Saturday, September 28, 2013

ভূমধ্যসাগরের নতুন উদ্যম লোকনদী, A new initiative LOKNODI of Little Mag VUMODHYOSAGOR

জয়াদি, একটি প্রকাশনা সংস্থার পরিকল্পনা করছেন বেশ কয়েক মাস ধরে। 
কলাবতী মুদ্রার প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে নিজের নামে। আমরা বেশ কয়েকটি বইও প্রকাশ করেছি।
তো জয়াদি একটি লেখা পাঠিয়েছেন তাঁর বিশদ বিবরণ লিখে। 
সেটি পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া গেল।

কলাবতী মুদ্রার পক্ষে,
বিশ্বেন্দু




আজ থেকে আঠেরো বছর আগে ভূমধ্যসাগর নামে একটি ছোট পত্রিকা আত্মপ্রকাশ করেছিল। ‘যে সব লেখা অন্যদের পড়াতে ইচ্ছে করে’, সে রকম লেখা ছাপা হবে এই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। বন্ধুদের ধরে থাকা হাতের আশ্রয়ে ভূমধ্যসাগার আজও চলছে। 

সাধ আরও একটু বেড়েছে। এবারে উদ্যোগ একটি ছোট প্রকাশনার। তাঁর নাম দেওয়া গেল লোকনদী। এরও জন্মভাবনায় আছে পছন্দ মত বই, সুন্দর করে সাজিয়ে প্রিয় পাঠকদের হাতে দেওয়ার আকাঙ্খা। এবারও বন্ধুদের বাড়িয়ে দেওয়া হাতই আমার ভরসা। বড় পুঁজির বড় বাজারের বাইরে, পারস্পরিক বিশ্বাস এর ভালবাসার ওপর বিশ্বাস রেখেই সৌন্দর্যে যাওয়া যায়, এই কথাটা আমরা আরেকবার তুলে ধরার চেষ্টা করি।

প্রথম প্রকাশিত হতে যাওয়া তিনটি বইএর জন্য ৩০০ টাকা দিয়ে অগ্রিম গ্রাহক হন। বন্ধুদের বলুন। বই বেরবার সঙ্গে সঙ্গে কৃতজ্ঞতাসহ খবর যাবে। অগ্রিম গ্রাহকেরা পাবেন লেখকদের স্বাক্ষর করা বই।

আসুন, আমরা এক নতুন পারস্পরিকতার সম্পর্ক শুরু করি।
জয়া মিত্র

প্রথম প্রকাশিত বই
প্রশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত প্রবন্ধ – চারপাশে ঘটতে থাকা টুকরো ঘটনাগুলির মধ্যকার সেই আন্তঃসম্পর্ক যা প্রায়ই আমাদের কাছে ধরা দেয় না।

কৃষি পরাশর ও অন্যান্য প্রবন্ধ – দ্বাদশ শতাব্দীতে রচিত পুর্ব-ভারতের অসামান্য কৃষি শাস্ত্র। মূল সংস্কৃত ও বাংলা অনুবাদসহ, বাংলার কৃষি ভাবনা সম্পর্কে প্রাচীন ও নবীন কিছু ভাবনা সম্পুট। সম্পাদনা জয়া মিত্র।

ভোঁ দিল ঐ জাহাজ ঘাটে – ছবিভরা ছড়া, শৈবাল দত্ত

আরও কিছু জানার থাকলে যোগাযোগ করুন -
জয়া মিত্র, ০৯৮৭৪৩৭৩৬৭৬, ০৯৪৭৫৭৩২০১৩, joyamitra@gmail.com

এই নামে ড্রাফ্‌ট পাঠান/মনি ট্রান্সফার করুন,
VUMODHYASAGAR

CANARA BANK
A/C - 0151101013365
IFSC - CNRB 0000151

Friday, September 27, 2013

Comply with directions or pay penalty, Ministry of Environment and Forests told by National Green Tribunal (Southern Bench)

Directions issued in petitions filed by Environment Support Group and anr. challenging illegal diversion of Amrit Mahal Kavals to defence, nuclear, industrial, institutional and commercial projects in Challakere

The Hon'ble National Green Tribunal (South Zone), Chennai, comprising of Justice Shri. M. Chockalingam and Expert Member Prof. R. Nagendran today directed the Union Ministry of Environment and Forests to file their response to Applications challenging the diversion of 10,000 acres of Amrit Mahal Kavals grassland ecosystems (designated District Forests) to a variety of public sector and commercial projects by 30th October 2013 or face serious consequences. The Tribunal warned the Ministry that failure to comply, by filing appropriate response, would attract a fine of Rs. 1 lakh in each of the two pending applications filed, i.e. by Environment Support Group and Leo F. Saldanha.

The Tribunal said failure on the part of the Ministry to file its response, seven months after being directed to do so, is “indicative of the careless attitude on the part of the officials of the 1st Respondent”, i.e. Indian Ministry of Environment and Forests (MoEF). The Tribunal directed that “(a)fter looking into the averments made, in the considered opinion of the Tribunal, the reply of the 1st Respondent is a must to take an effective decision in the matter. Hence, as a last chance the matter is posted to 30th October 2013. If not filed on that day, 1st Respondent has to pay a cost of Rs. 1 lakh in each case.” The Tribunal also ordered that the “responsible officer not below the rank of Director (Forest Clearance) may be present” when the matter is next heard.

It may be recalled that the Tribunal by its decision dated 21st August 2013 has ordered status quo on all project activities proposed in the Amrit Mahal Kaval grassland ecosystems of Challakere Taluk, Chitradurga, Karnataka. The directions were issued on the interim prayers of the Applications which complained that Defence Research Development Organisation, Indian Institute of Science, Indian Space Research Organisation, Bhabha Atomic Research Centre, Karnataka Small Scale Industries Development Corporation, Karnataka Housing Board, Sagitaur Pvt. Ltd. have commenced project activities in these ecologically sensitive areas in comprehensive violations of laws protecting the environment, wildlife, forests, people's rights, etc. The Tribunal had also directed the Karnataka State Pollution Control Board to review any pending applications for clearances sought from project proponents in due accordance with law over the following fortnight. The Board in that period considered two pending applications for consent that were pending before it, from Aeronautical Development Establishment (DRDO) and Sagitaur, and accorded them Consent for Establishment, but conditional to securing necessary Forests Clearances as applicable. The Tribunal in its order of 17th September 2013 had recorded this aspect.

In the backdrop of these developments, Counsel Mr. T. Mohan appearing for Environment Support Group contended in the hearing today that the Ministry of Environment and Forests had written to the Karnataka Forest Secretary in June 2013 directing that a detailed report must be filed in response to the specific cases of violations as made out in the February 2013 representation of ESG, including illegal diversion of forest land to non-forest purposes, in the Challakere case. Mr. Mohan argued that both the Ministry and the Karnataka Government have suppressed this fact before the Tribunal, and also the Fact Finding Committee constituted by the Tribunal. Consequently, any action on the matter would be subject to this issue being resolved first and foremost. Responding to this submission, the Tribunal deemed it fit to issue to issue the aforesaid direction to the Ministry today.




Leo F. Saldanha


Bhargavi S. Rao
Applicant in Application No. 6/2013
(Party in person)
Trustee/Coordinator (Education)
Environment Support Group
Applicant in Application 12/2013

PS: Detailed documentation of this case is accessible at: http://esgindia.org/resources/resources/esg-application-ngt-challenging-illegal-.html

All orders of the Hon'ble National Green Tribunal on these connected matters may be accessed at:http://greentribunal.gov.in/e-orders.php?eid=4435

Thursday, September 26, 2013

আন্দোলনের অন্য ধারায়় গৌরবময় সংযোজন, A Tribal Movement Against Stone Quarries


জয়া মিত্র 
দ্য সানডে ইন্ডিয়ানে প্রকাশ পেয়েছিল

রাজনৈতিক আন্দোলন চিরকালই কোনও না কোনও সামাজিক অন্যায়ের নিরসনকল্পেই শুরু হত৷ কিন্তু,সারা বিশ্বেই আজ ধীরে ধীরে সেই আন্দোলনের অভিমুখ পালটাতে শুরু করেছে৷ ভারতেও বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক দলীয় কর্মসূচির আন্দোলনের চেয়ে ক্রমশই বেশি জোরালো হয়ে দেখা দিচেছ স্থানিক কারণে, বিশেষত কোনও এলাকার বাসিন্দাদের আন্দোলন৷ এর অধিকাংশই নিজেদের অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার, যাকে পরিবেশ বলি, তা রক্ষার আন্দোলনে নামছেন৷
নর্মদা নদীকে বড় বাঁধের থেকে রক্ষার আন্দোলন বা হিমাচল প্রদেশে জঙ্গল রক্ষার জন্য গ্রামের মানুষদের চিপকো আন্দোলন হয়তো নদীতে বন্যার প্রথম জলকল্লোল৷ কিন্তু, গত 12-15 বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর এই অধিকার আন্দোলনই ভারতে জনআন্দোলনের প্রধান চেহারা হয়ে যাচেছ৷পরিবেশ রক্ষা যে এই মানুষদের প্রাণিত করছে, এমন নয়৷ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভর করেই সেইসব অঞ্চলের হাজার হাজার বছর ধরে সাধারণ মানুষ জীবনধারণ করেন৷ তার বাইরের কোনও উন্নয়ন যখন সেই অত্যন্ত সুস্থায়ী জীবনযাপনের ধরণ থেকে তাদের উৎপাটিত করে তাদের মাটি-ভূগর্ভ-অরণ্য-ঝর্ণা-নদী দখল কর়ার চেষ্টা করে, তখন নিজেদের জীবনে স্থিত থাকার মরিয়া চেষ্টাতেই এই মানুষেরা প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলেন৷ ছত্তিশগড়, ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশ,মেঘালয়ের কলপাকরাম -সহ বহু জায়গার স্থানীয় মানুষের খনি-বিরোধী আন্দোলন, শতদ্রু নদীর পং বাঁধ,অরুণাচলের তাওয়াং- নিয়ামজাং চু, আসামের ধেমাজিতে গেরুকামুখ, উত্তরপূর্বের তিপাইমুখ, সঙ্গার পার্বত্যধারায় অলকানন্দা-মন্দাকিনীর ধারে, প্রত্যেকটি ছোটবড় বাঁধের আশেপাশে স্থানীয় মনুষদের আন্দোলন, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম, বর্ধমানের অণ্ডাল-সরষেতলি, মহারাষ্ট্রের নিয়মগিরি, মহাগুজরাত,উত্তরপ্রদেশ-হরিয়ানার অসংখ্য জায়গায় কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধী আন্দোলনের বিস্তৃতি প্রতিনিয়ত বাড়ছে৷
বীরভূমের পাঁচামি-মহম্মদবাজারের 2010 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়া বেআইনি পাথরখাদান ত্রুাশার-বিরোধী আন্দোলন, চলতি কথায় যা আদিবাসী গাঁওতার আন্দোলন, সেই আন্দোলনের তালিকায় তা এক গৌরবময় সংযোজন৷     
অনেক বিশেষত্ব এই আন্দোলনটিকে চিহিুত করছে৷ অন্তত ত্রিশ বছর ধরে সংগঠিত বেনিয়ম অত্যাচারের বিরুদ্ধে নিজেদের জমি-জঙ্গল-নদী-পুকুর, মায় বসতগ্রাম ছাড়তে বাধ্য হওয়া সাঁওতালরা শেষ অবধি যখন প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু করলেন়, তখন থেকেই তাঁরা নির্ভর করলেন নিজেদের প্রাচীন সংস্কৃতি প্রথায়়৷ 2010- 8 ফেব্রুয়ারির সকালে আত্রুান্ত গ্রামের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অন্যান্যদের খবর দেওয়ার উপায় হিসাবে তারা বেছে নিয়েছিলেন মাদল৷ আমরা বিপন্ন, তাড়াতাড়ি এসো - এই বোল সিধু-কানুর পর আর মাদলে ওঠেনি৷ রাজনৈতিক দলেরা লিফলেট, হ্যান্ডবিল দিয়ে নিজেদের কর্মসূচিতে সামিল করে৷ কিন্তু, খাদানঘেঁষা গ্রামের আদিবাসীরা যখন ডাক দিলেন নিজেদের মানুষদের, নিজেদের প্রাচীন প্রথার কাছেই ফিরে গেলেন৷ রাস্তা খঁুড়ে পুলিশের পথ আটকানোর পাশাপাশি দিনের পর দিন হাটে-মাঠে জমায়েতে আমগাছের প্রশাখা নিয়ে ছুটে গেল গাঁওতা সদস্যরা৷ আর দেখা গেল, ‘মনে আছে! সব মনে আছে! সম্মেলক কোনও স্মৃতি যেন জেগে উঠল নিঝুম বিস্মৃতির অতল থেকে৷ নাগরিক জীবনের গ্রামরক্ষী বাহিনী নয়, গ্রামের প্রবেশ পথে তৈরি হল সুসজ্জিত মাচা, গভীর রাত পর্যন্ত পাহারায় জাগলো গানের সুর,মাদল আর নাচের দল৷ বর্ধিষ্ণু গ্রামে আগুন লাগিয়ে, ধানের গোলা পুড়িয়ে সরাসরি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার উগ্র উসকানি সত্ত্বেও আন্দোলন রইল অহিংস৷ তির-ধনুক-বর্শা-টাঙ্গি আদিবাসীর পোশাকেরই যেন অংশ৷ মিছিলে-সমাবেশে সেসব রইল আগের চেয়ে বেশি, কিন্তু একটি অস্ত্রও ব্যবহূত হল না৷ মার কা বদলা মার বা ইট কা বদলা লোহে সে জাতীয় চটকদার কোনও স্লোগানই দিল না আন্দোলনকারীরা৷ তারা তালবাঁধ গ্রাম গ্রাস করতে উদ্যত কামাল খানের খাদানে চরকা দিয়ে এল৷ 34 নম্বর জাতীয় সড়কে এক ত্রুাশারে একটি আদিবাসী ছেলেকে হেনস্থার ঘটনায় ভবিষ্যতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে সেই মালিকের সমস্ত খাদান-ত্রুাশারে চরকা দেওয়ার হুঁশিায়ারি দিল৷ কয়েকটি খড় সুতোয় গিঁট দেওয়া সেই চরকাঅগ্রাহ্য করার সাধ্য কিন্তু এখনও কারও হয়নি৷
গাঁওতা যে কারণে আন্দোলনে নামল, তা কিন্তু সরকারি উদ্যোগের বিষয় হওয়ার কথা৷ আন্দোলনই বলে দিল, বীরভূমের পাথরখাদানগুলি যে জমিতে তৈরি, যেভাবে চলে, যে বিস্ফোরক ব্যবহূত হয় - তার কোনটই বৈধ নয়৷ গাঁওতার আন্দোলনের মূল দাবি, কেবল সেই সব খাদান ক্রাশার চলুক যেগুলি আইনত বৈধ৷ অনিয়ন্ত্রিত পাথর তোলা পাথর ভাঙার ফলে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যই যে শুধু বিপন্ন হচেছ, তা নয়৷ মাঠ-ফসল-ক্ষেত, জলের উৎস ছোট ছোট নদী, পুরনো পুকুর, ঝোপজঙ্গল  যা এই সমাজের কৃষিজীবী আদিবাসী সমাজের জীবনযাপনের অপরিহার্য অঙ্গ সেই সবকিছু ধবংস হচেছ৷ ফলে বিপন্ন হয়েছে তাদের পারিবারিক সামাজিক জীবন৷
গত দু-বছরে এই দাবির সত্যতা আরও বেশি প্রমাণ হয়েছে৷ খাদান ক্রাশার বন্ধ থাকার ফলে বিস্ফোরণ, পাথরভাঙা ধুলো, চোলাই মদ আনুষঙ্গিক নানা দোকান, অসংখ্য বাইরের লোক বয়ে আনা ট্রাকের আনাগোনা বন্ধ আছে৷ ফলে গ্রামে ফিরছে সাঁওতাল জীবনের স্বাভাবিক শ্রী৷ নিজেদের জীবনকেই পুনর্বাসিত করছেন গ্রামবাসীরা৷ দু-বছরের কম বৃষ্টির সমস্যা সামাল দিয়ে রাসায়নিক দিয়ে চাষের বদলে নিজেদের প্রচীন নিয়মের চাষে ফিরছেন তাঁরা৷ ভুট্টা, ডাল, স্থানীয় সবজি চাষ, মাছ, শুয়োর মুরগি পালনতাও আবার বাজারে বেচার জন্য নয়, শুরু হয়েছে৷ তার জন্য কোনও প্রকল্প, কোনও দফ৲তর দরকার হয়নি৷ গ্রামসমাজ করেছে নিজস্ব নিয়মে৷ নিজেদের সংগঠন মাঝি পারগানা বাইসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে,কোনও মাঝিহাড়াম (গ্রাম প্রধান) কোনও দলে যোগ দিতে পারবে না৷ গাঁওতা গ্রামে গ্রামে গাছ লাগাচেছ,নিজে হাতে পুকুর কাটছে৷ সাংসারিক অশান্তির জায়গা নিয়েছে মেলা-উৎসব-পরব৷ গাছে গাছে ফিরেছে পাখি, শুখনো কুয়োয় আবার জল দেখা যাচেছ৷

খাটিয়ে মানুষদের এটাই ধরণ৷ তাদের সুন্দর জীবন সুশৃঙ্খল জীবন প্রকৃতি-নির্ভর৷ তাদের জীবনচর্যা স্বাভাবিক নিয়মেই পরিবেশরক্ষার ব্যবস্থা করে - প্রাকৃতিক সামাজিক উভয়ক্ষেত্রেই৷ ওডিশার নুয়াগড়ে ন্যাড়া হয়ে যাওয়া পাহাড়ে গাছ লাগানোর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের গ্রামে৷ নর্মদা ঘাঁটির মানুষ গড়ে তোলেন সুকল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মায় বিকল্প বিদু্যৎকেন্দ্র পর্যন্ত৷ রাজস্থানে আদিগন্ত মরুভূমির মাঝে বিন্দু বিন্দু জল সঞ্চয় করে গ্রামবাসীরা গড়েন জলাশয়, শস্যক্ষেত্র৷ সন্ত্রাস, অর্থের লোভ চাপ, চূড়ান্ত বিরোধিতাকে জয় করেই আদিবাসীরা গড়ছেন নিজেদের এক সুন্দর গ্রামসমাজ৷