যাক্ট ২০১১’ এনেছিল, তা বৈধ না অবৈধ? কলকাতা হাইকোর্ট মমতার সরকারের আইনকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই ২০১২ সালে সর্বোচ্চ আদালতে এসেছে বিদায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই থেকে গত প্রায় চার বছর ধরে মামলা ঝুলে রয়েছে।
তবে সেই ‘সিঙ্গুর আইনে’র ফয়সালার আগে জমি অধিগ্রহণসহ অনিচ্ছুক কৃষকদের যে মামলা রয়েছে, তা প্রথমে শুনব বলে জানিয়ে দেয় আদালত। রাজ্য সরকার, অনিচ্ছুক কৃষক, জমিরক্ষা কমিটির মতো সংগঠনের আইনজীবীরা এতে উৎসাহী হয়। কিন্তু টাটা মোটরসের পক্ষ থেকে মামলা সামান্য পিছনোর আবেদন করা হয়। একবার নয়। একাধিকবার। যদিও বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দেয়, না। পিছনো যাবে না। লাগাতার শুনে সিঙ্গুর মামলার নিষ্পত্তি করে দিতে চাই। যদিও এদিন বিকাল চারটে বেজে যাওয়ায় শুনানি শেষ হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার ফের এই মামলা শোনা হবে বলে জানিয়ে দেয় আদালত। এদিকে, বহুদিন তালিকাভুক্ত হয়ে সময়াভাবে শুনানি না হলেও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী আবহের মধ্যে এদিন সুপ্রিম কোর্টে ফের সিঙ্গুর মামলার শুনানি শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষ তো বটেই, খোদ শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বেঞ্চও যে আগ্রহী, তা এদিন শুনানির শুরুতেই বুঝিয়ে দেন বিচারপতি ভি গোপাল গৌড়া। শুরুতেই তিনি বলেন, ওহো, সেই বিতর্কিত আইন নিয়ে মামলা? পাশে বসা অন্য বিচারপতি (কলকাতা হাইকোর্টের প্রক্তন প্রধান বিচারপতি) অরুণ মিশ্র তাঁকে মনে করিয়ে বলেন, হ্যাঁ সিঙ্গুর মামলা।
Post a Comment