Thursday, November 4, 2010

মেচ রমণীদের নাচ

জলপাইগুড়ির আলিপুরদুয়ারের নারারথুলি আর খোয়ারাডাঙায় মেচ সমাজের বাস এঁদের সমাজে সকলেরই ভাতমাছের বাঙালিদেরমতই খাদ্যাভ্যাস অন্যান্য উত্তরপূর্বের নানান আদিবাসী সমাজেরমতই মেচ সমাজও মহিলাপ্রধান বাংলা নববর্ষে সমাজের ভাষায় বৈশাংগুরং জনাইএর দিন ইষ্টদেবতা খরাইএর পুজো উপলক্ষে ঢাল আর থুংগ্রী(তরোয়াল) নিয়ে যে যুদ্ধনৃত্যের আয়োজন করেন তার নাম ঢাল থুংগ্রী গেলে নায় এতে গান নেই, তাল বাদ্য দিয়েই এই নৃত্যর আয়োজন হয় থাকে লৌকিক বাদ্যযন্ত্র অসমের বিহুতে ব্যবহৃত টেপারমত বাঁশের খোলথেকে তৈরি ওয়াখোলঠপ, মন্দিরা, সারিন্দারমত চার তারের সারজা আর তালযন্ত্র হেম বা ঢোলের অনুষঙ্গে চলে নাচ যন্ত্র বাজান পুরুষেরা এই সমাজের আর একটি যুদ্ধনৃত্য চত্রালি দুহাতে তরোয়াল নিয়ে নাচ যুদ্ধের মহড়া নৃত্য মশাখাওরী মশা নায়-ও উল্লেখযোগ্য বসন্ত উত্সবের সময় মেচ রমণীরা আয়োজন করেন শৃঙ্গারধর্মী বাগারুম্বা নাচ শরীরের পাঁচটি অংশ হাত, গলা, মুখ, কোমর আর বুক দিয়ে প্রেমের উছ্বাসকে প্রকাশ করেন তাঁরা একটি সামাজিক আচারের নাচ বৈরাথী আজতে বধুবরণ নৃত্য আরও একটি নাচ খুরৈ লানান গেলে নায় বা বাটি্ হাতে নাচ - ইষ্টদেবতা বাটোর উদ্দেশ্যে উত্সর্গীকৃত
Post a Comment